আজকের পত্রিকা ডেস্ক

অপহৃত হয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বাস্তবে এমন খবরের কোনো ভিত্তি নেই। তবে ডিজিটাল দুনিয়ায় এটি সম্ভব হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমগুলো নেতানিয়াহুর অপহৃত হওয়ার একটি ভিডিও বেশ ভালোভাবেই ছড়িয়েছে। ভিডিওটি বানানো হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তথা এআই দিয়ে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুসালেম পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ইরানি কর্তৃপক্ষ অপহরণ করেছে—এমন দৃশ্যের এক এআই নির্মিত ভিডিও গত সপ্তাহে তেহরানের সরকারপন্থী নেটওয়ার্কে প্রচারিত হয়েছে। ভিডিওটি মূলত একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
‘আনুষ্ঠানিক অতিথি’ নামের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র শুরু হয় নেতানিয়াহুর এক রহস্যময় দুর্ঘটনার খবর দিয়ে। তিনি হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান। কেউ জানতে পারে না তিনি কোথায় আছেন। এদিকে, তেহরানে হায়দার নামের একজন হিব্রু ভাষার অনুবাদককে একজন অতিথিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়। তিনি দ্রুতই বুঝতে পারেন, ওই অতিথি আসলে স্বয়ং নেতানিয়াহু।
চলচ্চিত্রটি পাঁচ মাস আগে মুক্তি পেলেও হঠাৎ করেই ইরানি নেটওয়ার্কগুলোতে এর প্রচার বেড়েছে। এটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে পরমাণু আলোচনা চলছে। চলচ্চিত্রটির প্রযোজক ঘোদ্রা স্টুডিওস। মার্কিন সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত রেডিও ফ্রি ইউরোপের ইরানি সহযোগী সংস্থা রেডিও ফার্দা ঘোদ্রা স্টুডিওকে ভুয়া কোম্পানি হিসেবে অভিহিত করেছে।
রেডিও ফার্দার মতে, ঘোদ্রা স্টুডিওস ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের অংশ এবং সরকারের প্রচারণা ছড়াতে কাজ করে। ঘোদ্রার সিইও হিসেবে মর্তেজা ইস্পাহানির নাম উল্লেখ আছে। রেডিও ফার্দার খবর অনুযায়ী, তিনি মর্তেজা ঘুব্বে নামেও পরিচিত এবং গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা হিসেবেও কাজ করেছেন।
এ ছাড়া চলচ্চিত্রটি ‘আম্মার ইয়ার’ নামের একটি ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। ওয়েবসাইটটি ইসলামিক বিপ্লবের সাংস্কৃতিক ফ্রন্টের মালিকানাধীন। এটি একটি সরকারি সংস্থা। এক দশকেরও বেশি আগে ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির এক নির্বাহী আদেশে এটি চালু করা হয়। এই সংস্থা সরকার অনুমোদিত ও ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের মূল্যবোধের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ কাজগুলো প্রচার করে।
এর আগে, ইরানি কর্মকর্তারা নেতানিয়াহুকে অপহরণের হুমকি দিয়েছেন। ২০২২ সালের নভেম্বরে ইরানের রাষ্ট্র পরিচালিত বাহার নিউজ জানিয়েছিল, ইস্পাহানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডার মোজতবা ফাদা নেতানিয়াহুকে অপহরণ করে ‘দাস হিসেবে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রে আনার’ আহ্বান জানিয়েছিলেন।
ফাদা বলেছিলেন, ‘জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীর প্রধানমন্ত্রী (নেতানিয়াহু) আশা করেছিলেন, ইরানের বিক্ষোভের কারণে তিনি তেহরানে ভ্রমণ করতে পারবেন (বিক্ষোভ পরবর্তী মুক্ত ইরানে), কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছায় ইসলামি প্রজাতন্ত্র জয়ী হবে এবং ওই প্রধানমন্ত্রীকে পায়ে দড়ি ও দাসের বাকল পরিয়ে ইরানে আনা হবে।’
সর্বশেষ, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত এক ইসরায়েলি নাগরিককে গ্রেপ্তার করে। ওই ব্যক্তি ইরানি গোয়েন্দা প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। নেতানিয়াহু বা ইসরায়েলের অন্যান্য কর্মকর্তাকে হত্যা করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তাঁকে ইরানে পাচার করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ আছে।

অপহৃত হয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বাস্তবে এমন খবরের কোনো ভিত্তি নেই। তবে ডিজিটাল দুনিয়ায় এটি সম্ভব হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমগুলো নেতানিয়াহুর অপহৃত হওয়ার একটি ভিডিও বেশ ভালোভাবেই ছড়িয়েছে। ভিডিওটি বানানো হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তথা এআই দিয়ে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুসালেম পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ইরানি কর্তৃপক্ষ অপহরণ করেছে—এমন দৃশ্যের এক এআই নির্মিত ভিডিও গত সপ্তাহে তেহরানের সরকারপন্থী নেটওয়ার্কে প্রচারিত হয়েছে। ভিডিওটি মূলত একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
‘আনুষ্ঠানিক অতিথি’ নামের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র শুরু হয় নেতানিয়াহুর এক রহস্যময় দুর্ঘটনার খবর দিয়ে। তিনি হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান। কেউ জানতে পারে না তিনি কোথায় আছেন। এদিকে, তেহরানে হায়দার নামের একজন হিব্রু ভাষার অনুবাদককে একজন অতিথিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়। তিনি দ্রুতই বুঝতে পারেন, ওই অতিথি আসলে স্বয়ং নেতানিয়াহু।
চলচ্চিত্রটি পাঁচ মাস আগে মুক্তি পেলেও হঠাৎ করেই ইরানি নেটওয়ার্কগুলোতে এর প্রচার বেড়েছে। এটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে পরমাণু আলোচনা চলছে। চলচ্চিত্রটির প্রযোজক ঘোদ্রা স্টুডিওস। মার্কিন সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত রেডিও ফ্রি ইউরোপের ইরানি সহযোগী সংস্থা রেডিও ফার্দা ঘোদ্রা স্টুডিওকে ভুয়া কোম্পানি হিসেবে অভিহিত করেছে।
রেডিও ফার্দার মতে, ঘোদ্রা স্টুডিওস ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের অংশ এবং সরকারের প্রচারণা ছড়াতে কাজ করে। ঘোদ্রার সিইও হিসেবে মর্তেজা ইস্পাহানির নাম উল্লেখ আছে। রেডিও ফার্দার খবর অনুযায়ী, তিনি মর্তেজা ঘুব্বে নামেও পরিচিত এবং গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা হিসেবেও কাজ করেছেন।
এ ছাড়া চলচ্চিত্রটি ‘আম্মার ইয়ার’ নামের একটি ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। ওয়েবসাইটটি ইসলামিক বিপ্লবের সাংস্কৃতিক ফ্রন্টের মালিকানাধীন। এটি একটি সরকারি সংস্থা। এক দশকেরও বেশি আগে ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির এক নির্বাহী আদেশে এটি চালু করা হয়। এই সংস্থা সরকার অনুমোদিত ও ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের মূল্যবোধের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ কাজগুলো প্রচার করে।
এর আগে, ইরানি কর্মকর্তারা নেতানিয়াহুকে অপহরণের হুমকি দিয়েছেন। ২০২২ সালের নভেম্বরে ইরানের রাষ্ট্র পরিচালিত বাহার নিউজ জানিয়েছিল, ইস্পাহানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডার মোজতবা ফাদা নেতানিয়াহুকে অপহরণ করে ‘দাস হিসেবে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রে আনার’ আহ্বান জানিয়েছিলেন।
ফাদা বলেছিলেন, ‘জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীর প্রধানমন্ত্রী (নেতানিয়াহু) আশা করেছিলেন, ইরানের বিক্ষোভের কারণে তিনি তেহরানে ভ্রমণ করতে পারবেন (বিক্ষোভ পরবর্তী মুক্ত ইরানে), কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছায় ইসলামি প্রজাতন্ত্র জয়ী হবে এবং ওই প্রধানমন্ত্রীকে পায়ে দড়ি ও দাসের বাকল পরিয়ে ইরানে আনা হবে।’
সর্বশেষ, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত এক ইসরায়েলি নাগরিককে গ্রেপ্তার করে। ওই ব্যক্তি ইরানি গোয়েন্দা প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। নেতানিয়াহু বা ইসরায়েলের অন্যান্য কর্মকর্তাকে হত্যা করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তাঁকে ইরানে পাচার করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ আছে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
২ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৬ ঘণ্টা আগে