
ইরানে দেশজুড়ে কঠোর ইন্টারনেট বিধিনিষেধ জারি থাকলেও দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট সক্রিয় রয়েছে। আজ শুক্রবার তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট থেকে একাধিক বার্তা পোস্ট করা হয়।
পোস্টগুলোতে মূলত তিনি আগের দিন টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণের বক্তব্যই পুনরাবৃত্তি করেন। এক পোস্টে খামেনি বলেন, গত রাতে তেহরান ও আরও কিছু শহরে ধ্বংসে উন্মত্ত একদল মানুষ নিজেদের দেশের সম্পত্তি ধ্বংস করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে খুশি করার জন্য।
এই পোস্টগুলো এমন একসময়ে প্রকাশিত হয়েছে, যখন ইরানের সাধারণ জনগণের বড় একটি অংশ এখনো ইন্টারনেট সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন। দেশজুড়ে ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যাপক বিঘ্নের কারণে সংবাদমাধ্যম, মেসেজিং অ্যাপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রবেশ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারীদের মতে, একদিকে জনগণের যোগাযোগব্যবস্থা বন্ধ রেখে অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় নেতাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের কারণে দেশের ভেতরের বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনাতেই যাবে না। এমন কড়া বার্তা দিয়েছেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলি লারিজানি। তিনি জানিয়েছেন, তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
৯ মিনিট আগে
জীবিত আছেন ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ। এমনটাই দাবি করেছেন তাঁর এক ঘনিষ্ঠ উপদেষ্ট। গতকাল রোববার ইসরায়েলি ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথ হামলায় তাঁর মৃত্যু হয়েছিল বলে খবর প্রকাশিত হয়েছিল।
৩১ মিনিট আগে
কুয়েতে একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, যুদ্ধবিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এফ–১৫ যুদ্ধবিমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই বিষয়ে একাধিক ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে বিমানটিকে এফ–১৬ বলেও ধারণা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
২ ঘণ্টা আগে