
অবশেষে সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেয়েছেন তামিলগা ভেত্রি কাজাগামের (টিভিকে) প্রধান থালাপতি বিজয়। প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করার পর আজ শনিবার সন্ধ্যায় রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকার তাঁকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানান।
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, আগামীকাল রোববার (১০ মে) বেলা ৩টা ১৫ মিনিটে চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে জমকালো এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বিজয়।
গত এক সপ্তাহে সরকার গঠনের দাবি নিয়ে এটি ছিল রাজ্যপালের সঙ্গে বিজয়ের চতুর্থ সাক্ষাৎ। এর আগে প্রয়োজনীয় বিধায়কদের সমর্থনপত্র সশরীরে দেখাতে না পারায় রাজ্যপাল বিজয়ের দাবি নাকচ করে দিয়েছিলেন। তবে আজ বিকেলে নাটকীয় মোড় নেয় তামিলনাড়ুর রাজনীতি। ডিএমকের জোট শরিক ভিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চি (ভিসিকে) এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (আইইউএমএল) নিঃশর্ত সমর্থন দেয় বিজয়কে।
এরপরই কংগ্রেস, ভিসিকে, সিপিআই (মার্ক্সবাদী), সিপিআই এবং আইইউএমএল নেতাদের নিয়ে রাজভবনে (লোক ভবন) যান বিজয়। তিনি রাজ্যপালের কাছে মোট ১২০ জন নবনির্বাচিত বিধায়কের সমর্থনপত্র পেশ করেন, যা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাজিক ফিগার ১১৮-এর চেয়ে বেশি।
২৩৪ আসনের তামিলনাড়ু বিধানসভায় এখন নতুন জোটে আছে টিভিকের ১০৮টি (বিজয় নিজে দুটি আসনে জয়ী হওয়ায় কার্যকর আসন ১০৭), কংগ্রেসের পাঁচটি, সিপিআইয়ের দুটি, সিপিআই (এম)-এর দুটি, ভিসিকের দুটি ও আইইউএমএলের দুটি আসন। সবার সমর্থন পেয়ে এখন জোটের মোট আসন হয়েছে ১২০টি।
ক্ষমতার এই নাটকীয় পালাবদলের পেছনে ছিল তীব্র দর-কষাকষি ও ভাঙনের আশঙ্কা। দলের ভাঙন এড়াতে কংগ্রেসের পাঁচজন বিধায়ককে দ্রুত হায়দরাবাদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং টিভিকের বিধায়কদের রাখা হয়েছিল চেন্নাইয়ের অদূরে মামাল্লাপুরামের একটি রিসোর্টে। এর মাধ্যমে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে ২০১৬ সালে জয়ললিতার মৃত্যুর পর আবারও সেই ‘রিসোর্ট রাজনীতি’র প্রত্যাবর্তন ঘটে।
তবে সমর্থন দিলেও নতুন মন্ত্রিসভায় অংশীদারত্ব নিয়ে শরিকদের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। গুঞ্জন রয়েছে, ভিসিকে নতুন সরকারে উপমুখ্যমন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয় দাবি করছে। অন্যদিকে কংগ্রেসও দুটি মন্ত্রী পদের জন্য চাপ সৃষ্টি করছে। তবে বামপন্থী দলগুলো আগেই জানিয়েছে, তারা কেবল বাইরে থেকে সমর্থন দেবে, মন্ত্রিসভায় যোগ দেবে না।
এদিকে এনডিএ জোটের শরিক দল আম্মা মাক্কাল মুন্নেত্রা কাজাগাম (এএমএমকে) বিজয়ের দলের সমালোচনা করে অভিযোগ করেছে, সরকার গঠনের সংখ্যা মেলাতে টিভিকে ঘোড়া কেনাবেচার আশ্রয় নিয়েছে।
অন্যদিকে প্রধান বিরোধী দল এআইএডিএমকের অন্দরেও বড় ধরনের ফাটল ধরার খবর পাওয়া যাচ্ছে। দলের প্রবীণ নেতা সিভি শানমুগাম দল ভেঙে তাঁর অনুগামী ৩০ জনের বেশি বিধায়ক নিয়ে বিজয় সরকারকে সমর্থন করতে পারেন বলে চেন্নাইয়ের রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। আজ চেন্নাইতে শানমুগামের বাসভবনে দলের শীর্ষ বিধায়কদের এক গোপন বৈঠক এই গুঞ্জনকে আরও উসকে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ও ৪ মে ঘোষিত ফলাফলে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়ে ১০৮টি আসন পেয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছিল বিজয়ের দল টিভিকে। এবার সব বাধা পেরিয়ে তামিলনাড়ুর মসনদে বসতে চলেছেন এই সুপারস্টার।

মধ্যপ্রাচ্যে একটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্রিটেন। জানা গেছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে একটি যৌথ বহুজাতিক অভিযানের অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ শনিবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
১০ মিনিট আগে
নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের মধ্যে এই প্রথম মস্কোর বিজয় দিবসের প্যারেডে কোনো সাঁজোয়া যান, ভারী ট্যাংক কিংবা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়নি। রুশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইউক্রেনের দীর্ঘপাল্লার ড্রোন হামলার আশঙ্কায় আয়োজন সীমিত করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আজ শনিবার বেলা ১১টা পর্যন্ত মমতার এক্স প্রোফাইলে লেখা ছিল ‘অনারেবল চিফ মিনিস্টার, ওয়েস্ট বেঙ্গল’ (পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী)। তবে শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণের ঠিক পরপরই তিনি তাঁর বায়ো পরিবর্তন করেন। সেখানে ‘প্রাক্তন’ বা ‘সাবেক’ শব্দটি এড়িয়ে লিখেছেন...
৫ ঘণ্টা আগে
২০২৬ সালের মে মাস ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের সাক্ষী হয়ে রইল। একদিকে পশ্চিমবঙ্গ পেয়েছে প্রথম বিজেপি সরকার। এর মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের বাম ও তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটল। অন্যদিকে, দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে বইছে অস্থিরতার হাওয়া; যেখানে তামিলনাড়ুতে তীব্র রাজনৈতিক অচলাবস্থা এবং কেরালায় বাম
৬ ঘণ্টা আগে