
অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজায় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েল ৩০ হাজার টনের বেশি বোমা-গোলাবারুদ ফেলেছে। এসব বোমা-গোলাবারুদের বেশির ভাগই অবিস্ফোরিত রয়ে গেছে।
ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যমের বরাত দিয়ে তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ফেলা হাজার হাজার অবিস্ফোরিত বোমা-গোলাবারুদ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী প্রায় ৩০ হাজার টন বোমা ফেলেছে।
চ্যানেল-১২ এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর গাজায় ফেলা হাজার হাজার বোমা বিস্ফোরিত হয়নি, যার মধ্যে কিছু বোমা এক টন ওজনের।’ প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরবরাহকৃত কিছু অস্ত্র ‘ইসরায়েলে’ পৌঁছানোর পর কারিগরি ত্রুটির সম্মুখীন হয়। যুদ্ধের শুরুতে গাজায় ফেলা প্রায় ৪০ শতাংশ বোমা ছিল নিয়ন্ত্রণহীন বা ‘ডাম্ব’ বোমা।
এর আগে, ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে, জাতিসংঘের মাইন অ্যাকশন সার্ভিস অনুমান করেছিল, গাজায় প্রায় ৭ হাজার ৫০০ টন অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ ছড়িয়ে রয়েছে। এগুলো পরিষ্কার করতে ১৪ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
প্রতিবেদনে, আরও দাবি করা হয়েছে, হামাস যোদ্ধারা, যারা হিজবুল্লাহ ও ইরানের কাছ থেকে অর্জিত দক্ষতা ব্যবহার করেছে বলে মনে করা হয়। তারা অবিস্ফোরিত ইসরায়েলি গোলাবারুদ পুনরায় ব্যবহার করে আইইডি (ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) তৈরি করেছে। এগুলোর কিছু ইসরায়েলি সৈন্যদের লক্ষ্য করে ব্যবহৃত হয়েছে।
ইসরায়েলি চ্যানেল-১২ শুক্রবার রাতে অজ্ঞাতনামা ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তদন্ত করছে যে, ফিলিস্তিনিরা অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ ব্যবহার করে একটি আইইডি তৈরি করেছে কি না। ওই আইইডির বিস্ফোরণে গত সপ্তাহে উত্তর গাজায় তিনজন ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
বুধবার ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, উত্তরের গাজার বেইত হানুন এলাকায় একটি ট্যাংকের নিচে একটি আইইডি বিস্ফোরিত হলে তিনজন সৈন্য নিহত এবং তিনজন আহত হন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যায় ৪৬ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।
২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং সাবেক নিরাপত্তামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। একই সময়ে, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে একটি মামলা চলছে।

অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজায় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েল ৩০ হাজার টনের বেশি বোমা-গোলাবারুদ ফেলেছে। এসব বোমা-গোলাবারুদের বেশির ভাগই অবিস্ফোরিত রয়ে গেছে।
ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যমের বরাত দিয়ে তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ফেলা হাজার হাজার অবিস্ফোরিত বোমা-গোলাবারুদ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী প্রায় ৩০ হাজার টন বোমা ফেলেছে।
চ্যানেল-১২ এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর গাজায় ফেলা হাজার হাজার বোমা বিস্ফোরিত হয়নি, যার মধ্যে কিছু বোমা এক টন ওজনের।’ প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরবরাহকৃত কিছু অস্ত্র ‘ইসরায়েলে’ পৌঁছানোর পর কারিগরি ত্রুটির সম্মুখীন হয়। যুদ্ধের শুরুতে গাজায় ফেলা প্রায় ৪০ শতাংশ বোমা ছিল নিয়ন্ত্রণহীন বা ‘ডাম্ব’ বোমা।
এর আগে, ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে, জাতিসংঘের মাইন অ্যাকশন সার্ভিস অনুমান করেছিল, গাজায় প্রায় ৭ হাজার ৫০০ টন অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ ছড়িয়ে রয়েছে। এগুলো পরিষ্কার করতে ১৪ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
প্রতিবেদনে, আরও দাবি করা হয়েছে, হামাস যোদ্ধারা, যারা হিজবুল্লাহ ও ইরানের কাছ থেকে অর্জিত দক্ষতা ব্যবহার করেছে বলে মনে করা হয়। তারা অবিস্ফোরিত ইসরায়েলি গোলাবারুদ পুনরায় ব্যবহার করে আইইডি (ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) তৈরি করেছে। এগুলোর কিছু ইসরায়েলি সৈন্যদের লক্ষ্য করে ব্যবহৃত হয়েছে।
ইসরায়েলি চ্যানেল-১২ শুক্রবার রাতে অজ্ঞাতনামা ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তদন্ত করছে যে, ফিলিস্তিনিরা অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ ব্যবহার করে একটি আইইডি তৈরি করেছে কি না। ওই আইইডির বিস্ফোরণে গত সপ্তাহে উত্তর গাজায় তিনজন ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
বুধবার ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, উত্তরের গাজার বেইত হানুন এলাকায় একটি ট্যাংকের নিচে একটি আইইডি বিস্ফোরিত হলে তিনজন সৈন্য নিহত এবং তিনজন আহত হন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যায় ৪৬ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।
২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং সাবেক নিরাপত্তামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। একই সময়ে, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে একটি মামলা চলছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য একটি বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি ইসরায়েলের হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি গ্লোবালের প্রতিবেদন থেকে এ
৮ মিনিট আগে
ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে—ইরানে আরেক দফা হামলার ক্ষেত্রে সময় তাদের অনুকূলে রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিস্থিতির উত্তেজনার পারদ কখনো বাড়িয়ে আবার কখনো কমিয়ে ‘এসক্যালেশন ল্যাডারে’ উত্তেজনার সিঁড়িতে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে...
৪৪ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
১০ ঘণ্টা আগে