নৈতিক পুলিশের হাতে নির্যাতনের শিকার হয়ে তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। চলমান বিক্ষোভে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে আটে দাঁড়িয়েছে, যাঁদের মধ্যে এক পুলিশ সদস্যও রয়েছেন। দেশটির গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
বুধবারও (২১ সেপ্টেম্বর) উত্তাল ছিল ইরানের অর্ধশতাধিক শহর। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অনেকেই হিজাব খুলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের লাঠিপেটা করেছে, টিয়ারগ্যাস ছুড়েছে।
বিক্ষোভকারী-পুলিশ সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। এ নিয়ে গত পাঁচ দিনে অন্তত আটজনের প্রাণহানি হয়েছে। আহত হয়েছেন বিক্ষোভকারীদের অনেকে। এ ছাড়া বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।
এদিকে মাহসা আমিনির মৃত্যুতে নিজেদের কোনো দায় নেই বলে দাবি করেছে ইরানের পুলিশ। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন মাহসা। যদিও তাঁর পরিবারের দাবি, মরদেহে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে ইরানের নৈতিক পুলিশের (মোরালিটি পুলিশ) হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর তেহরানে ২২ বছরের তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় দেশটিতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। তেহরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, গত সপ্তাহের মঙ্গলবার গ্রেপ্তারের পর মাহসা ‘হৃদ্রোগে’ আক্রান্ত হয়ে কোমায় চলে যান এবং শুক্রবার মারা যান। তবে মাহসার পরিবার বলেছে, তাঁর আগে থেকে হৃদ্রোগ ছিল না।

লাল জার্সি পরা খেলোয়াড়েরা আনন্দে লাফাচ্ছেন। সতীর্থদের গায়ে ছিটিয়ে দিচ্ছেন শ্যাম্পেন। চারপাশে উড়ছে ছোট ছোট রঙিন কাগজের টুকরো ও রঙিন ফিতা। মোবাইল ফোন হাতে উল্লাসে মেতে উঠেছেন দর্শকেরা। দৃশ্যটি দেখে মনে হতে পারে, সদ্যই বিশ্বকাপ জিতেছে কোনো ফুটবল দল।
৪ ঘণ্টা আগে
ফ্রান্সের ফুটবল তারকা ২৪ বছর বয়সী মাইকেল ওলিসের বিরুদ্ধে তাঁর সাবেক প্রেমিকা ও সন্তানের মা ৩৪ বছর বয়সী ফাতিমা জাউনব্রেচার গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। আলিয়াহ নুর নামে তাঁদের ২০ মাস বয়সী এক গোপন কন্যাও রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছেন বিরোধী কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর নেতৃত্বে দলটির নেতা-কর্মীরা রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রধান
৭ ঘণ্টা আগে
জনপ্রিয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর এর জন্য ইউক্রেনের সেনাপ্রধান জেনারেল ওলেক্সান্দর সিরস্কিকে দায়ী করছেন অনেকে। এই অবস্থায় সিরস্কির ভবিষ্যৎ নিয়ে দেশটিতে রাজনৈতিক ও সামরিক অস্থিরতা ক্রমেই বাড়ছে।
৭ ঘণ্টা আগে