আজকের পত্রিকা ডেস্ক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিল সান মারিনো। কানাডা, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, পর্তুগাল, ফ্রান্স, বেলজিয়ামের পর ইউরোপের এই দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলোর তালিকায় যুক্ত হলো। গতকাল শনিবার এই স্বীকৃতির ঘোষণা দেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী লুকা বেক্কারি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১৫ মে আমাদের সংসদ সর্বসম্মত সমর্থনসহ সরকারকে এ বছরের মধ্যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। আজ এই পরিষদের সামনে আমরা সেই নির্দেশ পূরণের ঘোষণা দিচ্ছি। সান মারিনো আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিচ্ছে।’
সান মারিনোর পক্ষে বেক্কারি জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী নিরাপদ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমানার ভেতরে ফিলিস্তিনকে একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির ঘোষণা দেন। ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকক্ষ।
বেক্কারি বলেন, ‘একটি রাষ্ট্র পাওয়া ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার। এটি কোনোভাবেই হামাসের পুরস্কার নয়, আর কখনো হতে পারে না।’
বেক্কারি আরও জানান, এ সিদ্ধান্ত সান মারিনোর আগের অবস্থানের সঙ্গেই সংগতিপূর্ণ, যা গত জুলাইয়ে সৌদি আরব ও ফ্রান্স আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে জানানো হয়েছিল।
গাজা ও পশ্চিম তীরে চলমান মানবিক বিপর্যয় প্রসঙ্গে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। ‘অসহনীয়’ এবং ‘আমাদের সময়ের অন্যতম বেদনাদায়ক ও দীর্ঘস্থায়ী ট্র্যাজেডি’ হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েলে আক্রমণ চালানোর নিন্দা জানান বেক্কারি এবং সব জিম্মিকে অবিলম্বে ও নিঃশর্ত মুক্তির আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও একবার তাঁর দেশের দাবি পুনরুল্লেখ করেন, গাজায় অবিলম্বে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, পূর্ণ ও বাধাহীন মানবিক সহায়তার প্রবেশাধিকার এবং পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি ভূমিতে ইসরায়েলের অবৈধ দখলদারিত্বের অবসান, যা যে কোনো ‘বাস্তবসম্মত শান্তির সম্ভাবনাকে’ নস্যাৎ করছে।
বেক্কারি বলেন, ‘ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর নির্বিচারে বোমাবর্ষণ, অনাহার আর বাস্তুচ্যুতির মাধ্যমে যে সম্মিলিত শাস্তি দেওয়া হচ্ছে, তার কোনো ন্যায্যতা থাকতে পারে না। আমরা যদি ঐক্য ও দৃঢ়তার সঙ্গে এখনই পদক্ষেপ না নিই, তাহলে মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে দুটি জাতির পাশাপাশি বসবাসের স্বপ্ন চিরতরে হারিয়ে যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই অন্ধকার সময়ে আমাদের দায়িত্ব আরও জরুরি হয়ে উঠেছে।’

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিল সান মারিনো। কানাডা, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, পর্তুগাল, ফ্রান্স, বেলজিয়ামের পর ইউরোপের এই দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলোর তালিকায় যুক্ত হলো। গতকাল শনিবার এই স্বীকৃতির ঘোষণা দেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী লুকা বেক্কারি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১৫ মে আমাদের সংসদ সর্বসম্মত সমর্থনসহ সরকারকে এ বছরের মধ্যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। আজ এই পরিষদের সামনে আমরা সেই নির্দেশ পূরণের ঘোষণা দিচ্ছি। সান মারিনো আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিচ্ছে।’
সান মারিনোর পক্ষে বেক্কারি জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী নিরাপদ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমানার ভেতরে ফিলিস্তিনকে একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির ঘোষণা দেন। ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকক্ষ।
বেক্কারি বলেন, ‘একটি রাষ্ট্র পাওয়া ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার। এটি কোনোভাবেই হামাসের পুরস্কার নয়, আর কখনো হতে পারে না।’
বেক্কারি আরও জানান, এ সিদ্ধান্ত সান মারিনোর আগের অবস্থানের সঙ্গেই সংগতিপূর্ণ, যা গত জুলাইয়ে সৌদি আরব ও ফ্রান্স আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে জানানো হয়েছিল।
গাজা ও পশ্চিম তীরে চলমান মানবিক বিপর্যয় প্রসঙ্গে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। ‘অসহনীয়’ এবং ‘আমাদের সময়ের অন্যতম বেদনাদায়ক ও দীর্ঘস্থায়ী ট্র্যাজেডি’ হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েলে আক্রমণ চালানোর নিন্দা জানান বেক্কারি এবং সব জিম্মিকে অবিলম্বে ও নিঃশর্ত মুক্তির আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও একবার তাঁর দেশের দাবি পুনরুল্লেখ করেন, গাজায় অবিলম্বে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, পূর্ণ ও বাধাহীন মানবিক সহায়তার প্রবেশাধিকার এবং পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি ভূমিতে ইসরায়েলের অবৈধ দখলদারিত্বের অবসান, যা যে কোনো ‘বাস্তবসম্মত শান্তির সম্ভাবনাকে’ নস্যাৎ করছে।
বেক্কারি বলেন, ‘ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর নির্বিচারে বোমাবর্ষণ, অনাহার আর বাস্তুচ্যুতির মাধ্যমে যে সম্মিলিত শাস্তি দেওয়া হচ্ছে, তার কোনো ন্যায্যতা থাকতে পারে না। আমরা যদি ঐক্য ও দৃঢ়তার সঙ্গে এখনই পদক্ষেপ না নিই, তাহলে মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে দুটি জাতির পাশাপাশি বসবাসের স্বপ্ন চিরতরে হারিয়ে যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই অন্ধকার সময়ে আমাদের দায়িত্ব আরও জরুরি হয়ে উঠেছে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য একটি বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি ইসরায়েলের হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি গ্লোবালের প্রতিবেদন থেকে এ
৯ মিনিট আগে
ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে—ইরানে আরেক দফা হামলার ক্ষেত্রে সময় তাদের অনুকূলে রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিস্থিতির উত্তেজনার পারদ কখনো বাড়িয়ে আবার কখনো কমিয়ে ‘এসক্যালেশন ল্যাডারে’ উত্তেজনার সিঁড়িতে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে...
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
১০ ঘণ্টা আগে