
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখণ্ড গাজায় জিম্মি উদ্ধার করতে অভিযানে নেমেছিল ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনী। কিন্তু যেসব জিম্মিকে উদ্ধারে গিয়েছিল, তাদের তিনজনকে গুলি করা হত্যা করেছে তারা। ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, ভুলবশত ইসরায়েলি সৈন্যরা জিম্মিদের দিকে গুলি চালালে ওই তিনজন নিহত হন। গতকাল শুক্রবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনীর এক মুখপাত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনী জানিয়েছে, জিম্মি উদ্ধার অভিযানে গিয়ে হামাসের যোদ্ধাদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় ওই তিনজন জিম্মির দিকে ভুলবশত গুলি ছোড়ে ইসরায়েলি সেনারা। যেসব সেনা গুলি করেছে, তাদের এমন আচরণের পর্যালোচনা করা হবে। এ ছাড়া, এ ঘটনার স্বচ্ছ তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী।
এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী বলেছে, ‘গাজায় হামাসের সঙ্গে লড়াইয়ের সময় ইসরায়েলি সেনারা ওই তিন জিম্মিকে হুমকি বলে বিবেচনা করে। পরে সেই ধারণার বশবর্তী হয়ে গুলি চালালে ওই তিনজন নিহত হন।’ নিহত তিন জিম্মির নামও প্রকাশ করেছে। তাঁরা হলেন ইয়োতাম হাইম, সামের তালালকা ও এলন শামরিজ। তাঁদের তিনজনকেই গত ৭ অক্টোবর অপহরণ করেছিল হামাস।
উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর আকস্মিকভাবে হামাসের যোদ্ধারা ইসরায়েলি সীমান্ত ভেদ করে দেশটির অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে এবং হামলা চালায়। তাদের হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন ইসরায়েলি নিহত হয়। এ সময় ২৪০ জনকে বন্দী করে আনে হামাস। এরই মধ্যে যুদ্ধবিরতির আওতায় বেশ কয়েকজনকে মুক্ত করা হয়েছে। তার পরও এখনো শতাধিক জিম্মি রয়ে গেছে হামাসের কাছে।
এদিকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ড গাজায় ৭০ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে। এর মাঝে অল্প কিছু দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি ছিল। যুদ্ধবিরতির আগে ও পরে অঞ্চলটিতে ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় ১৮ হাজার ৮০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতের মধ্যে ৮ হাজারই শিশু। নিহতের তালিকায় শিশুর পরপরই সবচেয়ে বেশি নারী। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ বিভাগের বরাত দিয়ে তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি ওয়ার্ল্ড এ তথ্য জানিয়েছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৭ অক্টোবর থেকে চালানো ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত (গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত) ১৮ হাজার ৮০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে গাজায়। এই সময়ে ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়েছে আরও অন্তত ৫১ হাজারেরও বেশি।
সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয় হলো, ইসরায়েলি হামলায় হতাহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিশু ও নারী। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ বিভাগের তথ্যানুসারে, ৭ অক্টোবরের পর থেকে এখন পর্যন্ত চালানো ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৮ হাজার শিশু নিহত হয়েছে। একই সময়ে নিহত ফিলিস্তিনি নারীর সংখ্যা ৬ হাজার ২০০।

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখণ্ড গাজায় জিম্মি উদ্ধার করতে অভিযানে নেমেছিল ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনী। কিন্তু যেসব জিম্মিকে উদ্ধারে গিয়েছিল, তাদের তিনজনকে গুলি করা হত্যা করেছে তারা। ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, ভুলবশত ইসরায়েলি সৈন্যরা জিম্মিদের দিকে গুলি চালালে ওই তিনজন নিহত হন। গতকাল শুক্রবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনীর এক মুখপাত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনী জানিয়েছে, জিম্মি উদ্ধার অভিযানে গিয়ে হামাসের যোদ্ধাদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় ওই তিনজন জিম্মির দিকে ভুলবশত গুলি ছোড়ে ইসরায়েলি সেনারা। যেসব সেনা গুলি করেছে, তাদের এমন আচরণের পর্যালোচনা করা হবে। এ ছাড়া, এ ঘটনার স্বচ্ছ তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী।
এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী বলেছে, ‘গাজায় হামাসের সঙ্গে লড়াইয়ের সময় ইসরায়েলি সেনারা ওই তিন জিম্মিকে হুমকি বলে বিবেচনা করে। পরে সেই ধারণার বশবর্তী হয়ে গুলি চালালে ওই তিনজন নিহত হন।’ নিহত তিন জিম্মির নামও প্রকাশ করেছে। তাঁরা হলেন ইয়োতাম হাইম, সামের তালালকা ও এলন শামরিজ। তাঁদের তিনজনকেই গত ৭ অক্টোবর অপহরণ করেছিল হামাস।
উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর আকস্মিকভাবে হামাসের যোদ্ধারা ইসরায়েলি সীমান্ত ভেদ করে দেশটির অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে এবং হামলা চালায়। তাদের হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন ইসরায়েলি নিহত হয়। এ সময় ২৪০ জনকে বন্দী করে আনে হামাস। এরই মধ্যে যুদ্ধবিরতির আওতায় বেশ কয়েকজনকে মুক্ত করা হয়েছে। তার পরও এখনো শতাধিক জিম্মি রয়ে গেছে হামাসের কাছে।
এদিকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ড গাজায় ৭০ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে। এর মাঝে অল্প কিছু দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি ছিল। যুদ্ধবিরতির আগে ও পরে অঞ্চলটিতে ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় ১৮ হাজার ৮০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতের মধ্যে ৮ হাজারই শিশু। নিহতের তালিকায় শিশুর পরপরই সবচেয়ে বেশি নারী। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ বিভাগের বরাত দিয়ে তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি ওয়ার্ল্ড এ তথ্য জানিয়েছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৭ অক্টোবর থেকে চালানো ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত (গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত) ১৮ হাজার ৮০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে গাজায়। এই সময়ে ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়েছে আরও অন্তত ৫১ হাজারেরও বেশি।
সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয় হলো, ইসরায়েলি হামলায় হতাহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিশু ও নারী। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ বিভাগের তথ্যানুসারে, ৭ অক্টোবরের পর থেকে এখন পর্যন্ত চালানো ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৮ হাজার শিশু নিহত হয়েছে। একই সময়ে নিহত ফিলিস্তিনি নারীর সংখ্যা ৬ হাজার ২০০।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৫ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৫ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৮ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৯ ঘণ্টা আগে