Ajker Patrika

আলোচনায় আগ্রহী হলেও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ‘চরম আঘাত’ হানাই তেহরানের লক্ষ্য

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আলোচনায় আগ্রহী হলেও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ‘চরম আঘাত’ হানাই তেহরানের লক্ষ্য
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। ছবি: রয়টার্স

চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইরান আলোচনার টেবিলে বসতে আগ্রহী হলেও তা হতে হবে সম্পূর্ণ তেহরানের নিজস্ব শর্তে। আরব সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি স্টাডিজের ইরানি স্টাডিজ ইউনিটের পরিচালক মেহরান কামরাভা আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের মধ্যে আলোচনার প্রবল ক্ষুধা থাকলেও একই সঙ্গে গভীর শঙ্কা ও দ্বিধাও কাজ করছে।

মেহরান কামরাভার মতে, তেহরান বর্তমানে এই চিন্তায় উদ্বিগ্ন যে, কয়েক মাস পর যুক্তরাষ্ট্র অথবা খুব সম্ভবত ইসরায়েল আবারও তাদের ওপর হামলা চালাতে পারে। এই আশঙ্কা থেকেই ইরান আলোচনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো দলিলে সই করার পাশাপাশি ইরান এখন একটি বিশেষ কৌশলে এগোচ্ছে। কামরাভা জানান, ইরান নিশ্চিত করতে চায় যে, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর এমন গভীর এবং অসহনীয় আঘাত হানবে, যা ভবিষ্যতে ইরানে আক্রমণ করার আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ‘দশবার ভাবতে’ বাধ্য করবে। সহজ কথায়, পাল্টা আঘাতের বেদনাকে তারা দর-কষাকষির প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায়।

গত কয়েক সপ্তাহে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—তিন পক্ষই যুদ্ধের একের পর এক ‘রেডলাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা অতিক্রম করেছে। কামরাভা বলেন, ‘খেয়াল করলে দেখবেন, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক হামলাগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি নিখুঁত ও নির্ভুল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে, তেল ও জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে এসব আক্রমণ চালানো হচ্ছে।’

ইরানের জন্য আরেকটি বড় শক্তির জায়গা হলো সৌদি আরবের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে চালানো সফল হামলা। মেহরান কামরাভা বলেন, সৌদি আরবের ঘাঁটিগুলোয় ইরান যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করেছে, তা পরবর্তী যেকোনো আলোচনা বা দর-কষাকষিতে তেহরানকে সুবিধাজনক অবস্থানে রাখবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত