
গেমস ও ইস্পোর্টসের ‘গ্লোবাল হাব’ বা বৈশ্বিক ধমনি হয়ে ওঠার লক্ষ্যে কাজ করছে সৌদি আরব। সেই লক্ষ্যে দেশটির পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) মালিকানাধীন ‘স্যাভি গেমস গ্রুপ’ নিন্টেন্ডো, ক্যাপকমসহ জাপানের গেমস ডেভেলপারদের সঙ্গে গভীর অংশীদারত্ব স্থাপন করছে।
গত মঙ্গলবার নিক্কেই এশিয়া এক প্রতিবেদনে বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে বাজারের বিকাশের সঙ্গে গেমিং এবং ইস্পোর্টসের বৈশ্বিক ধমনি হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সৌদি আরব। স্যাভি গেমসের সভাপতি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদি আরবের গেমিং খাতকে উন্নত করতে আগ্রহী।
স্যাভি গেমস গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান প্রিন্স ফয়সাল বিন বান্দর বিন সুলতান আল-সৌদ নিক্কেই এশিয়াকে বলেছেন, ‘আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য পণ্য স্থানীয়করণে সহযোগিতার উপায় বের করা এবং জাপানের বুদ্ধিবৃত্তিক বৈশিষ্ট্যগুলোকে এই অঞ্চলের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো। যেটি এই মুহূর্তে অসংগত অবস্থায় রয়েছে।
যুবরাজ ফয়সাল মে মাসের শেষ দিকে টোকিও সফরের সময় বেশ কয়েকটি জাপানি গেম কোম্পানির প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, ‘গেমের উন্নয়ন আমাদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য; আমরা গেমিং এবং ই-স্পোর্টসের জন্য একটি বিশ্বব্যাপী হাব তৈরি করতে চাই।’
আশা করা হচ্ছে, নিন্টেন্ডো, বান্দাই, ক্যাপকম এবং কোনামি গ্রুপের মতো প্রধান প্রধান খেলা শিল্পপ্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যে অফিস স্থাপন করবে। সৌদি সংস্থাটি ইস্পোর্টস ইউনিটের জন্য চুক্তি করতে এবং গেমস বিকাশের ক্ষমতা বাড়াতে চায়।
২০২৩ সালের মার্চে প্রকাশিত দুটি জাপানি কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, পিআইএফ নিন্টেন্ডোর ৮ শতাংশ এবং ক্যাপকমের ৬ শতাংশের মালিক। এটি ২০২৩ সালে ৪৯০ কোটি ডলারে মোবাইল গেম ডেভেলপার স্কোপলি এবং ২০২২ সালে ১৫০ কোটি ডলারে দুটি ই-স্পোর্টস ইভেন্ট কোম্পানির মালিকানা অধিগ্রহণ করেছে।

গেমস ও ইস্পোর্টসের ‘গ্লোবাল হাব’ বা বৈশ্বিক ধমনি হয়ে ওঠার লক্ষ্যে কাজ করছে সৌদি আরব। সেই লক্ষ্যে দেশটির পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) মালিকানাধীন ‘স্যাভি গেমস গ্রুপ’ নিন্টেন্ডো, ক্যাপকমসহ জাপানের গেমস ডেভেলপারদের সঙ্গে গভীর অংশীদারত্ব স্থাপন করছে।
গত মঙ্গলবার নিক্কেই এশিয়া এক প্রতিবেদনে বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে বাজারের বিকাশের সঙ্গে গেমিং এবং ইস্পোর্টসের বৈশ্বিক ধমনি হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সৌদি আরব। স্যাভি গেমসের সভাপতি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদি আরবের গেমিং খাতকে উন্নত করতে আগ্রহী।
স্যাভি গেমস গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান প্রিন্স ফয়সাল বিন বান্দর বিন সুলতান আল-সৌদ নিক্কেই এশিয়াকে বলেছেন, ‘আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য পণ্য স্থানীয়করণে সহযোগিতার উপায় বের করা এবং জাপানের বুদ্ধিবৃত্তিক বৈশিষ্ট্যগুলোকে এই অঞ্চলের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো। যেটি এই মুহূর্তে অসংগত অবস্থায় রয়েছে।
যুবরাজ ফয়সাল মে মাসের শেষ দিকে টোকিও সফরের সময় বেশ কয়েকটি জাপানি গেম কোম্পানির প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, ‘গেমের উন্নয়ন আমাদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য; আমরা গেমিং এবং ই-স্পোর্টসের জন্য একটি বিশ্বব্যাপী হাব তৈরি করতে চাই।’
আশা করা হচ্ছে, নিন্টেন্ডো, বান্দাই, ক্যাপকম এবং কোনামি গ্রুপের মতো প্রধান প্রধান খেলা শিল্পপ্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যে অফিস স্থাপন করবে। সৌদি সংস্থাটি ইস্পোর্টস ইউনিটের জন্য চুক্তি করতে এবং গেমস বিকাশের ক্ষমতা বাড়াতে চায়।
২০২৩ সালের মার্চে প্রকাশিত দুটি জাপানি কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, পিআইএফ নিন্টেন্ডোর ৮ শতাংশ এবং ক্যাপকমের ৬ শতাংশের মালিক। এটি ২০২৩ সালে ৪৯০ কোটি ডলারে মোবাইল গেম ডেভেলপার স্কোপলি এবং ২০২২ সালে ১৫০ কোটি ডলারে দুটি ই-স্পোর্টস ইভেন্ট কোম্পানির মালিকানা অধিগ্রহণ করেছে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে