
তেহরান সতর্ক করে বলেছে, ইরানের কোনো দ্বীপ বা অঞ্চল দখল করার চেষ্টার পরিণতি ভালো হবে না। বিশেষ করে দখলদার মার্কিন ও ইসরায়েলিদের সহায়তাকারী পারস্য উপসাগরের দেশগুলোর জন্য বিষয়টি মোটেও ভালো হবে না বলে সতর্ক করেছে তেহরান। তেহরানের এই কড়া সতর্কবার্তা এমন এক সময়ে এল, যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি টার্মিনাল বলে খ্যাত খারগ দ্বীপ দখলের কথা ভাবছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, তেহরানের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সতর্ক করেছেন, গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী ‘ইরানের শত্রুরা’ পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের একটি দেশের সহায়তায় ইরানের একটি দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা করছে। তিনি দেশটির নাম উল্লেখ করেননি।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ গতকাল বুধবার বলেছেন, এ ধরনের যেকোনো প্রচেষ্টার জবাবে সেই আঞ্চলিক দেশের ‘গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে’ লক্ষ্যভেদী হামলা চালানো হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দুটি পৃথক পোস্টে গালিবাফ বলেন, ‘ইরানি বাহিনী শত্রুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে এবং তারা যদি কোনো পদক্ষেপ নেয়, তবে আমরা সেই আঞ্চলিক দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে অবিরাম ও নিরবচ্ছিন্ন হামলা চালাব।’
গালিবাফের এই সতর্কতা এমন এক সময়ে এল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করে চলেছেন, যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের আলোচনা চলছে, যা তেহরান অস্বীকার করেছে।
অন্যদিকে হোয়াইট হাউস ইরানের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে নতুন করে হুমকি দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট গত বুধবার বলেছেন, ইরানকে অবশ্যই পরাজয় মেনে নিতে হবে।
লেভিট বলেন, ‘ইরান যদি বর্তমান পরিস্থিতির বাস্তবতা স্বীকার করতে ব্যর্থ হয়, তারা যদি এটা বুঝতে ব্যর্থ হয় যে তারা সামরিকভাবে পরাজিত হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও হবে, তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিশ্চিত করবেন যেন তাদের ওপর আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে কঠোর আঘাত হানা হয়।’ লেভিট যোগ করেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ফাঁকা বুলি দেন না এবং তিনি নরক নামিয়ে আনতে প্রস্তুত।’
ইরানের বিরুদ্ধে আরও শাস্তিমূলক যুদ্ধের হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি ওয়াশিংটন যখন শান্তি আলোচনার দাবি করছে, ঠিক সেই মুহূর্তে পেন্টাগন উপসাগরীয় অঞ্চলে হাজার হাজার এয়ারবোর্ন সৈন্য পাঠাচ্ছে। এর সঙ্গে আগে থেকেই রওনা হওয়া মার্কিন মেরিন সেনাদের দুটি কন্টিনজেন্ট যুক্ত হচ্ছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সেনাবাহিনীর ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের প্রায় ২ হাজার বা আরও কিছু বেশি সৈন্যকে ওই অঞ্চলে মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দুটি মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের মধ্যে প্রথমটি, যা একটি বিশাল উভচর আক্রমণকারী জাহাজে রয়েছে, কয়েক দিনের মধ্যে ওই অঞ্চলে পৌঁছাতে পারে।

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ভূমি দখল করে ইহুদি বসতি সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন ইসরায়েলি দুই ভাই এলিয়াভ ও হারেল ‘কোকো’ লিবি। তাঁদের মালিকানাধীন লিবি কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রতিষ্ঠান পশ্চিম তীরের অবৈধ ইহুদি বসতিগুলোর জন্য দ্রুত স্থাপনযোগ্য ভবন তৈরি করছে।
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞা ও ইসরায়েলবিরোধী বিভিন্ন পদক্ষেপের জেরে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে চারটি ‘পাল্টা পদক্ষেপ’ ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সাআর জানিয়েছেন, জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়া হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
পশ্চিমতীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হাতে ফিলিস্তিনিদের ‘জাতিগত নিধন’ চলছে এবং এতে ইসরায়েল সরকারের নীরব সমর্থন রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড। একই সঙ্গে পশ্চিমতীরের ইসরায়েলি বসতিগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের শাসনামলে গোপনে নির্মাণ করা একটি পারমাণবিক চুল্লি প্রায় সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। চুল্লিটি চালু হলে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহারের উপযোগী বিভাজ্য পদার্থ উৎপাদন করা সম্ভব হতো বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রধান রাফায়েল গ্রোসি।
৮ ঘণ্টা আগে