আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। ব্যাপারটিকে গাজার চলমান সংঘাত বন্ধের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে; বিশেষ করে হামাস জিম্মিদের মুক্তির বিষয়ে নীতিগতভাবে রাজি হওয়ায় ইসরায়েলি পরিবারগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিনের হতাশার পর আশার সঞ্চার হয়েছে।
অন্যদিকে, হামাস ট্রাম্পের প্রস্তাবে রাজি হলে তিনি ‘অবিলম্বে গাজায় বোমাবর্ষণ বন্ধ করার’ জন্য ইসরায়েলি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। কিন্তু ট্রাম্প বলার পরও ইসরায়েল গাজায় বোমা হামলা অব্যাহত রেখেছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ শনিবার স্থানীয় সময় ভোর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
ফলে প্রশ্ন উঠেছে, ট্রাম্পের শান্তি প্রস্তাবে ফিলিস্তিনে শান্তি ফিরবে তো! কারণ, ট্রাম্পের দীর্ঘ ২০ দফা প্রস্তাবের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হামাসের বিবৃতিতে অনুপস্থিত, যা নিয়ে জটিলতা বাড়তে পারে। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো হামাসের নিরস্ত্রীকরণের শর্তটি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের হাতে আসা হামাসের জবাবে দেখা যায়, তারা গাজার নিরস্ত্রীকরণ ও সামরিক শক্তি হ্রাস করার শর্তে সম্মত হয়নি। এই শর্ত ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র—উভয়েরই দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। হামাস এর আগেও এমন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।
এ ছাড়া হামাস অবিলম্বে গাজা থেকে সম্পূর্ণ সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানালেও ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনায় ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। হামাস এতে সম্মত হয়নি। হামাসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আল জাজিরাকে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ইসরায়েলি দখলদারি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামাস অস্ত্র সমর্পণ করবে না।
হামাস আরও জানায়, তারা ফিলিস্তিনি জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে গঠিত এবং আরব ও ইসলামি বিশ্ব সমর্থনপুষ্ট স্বাধীন (টেকনোক্র্যাট) একটি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে গাজার প্রশাসনের দায়িত্ব হস্তান্তর করতে প্রস্তুত।
তবে হামাসকে রাজনৈতিক ক্ষমতা থেকে দূরে রাখার ট্রাম্পের প্রস্তাব সম্পর্কে তারা সরাসরি কিছু বলেনি, বরং ভবিষ্যতের যেকোনো ফিলিস্তিনি জাতীয় আলোচনায় তারা ‘অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং তাতে অবদান রাখবে’ বলে জানিয়েছে।
এদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রস্তাবের ভিত্তিতে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য হামাসের একটি প্রতিনিধিদল আজ রাতে কায়রোয় পৌঁছাবে। সৌদি আরবের আল-হাদাত টিভি নেটওয়ার্ককে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। যদি এই আলোচনা সফল হয়, তবেই দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হবে। এর আগে কিছুই বলা যাচ্ছে না, বরং শান্তি প্রস্তাবের জটিলতাগুলোই সামনে আসছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। ব্যাপারটিকে গাজার চলমান সংঘাত বন্ধের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে; বিশেষ করে হামাস জিম্মিদের মুক্তির বিষয়ে নীতিগতভাবে রাজি হওয়ায় ইসরায়েলি পরিবারগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিনের হতাশার পর আশার সঞ্চার হয়েছে।
অন্যদিকে, হামাস ট্রাম্পের প্রস্তাবে রাজি হলে তিনি ‘অবিলম্বে গাজায় বোমাবর্ষণ বন্ধ করার’ জন্য ইসরায়েলি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। কিন্তু ট্রাম্প বলার পরও ইসরায়েল গাজায় বোমা হামলা অব্যাহত রেখেছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ শনিবার স্থানীয় সময় ভোর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
ফলে প্রশ্ন উঠেছে, ট্রাম্পের শান্তি প্রস্তাবে ফিলিস্তিনে শান্তি ফিরবে তো! কারণ, ট্রাম্পের দীর্ঘ ২০ দফা প্রস্তাবের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হামাসের বিবৃতিতে অনুপস্থিত, যা নিয়ে জটিলতা বাড়তে পারে। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো হামাসের নিরস্ত্রীকরণের শর্তটি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের হাতে আসা হামাসের জবাবে দেখা যায়, তারা গাজার নিরস্ত্রীকরণ ও সামরিক শক্তি হ্রাস করার শর্তে সম্মত হয়নি। এই শর্ত ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র—উভয়েরই দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। হামাস এর আগেও এমন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।
এ ছাড়া হামাস অবিলম্বে গাজা থেকে সম্পূর্ণ সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানালেও ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনায় ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। হামাস এতে সম্মত হয়নি। হামাসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আল জাজিরাকে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ইসরায়েলি দখলদারি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামাস অস্ত্র সমর্পণ করবে না।
হামাস আরও জানায়, তারা ফিলিস্তিনি জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে গঠিত এবং আরব ও ইসলামি বিশ্ব সমর্থনপুষ্ট স্বাধীন (টেকনোক্র্যাট) একটি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে গাজার প্রশাসনের দায়িত্ব হস্তান্তর করতে প্রস্তুত।
তবে হামাসকে রাজনৈতিক ক্ষমতা থেকে দূরে রাখার ট্রাম্পের প্রস্তাব সম্পর্কে তারা সরাসরি কিছু বলেনি, বরং ভবিষ্যতের যেকোনো ফিলিস্তিনি জাতীয় আলোচনায় তারা ‘অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং তাতে অবদান রাখবে’ বলে জানিয়েছে।
এদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রস্তাবের ভিত্তিতে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য হামাসের একটি প্রতিনিধিদল আজ রাতে কায়রোয় পৌঁছাবে। সৌদি আরবের আল-হাদাত টিভি নেটওয়ার্ককে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। যদি এই আলোচনা সফল হয়, তবেই দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হবে। এর আগে কিছুই বলা যাচ্ছে না, বরং শান্তি প্রস্তাবের জটিলতাগুলোই সামনে আসছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
১৪ মিনিট আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা দেয়। স্থগিতের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে পরিবারভিত্তিক অভিবাসী ভিসা। এর আওতায়—মার্কিন নাগরিকের স্বামী/স্ত্রীর ভিসা (আইআর-১, সিআর-১), বাগদত্ত/বাগদত্তা ভিসা (কে-১), মার্কিন নাগরিকের পরিবারের সদস্যদের ভিসা (আইআর-২, আইআর-৫, এফ-১, এফ-৩ ও এফ-৪)...
১০ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ–সংক্রান্ত উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম মাত্র একদিনেই ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
১০ ঘণ্টা আগে