আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল। নিখোঁজ হওয়ার সময় এটিআর-৪২-৫০০ মডেলের ফ্লাইটটি জাকার্তা থেকে মাকাসার অভিমুখে যাচ্ছিল।
ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থা বাসারনাসের অপারেশন ডিরেক্টর এডি প্রকোসো জানিয়েছেন, ফ্লাইটটিতে মোট ১১ জন আরোহী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে আটজন ক্রু মেম্বার এবং তিনজন যাত্রী। বিশ্বব্যাপী ফ্লাইট ট্র্যাকিং ও ডেটা পরিষেবা প্রদানকারী এয়ার-নাভ ইন্দোনেশিয়ার দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ফ্লাইটটির সর্বশেষ অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে মারোস জেলার লিয়াং-লিয়াং অঞ্চলের দুর্গম এলাকায়।
ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনতানা জানিয়েছে, খবর পাওয়ার পরপরই মাকাসার থেকে ২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তাকে নিয়ে একটি উদ্ধারকারী দল গঠন করা হয়েছে। উদ্ধারকারীদের মোট তিনটি দলে ভাগ করে লিয়াং-লিয়াংয়ের সম্ভাব্য এলাকায় পাঠানো হয়েছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় তল্লাশি চালাতে একটি আধুনিক ড্রোন ইউনিট, রেসকিউ ভেইকেল এবং পার্সোনেল ট্রাক ব্যবহার করা হচ্ছে।
বাসারনাসের অপারেশন ডিরেক্টর এডি প্রকোসো বলেন, ‘আমাদের কর্মীরা ইতিমধ্যে লিয়াং-লিয়াংয়ের চিহ্নিত স্থানাঙ্কের দিকে রওনা হয়েছেন। বিমান এবং এর যাত্রীদের অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই নিবিড় অনুসন্ধান অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
প্রসঙ্গত, ইন্দোনেশিয়ার যে এলাকায় ফ্লাইটটি নিখোঁজ হয়েছে, সেটি অত্যন্ত দুর্গম এবং পাহাড়ি অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। লিয়াং-লিয়াং অঞ্চলটি মূলত প্রাগৈতিহাসিক গুহা এবং চুনাপাথরের পাহাড়ের জন্য বিখ্যাত। প্রতিকূল আবহাওয়া এবং দুর্গম পথ উদ্ধার অভিযানে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল। নিখোঁজ হওয়ার সময় এটিআর-৪২-৫০০ মডেলের ফ্লাইটটি জাকার্তা থেকে মাকাসার অভিমুখে যাচ্ছিল।
ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থা বাসারনাসের অপারেশন ডিরেক্টর এডি প্রকোসো জানিয়েছেন, ফ্লাইটটিতে মোট ১১ জন আরোহী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে আটজন ক্রু মেম্বার এবং তিনজন যাত্রী। বিশ্বব্যাপী ফ্লাইট ট্র্যাকিং ও ডেটা পরিষেবা প্রদানকারী এয়ার-নাভ ইন্দোনেশিয়ার দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ফ্লাইটটির সর্বশেষ অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে মারোস জেলার লিয়াং-লিয়াং অঞ্চলের দুর্গম এলাকায়।
ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনতানা জানিয়েছে, খবর পাওয়ার পরপরই মাকাসার থেকে ২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তাকে নিয়ে একটি উদ্ধারকারী দল গঠন করা হয়েছে। উদ্ধারকারীদের মোট তিনটি দলে ভাগ করে লিয়াং-লিয়াংয়ের সম্ভাব্য এলাকায় পাঠানো হয়েছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় তল্লাশি চালাতে একটি আধুনিক ড্রোন ইউনিট, রেসকিউ ভেইকেল এবং পার্সোনেল ট্রাক ব্যবহার করা হচ্ছে।
বাসারনাসের অপারেশন ডিরেক্টর এডি প্রকোসো বলেন, ‘আমাদের কর্মীরা ইতিমধ্যে লিয়াং-লিয়াংয়ের চিহ্নিত স্থানাঙ্কের দিকে রওনা হয়েছেন। বিমান এবং এর যাত্রীদের অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই নিবিড় অনুসন্ধান অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
প্রসঙ্গত, ইন্দোনেশিয়ার যে এলাকায় ফ্লাইটটি নিখোঁজ হয়েছে, সেটি অত্যন্ত দুর্গম এবং পাহাড়ি অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। লিয়াং-লিয়াং অঞ্চলটি মূলত প্রাগৈতিহাসিক গুহা এবং চুনাপাথরের পাহাড়ের জন্য বিখ্যাত। প্রতিকূল আবহাওয়া এবং দুর্গম পথ উদ্ধার অভিযানে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২৫ মিনিট আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৩৯ মিনিট আগে
পাকিস্তানের পাঞ্জাব ও বেলুচিস্তান প্রদেশে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ২৪ জন নিহত এবং ২০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। আজ শনিবার ভোরে পাঞ্জাবের সারগোধা জেলায় একটি ট্রাক খালে পড়ে গেলে ১৪ জন মারা যান। অন্যদিকে বেলুচিস্তানের ওরমারা মহকুমার কাছে একটি যাত্রীবাহী কোচ উল্টে ১০ জন নিহত হন।
২ ঘণ্টা আগে
পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের ডাক দিয়ে নির্বাচনী দামামা বাজিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ শনিবার মালদহের জনসভা থেকে তৃণমূল সরকারকে ‘জনগণের শত্রু’ বলে অভিহিত করে তিনি বলেন, দরিদ্র মানুষের জন্য কেন্দ্রের পাঠানো টাকা লুট করছেন তৃণমূল নেতারা। প্রধানমন্ত্রী মোদি ঘোষণা করেন, ‘এখন সময় এসেছে...
৩ ঘণ্টা আগে