
ইসলাম ধর্মের অন্যতম পবিত্র নগরী মদিনায় বিপুল পরিমাণ সোনা ও তামার মজুত রয়েছে। সম্প্রতি এমনই ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরবের সরকার। ভারতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারের এক পোস্টে সৌদি আরবের ভূতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ জানিয়েছে, মদিনা অঞ্চলের আবা আল–রাহা অঞ্চলে সোনার মজুত পাওয়া গেছে। এ ছাড়া, মদিনার আল–মাদিক এবং ওয়াদি আল–ফারা অঞ্চলে পাওয়া গেছে তামার খনি। সৌদি ভূতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ টুইটারে বলেছে, ‘এই আবিষ্কার এখানে বৈশ্বিক বিনিয়োগের একটি বিরাট সুযোগ উন্মুক্ত করে দিয়েছে।’
দুবাইভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল–আরাবিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন এই আবিষ্কার এই অঞ্চলে বিপুল বৈশ্বিক বিনিয়োগ আনবে এবং তা জাতীয় অর্থনীতির উন্নয়নে অবদান রাখবে। দেশটির কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, নতুন এই খনিগুলো আবিষ্কার হওয়ার ফলে এই অঞ্চলে ৫৩৩ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আনবে এবং অন্তত ৪ হাজার নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, নতুন এসব খনির আবিষ্কার দেশটির অর্থনীতির জন্য একটি গুণগত পরিবর্তন হাজির করবে এবং এখানে বিপুল বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরিতে অবদান রাখবে।
সৌদি জিওলিজিস্টস কো–অপারেটিভ অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান আব্দুলাজিজ বিন লাবন চলতি বছরের জানুয়ারিতে বলেছিলেন, সৌদি আরবে এখনো পর্যন্ত ৫ হাজার ৩০০ বা তারও বেশি সংখ্যক স্থানে খনিজ সম্পদ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধাতব, অধাতব পদার্থ, নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় খনিজ এবং বিভিন্ন ধরনের মূল্যবান খনিজ পাথর।
সৌদি আরবের বর্তমান যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ভিশন–২০৩০ এর আওতায় দেশটিতে ব্যাপকভাবে খনিজ দ্রব্যের সন্ধান চালানো হচ্ছে। আল আরাবিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরে জুনে মোহাম্মদ বিন সালমান ঘোষণা দিয়েছিলেন, এখন থেকে দেশটির জাতীয় প্রাধান্য থাকবে গবেষণা এবং উন্নয়ন খাতে। চলতি বছরের প্রথম দিকেই সৌদির শিল্প এবং খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল—তাঁরা খনিজ খাতে অন্তত ৩২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আনার চেষ্টা করছেন।

ইসলাম ধর্মের অন্যতম পবিত্র নগরী মদিনায় বিপুল পরিমাণ সোনা ও তামার মজুত রয়েছে। সম্প্রতি এমনই ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরবের সরকার। ভারতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারের এক পোস্টে সৌদি আরবের ভূতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ জানিয়েছে, মদিনা অঞ্চলের আবা আল–রাহা অঞ্চলে সোনার মজুত পাওয়া গেছে। এ ছাড়া, মদিনার আল–মাদিক এবং ওয়াদি আল–ফারা অঞ্চলে পাওয়া গেছে তামার খনি। সৌদি ভূতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ টুইটারে বলেছে, ‘এই আবিষ্কার এখানে বৈশ্বিক বিনিয়োগের একটি বিরাট সুযোগ উন্মুক্ত করে দিয়েছে।’
দুবাইভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল–আরাবিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন এই আবিষ্কার এই অঞ্চলে বিপুল বৈশ্বিক বিনিয়োগ আনবে এবং তা জাতীয় অর্থনীতির উন্নয়নে অবদান রাখবে। দেশটির কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, নতুন এই খনিগুলো আবিষ্কার হওয়ার ফলে এই অঞ্চলে ৫৩৩ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আনবে এবং অন্তত ৪ হাজার নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, নতুন এসব খনির আবিষ্কার দেশটির অর্থনীতির জন্য একটি গুণগত পরিবর্তন হাজির করবে এবং এখানে বিপুল বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরিতে অবদান রাখবে।
সৌদি জিওলিজিস্টস কো–অপারেটিভ অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান আব্দুলাজিজ বিন লাবন চলতি বছরের জানুয়ারিতে বলেছিলেন, সৌদি আরবে এখনো পর্যন্ত ৫ হাজার ৩০০ বা তারও বেশি সংখ্যক স্থানে খনিজ সম্পদ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধাতব, অধাতব পদার্থ, নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় খনিজ এবং বিভিন্ন ধরনের মূল্যবান খনিজ পাথর।
সৌদি আরবের বর্তমান যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ভিশন–২০৩০ এর আওতায় দেশটিতে ব্যাপকভাবে খনিজ দ্রব্যের সন্ধান চালানো হচ্ছে। আল আরাবিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরে জুনে মোহাম্মদ বিন সালমান ঘোষণা দিয়েছিলেন, এখন থেকে দেশটির জাতীয় প্রাধান্য থাকবে গবেষণা এবং উন্নয়ন খাতে। চলতি বছরের প্রথম দিকেই সৌদির শিল্প এবং খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল—তাঁরা খনিজ খাতে অন্তত ৩২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আনার চেষ্টা করছেন।

গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
১৫ মিনিট আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
২ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
গাজা শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ,শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ, যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি অঞ্চলটির পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ‘দ্বিতীয় ধাপ’ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আপত্তিতে কান দিচ্ছেন না।
৩ ঘণ্টা আগে