আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সামরিক সংঘাত। শুক্রবার ভোরে ইসরায়েলের আকস্মিক বিমান হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও সেনা সদর দপ্তর ধ্বংস হয়ে যায়। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান প্রায় ১০০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, যার বেশিরভাগই ইসরায়েল আটকাতে পারলেও কয়েকটি তেল আবিবে আঘাত হানে।
তেল আবিব শহরের আকাশে রাত ৯টার দিকে সাইরেন বেজে ওঠে, আর আধা ঘণ্টার মধ্যেই আকাশে বিস্ফোরণের শব্দ ও ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কিছু ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশেই ইরানি হামলা প্রতিহত করলেও কয়েকটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে শহরের অভ্যন্তরে বিস্ফোরিত হয়। একটি উচ্চ ভবনে আঘাত হানায় দেয়াল ভেঙে পড়ে, গ্লাস চূর্ণ-বিচূর্ণ হয় এবং অন্তত ১৫ জন আহত হন, যাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা সংকটজনক।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নির্দেশে ইরানি বাহিনী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে শক্ত ও সুনির্দিষ্ট জবাব দিয়েছে। এই হামলায় ডজনেরও বেশি লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
আল-জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলের তেল আবিবে একটি আধুনিক অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে সরাসরি আঘাত হানার ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। সরাসরি সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা গেছে, ভবনের কয়েকটি অ্যাপার্টমেন্টে এখনো আগুন জ্বলছে এবং ঘন ধোঁয়া বের হচ্ছে।
পাশের আরেকটি আবাসিক ভবনেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে—এর জানালা ভেঙে গেছে এবং বাইরের দিক থেকে বাঁকানো ধাতব অংশ ঝুলতে দেখা গেছে।
জরুরি পরিষেবার সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে এবং ভবনের আশপাশের রাস্তাগুলো সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম মেহর নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, দেশটির কেন্দ্রীয় শহর ইশফাহানে একটি বিশাল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইশফাহান প্রদেশে বেশ কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনা অবস্থিত। তবে ওই বিস্ফোরণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সামরিক সংঘাত। শুক্রবার ভোরে ইসরায়েলের আকস্মিক বিমান হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও সেনা সদর দপ্তর ধ্বংস হয়ে যায়। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান প্রায় ১০০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, যার বেশিরভাগই ইসরায়েল আটকাতে পারলেও কয়েকটি তেল আবিবে আঘাত হানে।
তেল আবিব শহরের আকাশে রাত ৯টার দিকে সাইরেন বেজে ওঠে, আর আধা ঘণ্টার মধ্যেই আকাশে বিস্ফোরণের শব্দ ও ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কিছু ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশেই ইরানি হামলা প্রতিহত করলেও কয়েকটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে শহরের অভ্যন্তরে বিস্ফোরিত হয়। একটি উচ্চ ভবনে আঘাত হানায় দেয়াল ভেঙে পড়ে, গ্লাস চূর্ণ-বিচূর্ণ হয় এবং অন্তত ১৫ জন আহত হন, যাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা সংকটজনক।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নির্দেশে ইরানি বাহিনী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে শক্ত ও সুনির্দিষ্ট জবাব দিয়েছে। এই হামলায় ডজনেরও বেশি লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
আল-জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলের তেল আবিবে একটি আধুনিক অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে সরাসরি আঘাত হানার ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। সরাসরি সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা গেছে, ভবনের কয়েকটি অ্যাপার্টমেন্টে এখনো আগুন জ্বলছে এবং ঘন ধোঁয়া বের হচ্ছে।
পাশের আরেকটি আবাসিক ভবনেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে—এর জানালা ভেঙে গেছে এবং বাইরের দিক থেকে বাঁকানো ধাতব অংশ ঝুলতে দেখা গেছে।
জরুরি পরিষেবার সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে এবং ভবনের আশপাশের রাস্তাগুলো সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম মেহর নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, দেশটির কেন্দ্রীয় শহর ইশফাহানে একটি বিশাল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইশফাহান প্রদেশে বেশ কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনা অবস্থিত। তবে ওই বিস্ফোরণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২৯ মিনিট আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৪৩ মিনিট আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
২ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের পাঞ্জাব ও বেলুচিস্তান প্রদেশে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ২৪ জন নিহত এবং ২০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। আজ শনিবার ভোরে পাঞ্জাবের সারগোধা জেলায় একটি ট্রাক খালে পড়ে গেলে ১৪ জন মারা যান। অন্যদিকে বেলুচিস্তানের ওরমারা মহকুমার কাছে একটি যাত্রীবাহী কোচ উল্টে ১০ জন নিহত হন।
২ ঘণ্টা আগে