
যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে হামলা চালায়, তাহলে এটি শুধু দ্বিপক্ষীয় সংঘাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে একটি আঞ্চলিক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়বে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।

ইরানে সাম্প্রতিক গণআন্দোলন এবং তার পরবর্তী রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নে হাজারো মানুষ নিহত, আহত বা কারাবন্দী হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে দেশটির ইসলামি শাসনব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিকল্প পদক্ষেপ বিবেচনা করছেন। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী ও শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে নির্দিষ্ট সামরিক হামলা, যাতে দেশটির ভেতরে বিক্ষোভকারীরা উৎসাহ পায় এবং ‘রেজিম চেঞ্জ’ করা যায়। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এমনটাই জানিয়েছেন একা

মোতলাঘ বলেন, ‘বিক্ষোভে বিদেশি নাগরিকদের সম্পৃক্ততা ছিল না বললেই চলে বা থাকলেও তা খুব সামান্য। তবে ইরান সরকারের কাছে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে, বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছিলেন অথবা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া সংবাদের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়েছিলেন।’