আজকের পত্রিকা ডেস্ক

দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হুমকি দিয়ে বলেছেন, গাজা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস যদি শেষ মুহূর্তে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়ও, তবু ইসরায়েল গাজা দখল করবে। গত বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলীয় সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজ অস্ট্রেলিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই হুমকি দেন।
লন্ডন থেকে প্রকাশিত মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটরের খবরে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু বলেছেন—ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস যুদ্ধবিরতি ও বন্দী বিনিময়ের চুক্তিতে রাজি হলেও ইসরায়েলি দখলদার সেনারা গাজা দখল করে রাখবে।
স্কাই নিউজ অস্ট্রেলিয়াকে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা গাজার যুদ্ধের শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছেছি। হামাস শেষ মুহূর্তে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলেও আমরা গাজা নিয়ন্ত্রণে রাখব।’ তিনি আরও বলেন, ‘হামাস যদি অস্ত্র পরিত্যাগ করে এবং অবশিষ্ট জিম্মিদের ছেড়ে দেয়, তাহলে আজই যুদ্ধ শেষ হয়ে যেতে পারে।’
তিনি আবারও দাবি করেন, ইসরায়েলের যুদ্ধের মূল লক্ষ্য হলো—সব বন্দীকে মুক্ত করা, হামাসকে নিরস্ত্র করা এবং হামাসের শেষ ঘাঁটি ধ্বংস করা। স্থায়ী শান্তির জন্য এটি অপরিহার্য বলেও জানান তিনি। নেতানিয়াহু আরও দাবি করেন, ‘আমার লক্ষ্য গাজা দখল করা নয়, বরং গাজা ও ইসরায়েলকে ভিন্ন ভবিষ্যৎ দেওয়া। আমি বিশ্বাস করি, আমরা সেই লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।’
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা সিটি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার মাধ্যমে হামাস ধ্বংস করার এই সামরিক লক্ষ্যকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করছেন।
এদিকে, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ ইসরায়েলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন নেতানিয়াহু। আলবানিজ অস্ট্রেলিয়ার ইহুদি সম্প্রদায়কে ‘পরিত্যাগ’ করেছেন—বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
গত সপ্তাহের মাঝামাঝি নেতানিয়াহু বলেন, ইতিহাস অ্যান্থনি আলবানিজকে ‘একজন দুর্বল রাজনীতিক’ হিসেবে মনে রাখবে। নেতানিয়াহুর মন্তব্যের প্রসঙ্গে অ্যান্থনি আলবানিজ সাংবাদিকদের বলেন, তিনি এসব বিষয় ‘ব্যক্তিগতভাবে নেন না।’ আলবানিজ বলেন, ‘অন্য দেশের নেতাদের প্রতি আমার সম্মান রয়েছে। আমি কূটনৈতিকভাবেই তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করি।’
নেতানিয়াহুর এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসনমন্ত্রী টনি বার্ক বলেন, নেতানিয়াহু ‘প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন’, কারণ সম্প্রতি ক্যানবেরা ঘোষণা করেছে, তারা যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডার সঙ্গে মিলে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে। টনি বার্ক বলেন, ‘কতজন মানুষকে হত্যা করা গেল বা কতজনকে না খাইয়ে রাখা হলো, সে দিয়ে শক্তি পরিমাপ করা হয় না।’

দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হুমকি দিয়ে বলেছেন, গাজা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস যদি শেষ মুহূর্তে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়ও, তবু ইসরায়েল গাজা দখল করবে। গত বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলীয় সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজ অস্ট্রেলিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই হুমকি দেন।
লন্ডন থেকে প্রকাশিত মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটরের খবরে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু বলেছেন—ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস যুদ্ধবিরতি ও বন্দী বিনিময়ের চুক্তিতে রাজি হলেও ইসরায়েলি দখলদার সেনারা গাজা দখল করে রাখবে।
স্কাই নিউজ অস্ট্রেলিয়াকে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা গাজার যুদ্ধের শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছেছি। হামাস শেষ মুহূর্তে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলেও আমরা গাজা নিয়ন্ত্রণে রাখব।’ তিনি আরও বলেন, ‘হামাস যদি অস্ত্র পরিত্যাগ করে এবং অবশিষ্ট জিম্মিদের ছেড়ে দেয়, তাহলে আজই যুদ্ধ শেষ হয়ে যেতে পারে।’
তিনি আবারও দাবি করেন, ইসরায়েলের যুদ্ধের মূল লক্ষ্য হলো—সব বন্দীকে মুক্ত করা, হামাসকে নিরস্ত্র করা এবং হামাসের শেষ ঘাঁটি ধ্বংস করা। স্থায়ী শান্তির জন্য এটি অপরিহার্য বলেও জানান তিনি। নেতানিয়াহু আরও দাবি করেন, ‘আমার লক্ষ্য গাজা দখল করা নয়, বরং গাজা ও ইসরায়েলকে ভিন্ন ভবিষ্যৎ দেওয়া। আমি বিশ্বাস করি, আমরা সেই লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।’
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা সিটি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার মাধ্যমে হামাস ধ্বংস করার এই সামরিক লক্ষ্যকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করছেন।
এদিকে, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ ইসরায়েলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন নেতানিয়াহু। আলবানিজ অস্ট্রেলিয়ার ইহুদি সম্প্রদায়কে ‘পরিত্যাগ’ করেছেন—বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
গত সপ্তাহের মাঝামাঝি নেতানিয়াহু বলেন, ইতিহাস অ্যান্থনি আলবানিজকে ‘একজন দুর্বল রাজনীতিক’ হিসেবে মনে রাখবে। নেতানিয়াহুর মন্তব্যের প্রসঙ্গে অ্যান্থনি আলবানিজ সাংবাদিকদের বলেন, তিনি এসব বিষয় ‘ব্যক্তিগতভাবে নেন না।’ আলবানিজ বলেন, ‘অন্য দেশের নেতাদের প্রতি আমার সম্মান রয়েছে। আমি কূটনৈতিকভাবেই তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করি।’
নেতানিয়াহুর এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসনমন্ত্রী টনি বার্ক বলেন, নেতানিয়াহু ‘প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন’, কারণ সম্প্রতি ক্যানবেরা ঘোষণা করেছে, তারা যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডার সঙ্গে মিলে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে। টনি বার্ক বলেন, ‘কতজন মানুষকে হত্যা করা গেল বা কতজনকে না খাইয়ে রাখা হলো, সে দিয়ে শক্তি পরিমাপ করা হয় না।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
১ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
২ ঘণ্টা আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
৩ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে