আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইরানের বেশির ভাগ মানুষ ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে সমর্থন করছেন না। সম্প্রতি নেদারল্যান্ডসভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘গামান’-এর এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে। ২০২৪ সালের জুনে পরিচালিত এই জরিপে ইরানের ভেতরে থাকা ৭৭ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নিয়েছিলেন।
গবেষণাটির বরাতে বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, ইরানের জনসংখ্যার মাত্র ২০ শতাংশ চায় দেশে ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকুক। এর বিপরীতে ৪০ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, সংস্কারের জন্য প্রথমেই শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। দেশটির ২৪ শতাংশ মানুষ বর্তমান কাঠামোর বদল দেখতে চান।
এ ছাড়া দেশটিতে ১৯৭৯ সালের বিপ্লব ও সর্বোচ্চ নেতার প্রতি সমর্থনও কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১১ শতাংশে। ২০২২ সালেও এই সমর্থন ছিল ১৮ শতাংশ।
সবচেয়ে বড় বিরোধিতা এসেছে তরুণ, শিক্ষিত ও শহুরে জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষিতদের মধ্যে ৭৪ শতাংশই ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। আর অশিক্ষিতদের মধ্যে এই হার ছিল ৬৬ শতাংশ। দেশটির গ্রামীণ অঞ্চলে অবশ্য ইসলামি প্রজাতন্ত্রে সমর্থন তুলনামূলক বেশি, প্রায় ২৮ শতাংশ।
জরিপটিতে, গণতন্ত্রের প্রতি প্রবল সমর্থন দেখা গেছে। ৮৯ শতাংশ উত্তরদাতা গণতন্ত্রকে সমর্থন করেছেন। তবে একই সঙ্গে গ্রামীণ ও কম শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৪৩ শতাংশ বলেছেন, শক্তিশালী কোনো একক নেতার শাসনকেও তাঁরা মেনে নিতে পারেন। ধর্মীয় শাসন ও সামরিক সরকারকে দেশটির দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষ স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
তবে এর বদলে ইরানিরা কোন ধরনের শাসনব্যবস্থা চান, সেই বিষয়ে একক কোনো সিদ্ধান্ত নেই। ২৬ শতাংশ চান ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্র, ২১ শতাংশ রাজতন্ত্র সমর্থন করেন। আরেক অংশ (২২ শতাংশ) বলেন, সঠিক তথ্যের অভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না।
রাজনৈতিক দল বেছে নেওয়ার প্রশ্নে ৩৭ শতাংশ স্বাধীনতা ও মানবাধিকারভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম সমর্থন করেছেন, আর ৩৩ শতাংশ সামাজিক ন্যায়বিচার ও শ্রমিক অধিকারকেন্দ্রিক দলকে প্রাধান্য দিয়েছেন। জাতীয়তাবাদী দল পেয়েছে ২৬ শতাংশ সমর্থন, আর ধর্মীয় ও প্রচলিত মূল্যবোধ কেন্দ্রিক দল মাত্র ৫ শতাংশ। তরুণ ও শিক্ষিতরা মূলত মানবাধিকার, পরিবেশ ও অর্থনৈতিক সংস্কারমুখী দলকে সমর্থন করেছেন।
তবে গামানের বিশ্লেষক আম্মার মালেকি বলেছেন, ‘গণতান্ত্রিক সরকারের প্রতি প্রবল চাহিদা থাকলেও ইরানে এখনো এমন কোনো রাজনৈতিক বা নাগরিক নেতা নেই যিনি সামগ্রিকভাবে জনসমর্থন পান। প্রতিটি রাজনৈতিক শিবির মাত্র ৫ থেকে ৩৫ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করছে।’
২০২৪ সালের জুনে এই জরিপের পর ইরানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এবং ইরান-ইসরায়েলের ১২ দিনের যুদ্ধসহ বড় ধরনের একাধিক ঘটনা ঘটেছে, যা ভবিষ্যতে জনমতকে আরও প্রভাবিত করতে পারে।

ইরানের বেশির ভাগ মানুষ ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে সমর্থন করছেন না। সম্প্রতি নেদারল্যান্ডসভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘গামান’-এর এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে। ২০২৪ সালের জুনে পরিচালিত এই জরিপে ইরানের ভেতরে থাকা ৭৭ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নিয়েছিলেন।
গবেষণাটির বরাতে বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, ইরানের জনসংখ্যার মাত্র ২০ শতাংশ চায় দেশে ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে থাকুক। এর বিপরীতে ৪০ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, সংস্কারের জন্য প্রথমেই শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। দেশটির ২৪ শতাংশ মানুষ বর্তমান কাঠামোর বদল দেখতে চান।
এ ছাড়া দেশটিতে ১৯৭৯ সালের বিপ্লব ও সর্বোচ্চ নেতার প্রতি সমর্থনও কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১১ শতাংশে। ২০২২ সালেও এই সমর্থন ছিল ১৮ শতাংশ।
সবচেয়ে বড় বিরোধিতা এসেছে তরুণ, শিক্ষিত ও শহুরে জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষিতদের মধ্যে ৭৪ শতাংশই ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। আর অশিক্ষিতদের মধ্যে এই হার ছিল ৬৬ শতাংশ। দেশটির গ্রামীণ অঞ্চলে অবশ্য ইসলামি প্রজাতন্ত্রে সমর্থন তুলনামূলক বেশি, প্রায় ২৮ শতাংশ।
জরিপটিতে, গণতন্ত্রের প্রতি প্রবল সমর্থন দেখা গেছে। ৮৯ শতাংশ উত্তরদাতা গণতন্ত্রকে সমর্থন করেছেন। তবে একই সঙ্গে গ্রামীণ ও কম শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৪৩ শতাংশ বলেছেন, শক্তিশালী কোনো একক নেতার শাসনকেও তাঁরা মেনে নিতে পারেন। ধর্মীয় শাসন ও সামরিক সরকারকে দেশটির দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষ স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
তবে এর বদলে ইরানিরা কোন ধরনের শাসনব্যবস্থা চান, সেই বিষয়ে একক কোনো সিদ্ধান্ত নেই। ২৬ শতাংশ চান ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্র, ২১ শতাংশ রাজতন্ত্র সমর্থন করেন। আরেক অংশ (২২ শতাংশ) বলেন, সঠিক তথ্যের অভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না।
রাজনৈতিক দল বেছে নেওয়ার প্রশ্নে ৩৭ শতাংশ স্বাধীনতা ও মানবাধিকারভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম সমর্থন করেছেন, আর ৩৩ শতাংশ সামাজিক ন্যায়বিচার ও শ্রমিক অধিকারকেন্দ্রিক দলকে প্রাধান্য দিয়েছেন। জাতীয়তাবাদী দল পেয়েছে ২৬ শতাংশ সমর্থন, আর ধর্মীয় ও প্রচলিত মূল্যবোধ কেন্দ্রিক দল মাত্র ৫ শতাংশ। তরুণ ও শিক্ষিতরা মূলত মানবাধিকার, পরিবেশ ও অর্থনৈতিক সংস্কারমুখী দলকে সমর্থন করেছেন।
তবে গামানের বিশ্লেষক আম্মার মালেকি বলেছেন, ‘গণতান্ত্রিক সরকারের প্রতি প্রবল চাহিদা থাকলেও ইরানে এখনো এমন কোনো রাজনৈতিক বা নাগরিক নেতা নেই যিনি সামগ্রিকভাবে জনসমর্থন পান। প্রতিটি রাজনৈতিক শিবির মাত্র ৫ থেকে ৩৫ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করছে।’
২০২৪ সালের জুনে এই জরিপের পর ইরানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এবং ইরান-ইসরায়েলের ১২ দিনের যুদ্ধসহ বড় ধরনের একাধিক ঘটনা ঘটেছে, যা ভবিষ্যতে জনমতকে আরও প্রভাবিত করতে পারে।

মাদুরোকে আটকের পর আজ হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখোমুখি হচ্ছেন দেশটির প্রধান বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। তবে এই আলোচনার আবহের মধ্যেই ক্যারিবীয় সাগরে মার্কিন বাহিনী কর্তৃক ভেনেজুয়েলার তেল বহনকারী একটি জাহাজ জব্দের খবর পাওয়া গেছে।
৩৫ মিনিট আগে
স্টেট ডিপার্টমেন্টের দেওয়া ব্যাখ্যা অনুযায়ী, যেসব আবেদনকারীর দুটি দেশের নাগরিকত্ব (দ্বৈত নাগরিক) রয়েছে এবং যাঁরা ভিসার জন্য আবেদন করছেন এমন একটি দেশের বৈধ পাসপোর্ট ব্যবহার করে, যে দেশটি নিষেধাজ্ঞার তালিকায় নেই—তাঁরা এই ভিসা স্থগিতের আওতায় পড়বেন না।
১ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন তালেবান সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বে গভীর মতপার্থক্য ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বের চিত্র উঠে এসেছে বিবিসির এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। এই দ্বন্দ্বের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা। বাইরের হুমকির বদলে সরকারের ভেতরের বিভক্তিই এখন তাঁর সবচেয়ে বড় উদ্বেগের ক
১ ঘণ্টা আগে
২৬ বছর বয়সী ওই যুবকের নাম এরফান সোলতানি। তাঁকে ৮ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) তেহরানের পশ্চিমে অবস্থিত শহর ফারদিসের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। নরওয়েভিত্তিক কুর্দি মানবাধিকার সংগঠন হেনগাও জানায়, গ্রেপ্তারের কয়েক দিনের মধ্যেই কর্তৃপক্ষ তাঁর পরিবারকে জানায়, বুধবার তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।
২ ঘণ্টা আগে