
গাজার সর্ববৃহৎ চিকিৎসা কেন্দ্র আল-শিফা হাসপাতালের একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের সেই হাসপাতালে প্রবেশের প্রমাণ সেই ফুটেজে রয়েছে বলে দাবি করেছে আইডিএফ।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে অতর্কিত হামলা চালানোর পর প্রায় ২৪০ জনকে জিম্মি করে হামাস। তারপর সেই জিম্মিদের গাজা উপত্যকার আল-শিফা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে আইডিএফ। সেদিন জিম্মি অবস্থায় ইসরায়েলের একজন সৈন্যকে সেই হাসপাতালে মেরে ফেলা হয় বলেও দাবি করেছে তারা। গত রোববার আইডিএফের একজন মুখপাত্র বলেন, ১৯ বছর বয়সী করপোরাল নোয়া মারসিয়ানোকে আল-শিফা হাসপাতালে এনে হত্যা করেছে হামাস।
ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আল-শিফা হাসপাতালের নিচে একটি সুড়ঙ্গের মধ্যে হামাসের কার্যালয়ের সন্ধান পেয়েছে আইডিএফ। তারা দাবি করেছে, সেখান থেকে অভিযান নিয়ন্ত্রণ করে হামাস। তবে হামাস এই দাবি অস্বীকার করেছে।
আইডিএফ প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হ্যাগারি বলেন, প্রাপ্ত তথ্য সম্পর্কে নোয়ার (নোয়া মারসিয়ানো) পরিবারকে আমরা অবগত করেছি যে, শিফার কাছেই তাকে অপহরণ করা হয়। নোয়ার অপহরণকারী হামাস যোদ্ধা নিহত হয়েছিল আইডিএফের বিমান হামলায়। নোয়া কিছুটা আহত হয়েছিল। তাকে আল-শিফায় নিয়ে খুন করেছে হামাস।
আইডিএফের এই অভিযোগও অস্বীকার করেছে হামাস। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠনটি আগে থেকেই বলে আসছিল যে, ইসরায়েলি বাহিনীর বোমার আঘাতে নোয়া মারিসিয়ানোর মৃত্যু হয়েছে।
আইডিএফ দাবি করেছে, আলোচিত ফুটেজটি গত ৭ অক্টোবরের, যেদিন হামাস ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছিল। ফুটেজটিতে দেখা যায়, দুজন বন্দীকে আল-শিফা হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে হামাস যোদ্ধারা। এর মাঝে একজন যেতে চাচ্ছিলেন না এবং অপরজন স্ট্রেচারে শুয়ে ছিলেন।
হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজা উপত্যকার স্বাস্থ্য বিভাগ আইডিএফের দাবির প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, ফুটেজটির সত্যতা নিরূপণ করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। গাজায় স্বাস্থ্য সেবা ধ্বংস হয়ে যাওয়ার সম্পূর্ণ দায় ইসরায়েলের।
উল্লেখ্য, গাজার উত্তরাংশে অবস্থিত আল-শিফা হাসপাতালের নিচে হামাসের একটি ভূগর্ভস্থ কমান্ড সেন্টার রয়েছে বলে দাবি করে আছে আইডিএফ। এই দাবির ভিত্তিতে হাসপাতালটিতে হামলা করে আন্তর্জাতিক নিন্দার মুখেও পড়েছে ইসরায়েল। এখন দাবিটির সত্যতা প্রমাণের চাপও রয়েছে তাদের ওপর।

গাজার সর্ববৃহৎ চিকিৎসা কেন্দ্র আল-শিফা হাসপাতালের একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের সেই হাসপাতালে প্রবেশের প্রমাণ সেই ফুটেজে রয়েছে বলে দাবি করেছে আইডিএফ।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে অতর্কিত হামলা চালানোর পর প্রায় ২৪০ জনকে জিম্মি করে হামাস। তারপর সেই জিম্মিদের গাজা উপত্যকার আল-শিফা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে আইডিএফ। সেদিন জিম্মি অবস্থায় ইসরায়েলের একজন সৈন্যকে সেই হাসপাতালে মেরে ফেলা হয় বলেও দাবি করেছে তারা। গত রোববার আইডিএফের একজন মুখপাত্র বলেন, ১৯ বছর বয়সী করপোরাল নোয়া মারসিয়ানোকে আল-শিফা হাসপাতালে এনে হত্যা করেছে হামাস।
ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আল-শিফা হাসপাতালের নিচে একটি সুড়ঙ্গের মধ্যে হামাসের কার্যালয়ের সন্ধান পেয়েছে আইডিএফ। তারা দাবি করেছে, সেখান থেকে অভিযান নিয়ন্ত্রণ করে হামাস। তবে হামাস এই দাবি অস্বীকার করেছে।
আইডিএফ প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হ্যাগারি বলেন, প্রাপ্ত তথ্য সম্পর্কে নোয়ার (নোয়া মারসিয়ানো) পরিবারকে আমরা অবগত করেছি যে, শিফার কাছেই তাকে অপহরণ করা হয়। নোয়ার অপহরণকারী হামাস যোদ্ধা নিহত হয়েছিল আইডিএফের বিমান হামলায়। নোয়া কিছুটা আহত হয়েছিল। তাকে আল-শিফায় নিয়ে খুন করেছে হামাস।
আইডিএফের এই অভিযোগও অস্বীকার করেছে হামাস। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠনটি আগে থেকেই বলে আসছিল যে, ইসরায়েলি বাহিনীর বোমার আঘাতে নোয়া মারিসিয়ানোর মৃত্যু হয়েছে।
আইডিএফ দাবি করেছে, আলোচিত ফুটেজটি গত ৭ অক্টোবরের, যেদিন হামাস ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছিল। ফুটেজটিতে দেখা যায়, দুজন বন্দীকে আল-শিফা হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে হামাস যোদ্ধারা। এর মাঝে একজন যেতে চাচ্ছিলেন না এবং অপরজন স্ট্রেচারে শুয়ে ছিলেন।
হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজা উপত্যকার স্বাস্থ্য বিভাগ আইডিএফের দাবির প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, ফুটেজটির সত্যতা নিরূপণ করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। গাজায় স্বাস্থ্য সেবা ধ্বংস হয়ে যাওয়ার সম্পূর্ণ দায় ইসরায়েলের।
উল্লেখ্য, গাজার উত্তরাংশে অবস্থিত আল-শিফা হাসপাতালের নিচে হামাসের একটি ভূগর্ভস্থ কমান্ড সেন্টার রয়েছে বলে দাবি করে আছে আইডিএফ। এই দাবির ভিত্তিতে হাসপাতালটিতে হামলা করে আন্তর্জাতিক নিন্দার মুখেও পড়েছে ইসরায়েল। এখন দাবিটির সত্যতা প্রমাণের চাপও রয়েছে তাদের ওপর।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
১ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
১ ঘণ্টা আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
৩ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে