আজকের পত্রিকা ডেস্ক

জনপ্রিয় ভিপিএন অ্যাপ বা সেবা এক্সপ্রেসভিপিএন বর্জনের ডাক দিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। তাদের দাবি, ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট একটি সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান এই ভিপিএনের মালিক।
২০২১ সালে টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছিল, যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইসরায়েলি ডিজিটাল সিকিউরিটি প্রতিষ্ঠান কেপ টেকনোলজিস প্রায় এক বিলিয়ন ডলারে এক্সপ্রেসভিপিএন অধিগ্রহণ করেছে। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যে দেখা যায়, কেপ টেকনোলজিসের মালিক ইসরায়েলি ধনকুবের টেডি সাগি। তিনি ২০২৩ সালে গাজায় যুদ্ধ চলাকালে সৈন্য পরিবহনে সহায়তার জন্য এক মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছিলেন—যা দ্য জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়। এর পর থেকেই এই ভিপিএন সেবাটি বর্জনের ডাক আরও জোরালো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ভিপিএন হলো এমন একটি টুল যা ইন্টারনেট ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করে এবং পরিচয় গোপন রাখতে সাহায্য করে। এটি সাধারণত গোপনীয়তা, সেন্সরশিপ এড়ানো এবং নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এর মালিকানা নিয়ে সংবেদনশীলতা অনেক বেশি, বিশেষ করে গোপনীয়তা রক্ষাকারীদের কাছে।
২০১০ সালে লন্ডনে প্রতিষ্ঠিত কেপ টেকনোলজিস আগে আরও কয়েকটি ভিপিএন সেবা কিনেছিল। এর মধ্যে আছে—সাইবারঘোস্ট, জেনমেট এবং প্রাইভেট ইন্টারনেট অ্যাকসেস।
বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীরা নজরদারির ঝুঁকি, সামরিক সম্পর্ক এবং নৈতিক জটিলতার কারণে অ্যাপটি মুছে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন।
একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন—‘নিজের ভালোর জন্য এক্সপ্রেসভিপিএন ব্যবহার বন্ধ করুন। আপনার তথ্য ইসরায়েলের হাতে যাক, সেটা নিশ্চয়ই আপনি চান না।’
অন্য এক পোস্টে একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন—‘এক্সপ্রেসভিপিএন থেকে আনসাবস্ক্রাইব করুন এবং সবাইকে জানান। এই সেবা বর্জন করুন।’ এর পাশাপাশি অনেক ব্যবহারকারী ইসরায়েলি কোম্পানির মালিকানাধীন ভিপিএনগুলোর তালিকাও ছড়িয়ে দিচ্ছেন, যেন মানুষ সতর্ক থাকে।
ডিজিটাল গোপনীয়তা ও ভূ-রাজনীতির টানাপোড়েন এ বিতর্ককে নতুন মাত্রা দিয়েছে। বিশেষ করে গাজায় চলমান গণহত্যার প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলি মালিকানাধীন কোনো প্রতিষ্ঠানের হাতে ব্যক্তিগত তথ্য তুলে দেওয়ার বিষয়টি অনেকের কাছে অগ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে।
অনেকে পেগাসাস কেলেঙ্কারির কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, যেখানে ইসরায়েলি সফটওয়্যার দিয়ে রাষ্ট্রপ্রধান, সাংবাদিক ও অধিকারকর্মীদের ওপর নজরদারি করা হয়েছিল। এ ছাড়া চেহারা শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ‘বর্ণবাদী’ অভিযান চালানোরও অভিযোগ রয়েছে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল একটি পোস্টে দাবি করা হয়—‘বেশির ভাগ ভিপিএনই ইসরায়েলিদের মালিকানাধীন। তাই সাবধান থাকুন। ডাউনলোড করার আগে খোঁজখবর নিন।’ অন্যরা বলছেন, এটি শুধু গোপনীয়তার বিষয় নয়, বরং নীতির প্রশ্নও। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন—‘নৈতিকতা ও নিরাপত্তা—দুই কারণে এক্সপ্রেসভিপিএন বর্জনের সময় এসেছে।’
আরেকজন মন্তব্য করেছেন—‘যারা ইসরায়েলি কোম্পানি বর্জন করতে চান, তাদের এখন ইসরায়েলের সবকিছু বর্জন হতে হবে। শুধু মাটিতে যুদ্ধ নয়, অনলাইনেও যুদ্ধ চলছে।’
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার পর থেকে ডিজিটাল সংহতি আন্দোলন আরও জোরদার হয়েছে। ব্যবহারকারীরা এখন অনলাইন সেবার মালিকানা কাঠামোও গভীরভাবে খতিয়ে দেখছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি পোস্টে বলা হয়—‘এক্সপ্রেসভিপিএন গণহত্যাকে সমর্থন করে। এমন গণহত্যাকারীদের বর্জন করুন।’

জনপ্রিয় ভিপিএন অ্যাপ বা সেবা এক্সপ্রেসভিপিএন বর্জনের ডাক দিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। তাদের দাবি, ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট একটি সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান এই ভিপিএনের মালিক।
২০২১ সালে টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছিল, যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইসরায়েলি ডিজিটাল সিকিউরিটি প্রতিষ্ঠান কেপ টেকনোলজিস প্রায় এক বিলিয়ন ডলারে এক্সপ্রেসভিপিএন অধিগ্রহণ করেছে। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যে দেখা যায়, কেপ টেকনোলজিসের মালিক ইসরায়েলি ধনকুবের টেডি সাগি। তিনি ২০২৩ সালে গাজায় যুদ্ধ চলাকালে সৈন্য পরিবহনে সহায়তার জন্য এক মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছিলেন—যা দ্য জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়। এর পর থেকেই এই ভিপিএন সেবাটি বর্জনের ডাক আরও জোরালো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ভিপিএন হলো এমন একটি টুল যা ইন্টারনেট ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করে এবং পরিচয় গোপন রাখতে সাহায্য করে। এটি সাধারণত গোপনীয়তা, সেন্সরশিপ এড়ানো এবং নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এর মালিকানা নিয়ে সংবেদনশীলতা অনেক বেশি, বিশেষ করে গোপনীয়তা রক্ষাকারীদের কাছে।
২০১০ সালে লন্ডনে প্রতিষ্ঠিত কেপ টেকনোলজিস আগে আরও কয়েকটি ভিপিএন সেবা কিনেছিল। এর মধ্যে আছে—সাইবারঘোস্ট, জেনমেট এবং প্রাইভেট ইন্টারনেট অ্যাকসেস।
বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীরা নজরদারির ঝুঁকি, সামরিক সম্পর্ক এবং নৈতিক জটিলতার কারণে অ্যাপটি মুছে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন।
একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন—‘নিজের ভালোর জন্য এক্সপ্রেসভিপিএন ব্যবহার বন্ধ করুন। আপনার তথ্য ইসরায়েলের হাতে যাক, সেটা নিশ্চয়ই আপনি চান না।’
অন্য এক পোস্টে একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন—‘এক্সপ্রেসভিপিএন থেকে আনসাবস্ক্রাইব করুন এবং সবাইকে জানান। এই সেবা বর্জন করুন।’ এর পাশাপাশি অনেক ব্যবহারকারী ইসরায়েলি কোম্পানির মালিকানাধীন ভিপিএনগুলোর তালিকাও ছড়িয়ে দিচ্ছেন, যেন মানুষ সতর্ক থাকে।
ডিজিটাল গোপনীয়তা ও ভূ-রাজনীতির টানাপোড়েন এ বিতর্ককে নতুন মাত্রা দিয়েছে। বিশেষ করে গাজায় চলমান গণহত্যার প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলি মালিকানাধীন কোনো প্রতিষ্ঠানের হাতে ব্যক্তিগত তথ্য তুলে দেওয়ার বিষয়টি অনেকের কাছে অগ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে।
অনেকে পেগাসাস কেলেঙ্কারির কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, যেখানে ইসরায়েলি সফটওয়্যার দিয়ে রাষ্ট্রপ্রধান, সাংবাদিক ও অধিকারকর্মীদের ওপর নজরদারি করা হয়েছিল। এ ছাড়া চেহারা শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ‘বর্ণবাদী’ অভিযান চালানোরও অভিযোগ রয়েছে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল একটি পোস্টে দাবি করা হয়—‘বেশির ভাগ ভিপিএনই ইসরায়েলিদের মালিকানাধীন। তাই সাবধান থাকুন। ডাউনলোড করার আগে খোঁজখবর নিন।’ অন্যরা বলছেন, এটি শুধু গোপনীয়তার বিষয় নয়, বরং নীতির প্রশ্নও। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন—‘নৈতিকতা ও নিরাপত্তা—দুই কারণে এক্সপ্রেসভিপিএন বর্জনের সময় এসেছে।’
আরেকজন মন্তব্য করেছেন—‘যারা ইসরায়েলি কোম্পানি বর্জন করতে চান, তাদের এখন ইসরায়েলের সবকিছু বর্জন হতে হবে। শুধু মাটিতে যুদ্ধ নয়, অনলাইনেও যুদ্ধ চলছে।’
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার পর থেকে ডিজিটাল সংহতি আন্দোলন আরও জোরদার হয়েছে। ব্যবহারকারীরা এখন অনলাইন সেবার মালিকানা কাঠামোও গভীরভাবে খতিয়ে দেখছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি পোস্টে বলা হয়—‘এক্সপ্রেসভিপিএন গণহত্যাকে সমর্থন করে। এমন গণহত্যাকারীদের বর্জন করুন।’

যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
১২ মিনিট আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা দেয়। স্থগিতের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে পরিবারভিত্তিক অভিবাসী ভিসা। এর আওতায়—মার্কিন নাগরিকের স্বামী/স্ত্রীর ভিসা (আইআর-১, সিআর-১), বাগদত্ত/বাগদত্তা ভিসা (কে-১), মার্কিন নাগরিকের পরিবারের সদস্যদের ভিসা (আইআর-২, আইআর-৫, এফ-১, এফ-৩ ও এফ-৪)...
১০ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ–সংক্রান্ত উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম মাত্র একদিনেই ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
১০ ঘণ্টা আগে