
রাশিয়ার কাছ থেকে ‘সু-৩৫’ নামের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কেনার ব্যাপারে চুক্তি করেছে ইরান। গতকাল শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ইরান মিশনের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, সুখোই-৩৫ যুদ্ধবিমান প্রযুক্তিগতভাবে গ্রহণযোগ্য এবং ইরান এটি কেনার জন্য রাশিয়ার সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে।
তবে আইআরআইবির প্রতিবেদনে রাশিয়ার নিশ্চিতকরণের কোনো তথ্য নেই। রাশিয়া এখন পর্যন্ত এই চুক্তির ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলেনি। জাতিসংঘের ইরান মিশন বলেছে, ইরান আরও কয়েকটি দেশ থেকে যুদ্ধবিমান কেনার চেষ্টা করছে। তবে দেশগুলোর নাম প্রকাশ করেনি।
রাশিয়ার কাছ থেকে ইরানের যুদ্ধবিমান কেনার খবরটি গত বৃহস্পতিবার প্রথম প্রকাশ করেছিল মার্কিন সংবাদমাধ্যম সেমাফোর।
গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে হামলার পর পশ্চিমাদের চাপের মুখে পড়ে রাশিয়া। তখন ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে ওই বছরের জুলাইয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
এর আগে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের তৈরি ড্রোন ব্যবহার করেছে রাশিয়া। ইরান রাশিয়ার কাছে ড্রোন পাঠানোর কথা স্বীকারও করেছে। তবে ইরান কর্তৃপক্ষ বলেছে, ইউক্রেনে হামলা শুরু করার আগে ওই ড্রোনগুলো পাঠানো হয়েছিল।
অন্যদিকে রাশিয়া শুরু থেকেই ইরানের ড্রোন ব্যবহার করার কথা অস্বীকার করে আসছে। মস্কো বলেছে, ইউক্রেনে তারা ইরানের ড্রোন ব্যবহার করেনি।
রয়টার্স বলেছে, ইরানের বিমানবাহিনীর কাছে কয়েক ডজন ‘স্ট্রাইক এয়ারক্রাফট’ রয়েছে। এর মধ্যে রাশিয়ার যুদ্ধবিমান ও পুরোনো আমলের মার্কিন মডেলের যুদ্ধবিমানও রয়েছে।
এর আগে ২০১৮ সালে ইরান বলেছিল, তারা বিমানবাহিনীর জন্য স্থানীয়ভাবে ডিজাইন করা ‘কাউসার ফাইটার’ তৈরি করতে শুরু করেছে। সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, যুদ্ধবিমানটি ১৯৬০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি করা এফ-৫ যুদ্ধবিমানের অনুকরণে তৈরি করা হয়েছে।

রাশিয়ার কাছ থেকে ‘সু-৩৫’ নামের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কেনার ব্যাপারে চুক্তি করেছে ইরান। গতকাল শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ইরান মিশনের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, সুখোই-৩৫ যুদ্ধবিমান প্রযুক্তিগতভাবে গ্রহণযোগ্য এবং ইরান এটি কেনার জন্য রাশিয়ার সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে।
তবে আইআরআইবির প্রতিবেদনে রাশিয়ার নিশ্চিতকরণের কোনো তথ্য নেই। রাশিয়া এখন পর্যন্ত এই চুক্তির ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলেনি। জাতিসংঘের ইরান মিশন বলেছে, ইরান আরও কয়েকটি দেশ থেকে যুদ্ধবিমান কেনার চেষ্টা করছে। তবে দেশগুলোর নাম প্রকাশ করেনি।
রাশিয়ার কাছ থেকে ইরানের যুদ্ধবিমান কেনার খবরটি গত বৃহস্পতিবার প্রথম প্রকাশ করেছিল মার্কিন সংবাদমাধ্যম সেমাফোর।
গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে হামলার পর পশ্চিমাদের চাপের মুখে পড়ে রাশিয়া। তখন ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে ওই বছরের জুলাইয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
এর আগে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের তৈরি ড্রোন ব্যবহার করেছে রাশিয়া। ইরান রাশিয়ার কাছে ড্রোন পাঠানোর কথা স্বীকারও করেছে। তবে ইরান কর্তৃপক্ষ বলেছে, ইউক্রেনে হামলা শুরু করার আগে ওই ড্রোনগুলো পাঠানো হয়েছিল।
অন্যদিকে রাশিয়া শুরু থেকেই ইরানের ড্রোন ব্যবহার করার কথা অস্বীকার করে আসছে। মস্কো বলেছে, ইউক্রেনে তারা ইরানের ড্রোন ব্যবহার করেনি।
রয়টার্স বলেছে, ইরানের বিমানবাহিনীর কাছে কয়েক ডজন ‘স্ট্রাইক এয়ারক্রাফট’ রয়েছে। এর মধ্যে রাশিয়ার যুদ্ধবিমান ও পুরোনো আমলের মার্কিন মডেলের যুদ্ধবিমানও রয়েছে।
এর আগে ২০১৮ সালে ইরান বলেছিল, তারা বিমানবাহিনীর জন্য স্থানীয়ভাবে ডিজাইন করা ‘কাউসার ফাইটার’ তৈরি করতে শুরু করেছে। সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, যুদ্ধবিমানটি ১৯৬০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি করা এফ-৫ যুদ্ধবিমানের অনুকরণে তৈরি করা হয়েছে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৮ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৮ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
১১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
১১ ঘণ্টা আগে