আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। যদিও ক্রেমলিন সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি, তবে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের সনদ লঙ্ঘনের শামিল বলে উল্লেখ করেছে।
এই পরিস্থিতিতে আজ সোমবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ইরানি মন্ত্রী এরই মধ্যে রাশিয়া পৌঁছেছেন। এই বৈঠক থেকেই রাশিয়ার মধ্যস্থতার একটি সম্ভাব্য পথ খুলে যেতে পারে বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।
রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে মার্কিন হামলাকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ এবং ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তারা বলেছে, এই হামলা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলবে। তারা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
এর আগে প্রেসিডেন্ট পুতিন স্পষ্ট করে বলেছেন, ইউক্রেনে চলমান সামরিক অভিযানের কারণে রাশিয়া এই সংঘাতে সামরিকভাবে জড়াবে না। তাঁর মতে, এই সংঘাতের কোনো সামরিক সমাধান নেই।
উল্লেখ্য, রাশিয়া ইরানের দীর্ঘদিনের মিত্র। এমনকি বর্তমান উত্তেজনাতেও তারা ইরানের প্রতি সমর্থন বজায় রেখেছে। তবে ইসরায়েলের প্রতি রাশিয়ার বক্তব্য অত্যন্ত সতর্কতামূলক, কারণ ইসরায়েলে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং রাশিয়া থেকে আগত প্রায় দেড় মিলিয়নেরও বেশি রুশভাষী মানুষ বাস করেন। পুতিন নিজেও ইসরায়েলকে ‘প্রায় রুশভাষী দেশ’ বলে অভিহিত করেছেন।
এদিকে, রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং বর্তমান নিরাপত্তা পরিষদের উপ-প্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ মন্তব্য করেছেন, ইরানের ওপর মার্কিন হামলা খুব বেশি সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। তিনি আরও বলেন, শান্তি স্থাপনকারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে আসা ট্রাম্প এখন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি নতুন যুদ্ধের সূচনা করেছেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। যদিও ক্রেমলিন সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি, তবে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের সনদ লঙ্ঘনের শামিল বলে উল্লেখ করেছে।
এই পরিস্থিতিতে আজ সোমবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ইরানি মন্ত্রী এরই মধ্যে রাশিয়া পৌঁছেছেন। এই বৈঠক থেকেই রাশিয়ার মধ্যস্থতার একটি সম্ভাব্য পথ খুলে যেতে পারে বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।
রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে মার্কিন হামলাকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ এবং ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তারা বলেছে, এই হামলা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলবে। তারা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
এর আগে প্রেসিডেন্ট পুতিন স্পষ্ট করে বলেছেন, ইউক্রেনে চলমান সামরিক অভিযানের কারণে রাশিয়া এই সংঘাতে সামরিকভাবে জড়াবে না। তাঁর মতে, এই সংঘাতের কোনো সামরিক সমাধান নেই।
উল্লেখ্য, রাশিয়া ইরানের দীর্ঘদিনের মিত্র। এমনকি বর্তমান উত্তেজনাতেও তারা ইরানের প্রতি সমর্থন বজায় রেখেছে। তবে ইসরায়েলের প্রতি রাশিয়ার বক্তব্য অত্যন্ত সতর্কতামূলক, কারণ ইসরায়েলে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং রাশিয়া থেকে আগত প্রায় দেড় মিলিয়নেরও বেশি রুশভাষী মানুষ বাস করেন। পুতিন নিজেও ইসরায়েলকে ‘প্রায় রুশভাষী দেশ’ বলে অভিহিত করেছেন।
এদিকে, রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং বর্তমান নিরাপত্তা পরিষদের উপ-প্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ মন্তব্য করেছেন, ইরানের ওপর মার্কিন হামলা খুব বেশি সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। তিনি আরও বলেন, শান্তি স্থাপনকারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে আসা ট্রাম্প এখন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি নতুন যুদ্ধের সূচনা করেছেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৯ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৯ ঘণ্টা আগে