
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলার কাছাকাছি জিরানিয়া রেলওয়ে স্টেশনে ছয়জন বাংলাদেশি নাগরিক আটক হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন তৃতীয় লিঙ্গের।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে একটি যৌথ অভিযানে তাঁদের আটক করা হয়। অভিযানে সরকারি রেলওয়ে পুলিশ, রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স, বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স এবং অন্য সংস্থাগুলো অংশ নেয়।
আটক ব্যক্তিরা প্রথমে নিজেদের সিপাইজলা জেলার বিশালগড়ের বাসিন্দা বলে দাবি করলেও পরে জেরার মুখে স্বীকার করেন, তাঁরা গত বুধবার বাংলাদেশ থেকে এসেছেন এবং ট্রেনে মুম্বাই যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।
আগরতলার সরকারি রেলওয়ে পুলিশের অফিসার ইনচার্জ তপস দাস বলেন, চারজন কিশোরগঞ্জের এবং বাকি দুজন নোয়াখালী জেলার বাসিন্দা। আমরা একটি মামলা করেছি। আরও কেউ জড়িত কিনা, তা খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে।
কিছুদিন আগে চার বছরের এক শিশুসহ তিনজন বাংলাদেশি নাগরিককে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যটিতে অবৈধভাবে প্রবেশের অভিযোগে আটক করা হয়।
সম্প্রতি আগরতলা রেলওয়ে স্টেশন এবং ত্রিপুরার অন্যান্য স্থান থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ করে অন্য অঞ্চলে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করা হয়েছে। ত্রিপুরার ৮৫৬ কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ সীমান্তের কিছু অংশ এখনো স্থানীয় বিরোধের কারণে সুরক্ষিত নয়।

রাশিয়া ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। চার বছর ধরে চলা যুদ্ধের মধ্যে এটিকে কিয়েভের ওপর সবচেয়ে বড় হামলাগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের দাবি, হামলায় অন্তত চারজন নিহত এবং ৮০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) একটি বিবৃতির মাধ্যমে এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। তবে রয়টার্স স্বাধীনভাবে বিএলএ-এর বিবৃতি যাচাই করেনি। পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকেও এ ব্যাপারে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সতর্কবার্তার পর ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাতভর ব্যাপক হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এই হামলায় অন্তত একজন নিহত এবং এক কিশোরসহ কমপক্ষে ২১ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
ইউরোপজুড়ে সিফিলিস ও গনোরিয়ার মতো যৌনবাহিত রোগের (এসটিআই) সংক্রমণ রেকর্ড মাত্রায় পৌঁছেছে। ইউরোপীয় রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের (ইসিডিসি) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, গত এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে এই দুই রোগের সংক্রমণ এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে