
গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের গণহারে বের করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইসরায়েলের কট্টরপন্থী দুই মন্ত্রী। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ও অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মতরিচের এমন প্রস্তাবকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে আখ্যা দিয়ে আহ্বানটি প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আর সে কারণেই ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা সমালোচনা করেছেন বেন-গভির। বার্তা সংস্থা এএফপি খবরটি দিয়েছে।
ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির গতকাল মঙ্গলবার সামাজিক প্ল্যাটফর্ম এক্সে এক পোস্টে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আমাদের সবচেয়ে ভালো বন্ধু। কিন্তু সবার আগে আমরা সেটাই করব, যাতে ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে ভালো হয়। গাজা থেকে কয়েক লাখ ফিলিস্তিনি অন্যান্য দেশে চলে গেলে ইসরায়েলি বাসিন্দারা নিজেদের বাড়িতে ফিরে গিয়ে নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারবে। এতে আইডিএফ (ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) সৈন্যরাও সুরক্ষিত থাকবে।’
এর আগে গতকাল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বা স্টেট ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি মন্ত্রীদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। বিবৃতিতে স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেছেন, ‘ফিলিস্তিনিদের গাজার বাইরে বের করে দিয়ে অন্য কোথাও পুনর্বাসনের আহ্বান জানিয়ে ইসরায়েলি মন্ত্রী বেজালেল স্মতরিচ ও ইতামার বেন-গভির সম্প্রতি যে বিবৃতি দিয়েছেন, তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাখ্যান করেছে।’
বিবৃতিতে ম্যাথিউ মিলার আরও বলেন, ‘এ ধরনের বক্তব্য উসকানিমূলক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন।’ পরে নিজের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে ম্যাথিউ মিলার আরও বলেন, ‘গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের ব্যাপকভাবে বাস্তুচ্যুত করার কোনো সুযোগ নেই।’
স্টেট ডিপার্টমেন্টের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা সব সময় স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলে এসেছি—গাজা ফিলিস্তিনি ভূমি এবং তা ফিলিস্তিনি ভূমিই থাকবে। হামাস আর ভবিষ্যতে এই ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ করবে না এবং কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসরায়েলকে হুমকি দিতে সক্ষম হবে না। ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিরা পাশাপাশি থাকবে এবং বিশ্বের স্বার্থে আমরা এটাই চাই।’
এর আগে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ও অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মতরিচসহ কট্টরপন্থী নেতারা গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের ‘স্বেচ্ছায় সরিয়ে নেওয়ার’ আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং বিভিন্ন দেশকে গাজা থেকে বাস্তুচ্যুত হতে যাওয়া এসব ফিলিস্তিনিকে আশ্রয় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলি সীমান্ত পেরিয়ে হামলা চালানোর পর থেকেই ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় নির্বিচারে বিমান ও স্থল হামলা শুরু করে। গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মতে, ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২২ হাজার ১৮৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ৫৭ হাজার ৩৫ জন। ইসরায়েলি হামলায় গাজার ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে প্রায় দুই মিলিয়ন বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের গণহারে বের করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইসরায়েলের কট্টরপন্থী দুই মন্ত্রী। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ও অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মতরিচের এমন প্রস্তাবকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে আখ্যা দিয়ে আহ্বানটি প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আর সে কারণেই ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা সমালোচনা করেছেন বেন-গভির। বার্তা সংস্থা এএফপি খবরটি দিয়েছে।
ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির গতকাল মঙ্গলবার সামাজিক প্ল্যাটফর্ম এক্সে এক পোস্টে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আমাদের সবচেয়ে ভালো বন্ধু। কিন্তু সবার আগে আমরা সেটাই করব, যাতে ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে ভালো হয়। গাজা থেকে কয়েক লাখ ফিলিস্তিনি অন্যান্য দেশে চলে গেলে ইসরায়েলি বাসিন্দারা নিজেদের বাড়িতে ফিরে গিয়ে নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারবে। এতে আইডিএফ (ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) সৈন্যরাও সুরক্ষিত থাকবে।’
এর আগে গতকাল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বা স্টেট ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি মন্ত্রীদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। বিবৃতিতে স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেছেন, ‘ফিলিস্তিনিদের গাজার বাইরে বের করে দিয়ে অন্য কোথাও পুনর্বাসনের আহ্বান জানিয়ে ইসরায়েলি মন্ত্রী বেজালেল স্মতরিচ ও ইতামার বেন-গভির সম্প্রতি যে বিবৃতি দিয়েছেন, তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাখ্যান করেছে।’
বিবৃতিতে ম্যাথিউ মিলার আরও বলেন, ‘এ ধরনের বক্তব্য উসকানিমূলক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন।’ পরে নিজের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে ম্যাথিউ মিলার আরও বলেন, ‘গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের ব্যাপকভাবে বাস্তুচ্যুত করার কোনো সুযোগ নেই।’
স্টেট ডিপার্টমেন্টের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা সব সময় স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলে এসেছি—গাজা ফিলিস্তিনি ভূমি এবং তা ফিলিস্তিনি ভূমিই থাকবে। হামাস আর ভবিষ্যতে এই ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ করবে না এবং কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসরায়েলকে হুমকি দিতে সক্ষম হবে না। ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিরা পাশাপাশি থাকবে এবং বিশ্বের স্বার্থে আমরা এটাই চাই।’
এর আগে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ও অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মতরিচসহ কট্টরপন্থী নেতারা গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের ‘স্বেচ্ছায় সরিয়ে নেওয়ার’ আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং বিভিন্ন দেশকে গাজা থেকে বাস্তুচ্যুত হতে যাওয়া এসব ফিলিস্তিনিকে আশ্রয় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলি সীমান্ত পেরিয়ে হামলা চালানোর পর থেকেই ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় নির্বিচারে বিমান ও স্থল হামলা শুরু করে। গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মতে, ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২২ হাজার ১৮৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ৫৭ হাজার ৩৫ জন। ইসরায়েলি হামলায় গাজার ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে প্রায় দুই মিলিয়ন বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৭ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৭ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
১০ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
১১ ঘণ্টা আগে