কলকাতা সংবাদদাতা

রাখি সাওয়ান্ত, ভারতের টিনসেল দুনিয়ায় বেশ আলোচিত নাম। এবার আবারও তিনি খবরের শিরোনাম হয়েছেন, কংগ্রেসের টিকিটে লোকসভা নির্বাচনে লড়তে চেয়ে। এমনকি তিনি ভারতের সবচেয়ে পুরোনো রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধীর কাছে আবদারও করেছেন তাঁকে টিকিট দিতে। লড়তে চান কংগ্রেসের প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির প্রার্থী কঙ্গনা রনৌতের বিরুদ্ধে।
ভারতে চলমান লোকসভা নির্বাচনে তারকা প্রার্থীর কমতি নেই। বলিউডের হেমা মালিনী ও অরুণ গোভিল, টালিউড অভিনেতা দেব, রবি কিষান, অভিনেত্রী রূপালি গঙ্গোপাধ্যায় ও রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়রা এবারের নির্বাচনে লড়ছেন। এই তালিকায় এবার নাম লেখাতে চাইছেন রাখি সাওয়ান্ত।
রাখির আশা ছিল নরেন্দ্র মোদি এবারের লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে বিজেপির টিকিট দেবেন। কিন্তু তা হয়নি। এবার তিনি কংগ্রেসের পোস্টারবয় ও সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধীর কাছে টিকিটের আবদার জানিয়েছেন। এমনকি দাবি করেছেন, রাহুল তাঁকে ফোন কল করেছিলেন।
বিজেপির টিকিট না পেয়ে এবার বিজেপির বিরুদ্ধেই লড়ার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন রাখি। তাও আবার বলিউডে তারই সহকর্মী বিজেপি নেত্রী কঙ্গনা রনৌতের বিরুদ্ধে। সংবাদমাধ্যমের কাছে নিজের ইচ্ছে ব্যক্ত করে রাখি সাওয়ান্ত প্রথমে বলেন, ‘মান্ডির প্রার্থী হওয়ার জন্য তিন-চার বছর ধরে কঙ্গনা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।’
রাখি আরও বলেন, ‘ক্রমাগত বিরোধীদের লক্ষ্য করে কথা বলছেন (কঙ্গনা)। ফলে সেখানে তো আর বিজেপি আমাকে টিকিট দেবে না। তাই রাহুল গান্ধীর কাছে আবেদন, যাতে তিনি কঙ্গনার বিরোধিতায় আমার পাশে দাঁড়ান। আমি নিশ্চিতভাবে জিতব। মান্ডির প্রতিটি ঘরে পৌঁছে যাব।’
সম্প্রতি এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে রাখি সাওয়ান্ত সংবাদমাধ্যমের কাছে জানতে চান, ‘কঙ্গনার কোনো ফোন এসেছে? তিনি কি টিকিট ফিরিয়ে নিয়েছেন?’ এই প্রশ্নের জবাব দেওয়ার আগেই তিনি নিজেই আবার বলেন, ‘রাহুল গান্ধীর ফোন এসেছিল। উনি আমাকে বললেন, আপনি ভোটে লড়ছেন। মোদিজি আপনাকে টিকিট না দিলে কী হবে, আমরা আপনার খেয়াল রাখব।’
প্রসঙ্গত, ভোটের ময়দানে রাখি সাওয়ান্ত নতুন নন। এর আগে তিনি গত ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মুম্বাইয়ের উত্তর-পশ্চিম কেন্দ্র থেকে নির্দলীয় বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোটে লড়েছিলেন। পরিহাসের বিষয় হলো, সেই নির্বাচনে রাখি সাওয়ান্ত পেয়েছিলেন মাত্র ১৫ ভোট।
এরপর রাষ্ট্রীয় আম পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দলও গঠন করেছিলেন রাখি, যার প্রতীক ছিল সবুজ মরিচ। পরে রাষ্ট্রীয় আম পার্টি থেকে পদত্যাগ করে রিপাবলিকান পার্টি অব ইন্ডিয়া (আঠাওয়ালে) বা আরপিআইয়ে যোগ দেন। সেই দলের নারী শাখার সভাপতিও হন তিনি।

রাখি সাওয়ান্ত, ভারতের টিনসেল দুনিয়ায় বেশ আলোচিত নাম। এবার আবারও তিনি খবরের শিরোনাম হয়েছেন, কংগ্রেসের টিকিটে লোকসভা নির্বাচনে লড়তে চেয়ে। এমনকি তিনি ভারতের সবচেয়ে পুরোনো রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধীর কাছে আবদারও করেছেন তাঁকে টিকিট দিতে। লড়তে চান কংগ্রেসের প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির প্রার্থী কঙ্গনা রনৌতের বিরুদ্ধে।
ভারতে চলমান লোকসভা নির্বাচনে তারকা প্রার্থীর কমতি নেই। বলিউডের হেমা মালিনী ও অরুণ গোভিল, টালিউড অভিনেতা দেব, রবি কিষান, অভিনেত্রী রূপালি গঙ্গোপাধ্যায় ও রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়রা এবারের নির্বাচনে লড়ছেন। এই তালিকায় এবার নাম লেখাতে চাইছেন রাখি সাওয়ান্ত।
রাখির আশা ছিল নরেন্দ্র মোদি এবারের লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে বিজেপির টিকিট দেবেন। কিন্তু তা হয়নি। এবার তিনি কংগ্রেসের পোস্টারবয় ও সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধীর কাছে টিকিটের আবদার জানিয়েছেন। এমনকি দাবি করেছেন, রাহুল তাঁকে ফোন কল করেছিলেন।
বিজেপির টিকিট না পেয়ে এবার বিজেপির বিরুদ্ধেই লড়ার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন রাখি। তাও আবার বলিউডে তারই সহকর্মী বিজেপি নেত্রী কঙ্গনা রনৌতের বিরুদ্ধে। সংবাদমাধ্যমের কাছে নিজের ইচ্ছে ব্যক্ত করে রাখি সাওয়ান্ত প্রথমে বলেন, ‘মান্ডির প্রার্থী হওয়ার জন্য তিন-চার বছর ধরে কঙ্গনা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।’
রাখি আরও বলেন, ‘ক্রমাগত বিরোধীদের লক্ষ্য করে কথা বলছেন (কঙ্গনা)। ফলে সেখানে তো আর বিজেপি আমাকে টিকিট দেবে না। তাই রাহুল গান্ধীর কাছে আবেদন, যাতে তিনি কঙ্গনার বিরোধিতায় আমার পাশে দাঁড়ান। আমি নিশ্চিতভাবে জিতব। মান্ডির প্রতিটি ঘরে পৌঁছে যাব।’
সম্প্রতি এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে রাখি সাওয়ান্ত সংবাদমাধ্যমের কাছে জানতে চান, ‘কঙ্গনার কোনো ফোন এসেছে? তিনি কি টিকিট ফিরিয়ে নিয়েছেন?’ এই প্রশ্নের জবাব দেওয়ার আগেই তিনি নিজেই আবার বলেন, ‘রাহুল গান্ধীর ফোন এসেছিল। উনি আমাকে বললেন, আপনি ভোটে লড়ছেন। মোদিজি আপনাকে টিকিট না দিলে কী হবে, আমরা আপনার খেয়াল রাখব।’
প্রসঙ্গত, ভোটের ময়দানে রাখি সাওয়ান্ত নতুন নন। এর আগে তিনি গত ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মুম্বাইয়ের উত্তর-পশ্চিম কেন্দ্র থেকে নির্দলীয় বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোটে লড়েছিলেন। পরিহাসের বিষয় হলো, সেই নির্বাচনে রাখি সাওয়ান্ত পেয়েছিলেন মাত্র ১৫ ভোট।
এরপর রাষ্ট্রীয় আম পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দলও গঠন করেছিলেন রাখি, যার প্রতীক ছিল সবুজ মরিচ। পরে রাষ্ট্রীয় আম পার্টি থেকে পদত্যাগ করে রিপাবলিকান পার্টি অব ইন্ডিয়া (আঠাওয়ালে) বা আরপিআইয়ে যোগ দেন। সেই দলের নারী শাখার সভাপতিও হন তিনি।

১৯৭০-এর দশকে বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্য একটি বিশেষায়িত ইউনিটের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে পেন্টাগন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্নেল চার্লস বেকউইথ ব্রিটিশ বিশেষ বাহিনী ‘এসএএস’-এর আদলে ১৯৭৭ সালে এই ডেল্টা ফোর্স গঠন করেন। উত্তর ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে এর প্রধান কার্যালয়।
২৮ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলায় বড় ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটি সত্য হলে সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ হবে একটি প্রশ্নে— ভেনেজুয়েলার শাসনভার এখন কার হাতে।
৪৪ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সরাসরি সশস্ত্র আগ্রাসনের’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে মাদুরোকে অপহরণ করে দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাটি একটি স্বাধীন দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর...
৩ ঘণ্টা আগে
নজিরবিহীন সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে স্ত্রীসহ প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ভেনেজুয়েলা থেকে তুলে নেওয়ার পর তাকে মাদক ও অস্ত্রের মামলায় অভিযুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত। আজ শনিবার নিউইয়র্কের সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে তাকে অভিযুক্ত করা হয় বলে জানান মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি।
৩ ঘণ্টা আগে