
প্রয়োজনে লেবাননের রাজধানী বৈরুতকেও গাজায় পরিণত করা হবে, অর্থাৎ গাজার মতো বিধ্বস্ত অঞ্চলে পরিণত করা হবে—এমনটাই হুমকি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ত। তিনি বলেছেন, লেবাননভিত্তিক গেরিলা গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ যদি ইসরায়েলের উত্তর সীমান্তে হামলা বন্ধ না করে, তবে তার মূল্য চোকাতে হবে সাধারণ লেবানিজদের।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল শনিবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৯১ ডিভিশন পরিদর্শনকালে গ্যালান্ত এই মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি ইসরায়েলে হামলা না চালাতে হিজবুল্লাহকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, গোষ্ঠীটি বড় ধরনের ভুল করার খুব কাছে। তিনি আরও বলেন, হিজবুল্লাহ যদি কোনো ভুল করে,, তার মূল্য চোকাতে হবে লেবাননের সাধারণ মানুষকে।
গ্যালান্ত বলেন, ‘হিজবুল্লাহ লেবাননকে একটি সম্ভাব্য যুদ্ধের দিকে টেনে আনছে এবং এটি করার মাধ্যমে তারা ভুল করছে। তারা যদি এমন কোনো ভুল করেই, তবে প্রথমেই তার মূল্য চোকাতে হবে লেবাননের সাধারণ জনগণকে।’ এ সময় তিনি লেবাননের রাজধানী বৈরুতকেও গাজার পরিণতি দেওয়া হবে উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা গাজায় যা করছি, আমরা জানি এই কাজগুলো কীভাবে বৈরুতে করতে হবে।’
এদিকে গাজায় গত ৩৬ দিনে ইসরায়েলি স্থল ও বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগই শিশু ও নারী। জাতিসংঘ বলছে, গাজায় প্রতি ১০ মিনিটে একটি শিশু নিহত হচ্ছে। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলছে আন্তর্জাতিক মহলে। নারী ও শিশু হত্যা নিয়ে ইসরায়েলের মিত্র ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ বলেছেন, ‘ইসরায়েলকে অবশ্যই গাজায় শিশু ও নারী হত্যা থামাতে হবে।’
বিবিসির নেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাখোঁ বলেন, ‘বোমা হামলার কোনো যৌক্তিকতা নেই। যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইসরায়েলের লাভ।’ ইসরায়েলের নিজেকে রক্ষা করার অধিকার আছে উল্লেখ করে মাখোঁ বলেন, ‘আমরা তাদের গাজায় বোমা হামলা বন্ধ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।’ তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘ফ্রান্স স্পষ্টতই হামাসের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানায়।’

প্রয়োজনে লেবাননের রাজধানী বৈরুতকেও গাজায় পরিণত করা হবে, অর্থাৎ গাজার মতো বিধ্বস্ত অঞ্চলে পরিণত করা হবে—এমনটাই হুমকি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ত। তিনি বলেছেন, লেবাননভিত্তিক গেরিলা গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ যদি ইসরায়েলের উত্তর সীমান্তে হামলা বন্ধ না করে, তবে তার মূল্য চোকাতে হবে সাধারণ লেবানিজদের।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল শনিবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৯১ ডিভিশন পরিদর্শনকালে গ্যালান্ত এই মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি ইসরায়েলে হামলা না চালাতে হিজবুল্লাহকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, গোষ্ঠীটি বড় ধরনের ভুল করার খুব কাছে। তিনি আরও বলেন, হিজবুল্লাহ যদি কোনো ভুল করে,, তার মূল্য চোকাতে হবে লেবাননের সাধারণ মানুষকে।
গ্যালান্ত বলেন, ‘হিজবুল্লাহ লেবাননকে একটি সম্ভাব্য যুদ্ধের দিকে টেনে আনছে এবং এটি করার মাধ্যমে তারা ভুল করছে। তারা যদি এমন কোনো ভুল করেই, তবে প্রথমেই তার মূল্য চোকাতে হবে লেবাননের সাধারণ জনগণকে।’ এ সময় তিনি লেবাননের রাজধানী বৈরুতকেও গাজার পরিণতি দেওয়া হবে উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা গাজায় যা করছি, আমরা জানি এই কাজগুলো কীভাবে বৈরুতে করতে হবে।’
এদিকে গাজায় গত ৩৬ দিনে ইসরায়েলি স্থল ও বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগই শিশু ও নারী। জাতিসংঘ বলছে, গাজায় প্রতি ১০ মিনিটে একটি শিশু নিহত হচ্ছে। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলছে আন্তর্জাতিক মহলে। নারী ও শিশু হত্যা নিয়ে ইসরায়েলের মিত্র ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ বলেছেন, ‘ইসরায়েলকে অবশ্যই গাজায় শিশু ও নারী হত্যা থামাতে হবে।’
বিবিসির নেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাখোঁ বলেন, ‘বোমা হামলার কোনো যৌক্তিকতা নেই। যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইসরায়েলের লাভ।’ ইসরায়েলের নিজেকে রক্ষা করার অধিকার আছে উল্লেখ করে মাখোঁ বলেন, ‘আমরা তাদের গাজায় বোমা হামলা বন্ধ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।’ তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘ফ্রান্স স্পষ্টতই হামাসের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানায়।’

যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
২১ মিনিট আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা দেয়। স্থগিতের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে পরিবারভিত্তিক অভিবাসী ভিসা। এর আওতায়—মার্কিন নাগরিকের স্বামী/স্ত্রীর ভিসা (আইআর-১, সিআর-১), বাগদত্ত/বাগদত্তা ভিসা (কে-১), মার্কিন নাগরিকের পরিবারের সদস্যদের ভিসা (আইআর-২, আইআর-৫, এফ-১, এফ-৩ ও এফ-৪)...
১০ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ–সংক্রান্ত উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম মাত্র একদিনেই ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
১০ ঘণ্টা আগে