
আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আল-কায়েদার অনুপ্রেরণায় ভারতে খিলাফত প্রতিষ্ঠা করতে চাওয়া একটি সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক সক্রিয় আছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ বাহিনী। তারা দাবি করেছে, ওই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের সদস্যদের বিভিন্ন স্থানে অস্ত্র পরিচালনা সহ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল-কায়েদা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর দ্বারা অনুপ্রাণিত ওই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কটি খুঁজে পেয়েছে দিল্লি পুলিশ। পরে এই নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ভারতের ঝাড়খণ্ড, রাজস্থান এবং উত্তরপ্রদেশ জুড়ে এই নেটওয়ার্ক সক্রিয় ছিল। পুলিশ এই নেটওয়ার্কে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ভারতে একটি ‘খিলাফত’ প্রতিষ্ঠার জন্য একাধিক উচ্চ-মাত্রার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল ওই সন্ত্রাসীরা।
এ বিষয়ে দিল্লি পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘কার্যক্রমের বর্তমান অবস্থা অনুযায়ী, ওই সন্ত্রাসী মডিউলটির নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন ইশতিয়াক নামে রাঁচির (ঝাড়খণ্ড) এক চিকিৎসক। তারা দেশের ভেতরে খিলাফত ঘোষণা করতে এবং গুরুতর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য উচ্চ পরিকল্পনা করেছিল।’
পুলিশ জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কটি চিহ্নিত করা ছাড়াও তাদের উদ্দেশ্য এবং অবস্থান সম্পর্কে জানা গিয়েছিল। পরে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এই অভিযানে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে বিভিন্ন রাজ্য বাহিনীরও সহযোগিতা ছিল।
এনডিটিভি জানিয়েছে, পুলিশের অভিযানে রাজস্থানের ভিওয়াদি থেকে ৬ সন্দেহভাজনকে ধরা হয়। তাঁরা সেখানে অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল। পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঝাড়খণ্ড এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে আরও ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য মজুত করা বিভিন্ন অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং জিহাদি বই-পত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্ত এখনো চলছে এবং অভিযান অব্যাহত থাকায় আরও গ্রেপ্তারের আশা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আল-কায়েদার অনুপ্রেরণায় ভারতে খিলাফত প্রতিষ্ঠা করতে চাওয়া একটি সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক সক্রিয় আছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ বাহিনী। তারা দাবি করেছে, ওই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের সদস্যদের বিভিন্ন স্থানে অস্ত্র পরিচালনা সহ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল-কায়েদা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর দ্বারা অনুপ্রাণিত ওই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কটি খুঁজে পেয়েছে দিল্লি পুলিশ। পরে এই নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ভারতের ঝাড়খণ্ড, রাজস্থান এবং উত্তরপ্রদেশ জুড়ে এই নেটওয়ার্ক সক্রিয় ছিল। পুলিশ এই নেটওয়ার্কে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ভারতে একটি ‘খিলাফত’ প্রতিষ্ঠার জন্য একাধিক উচ্চ-মাত্রার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল ওই সন্ত্রাসীরা।
এ বিষয়ে দিল্লি পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘কার্যক্রমের বর্তমান অবস্থা অনুযায়ী, ওই সন্ত্রাসী মডিউলটির নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন ইশতিয়াক নামে রাঁচির (ঝাড়খণ্ড) এক চিকিৎসক। তারা দেশের ভেতরে খিলাফত ঘোষণা করতে এবং গুরুতর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য উচ্চ পরিকল্পনা করেছিল।’
পুলিশ জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কটি চিহ্নিত করা ছাড়াও তাদের উদ্দেশ্য এবং অবস্থান সম্পর্কে জানা গিয়েছিল। পরে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এই অভিযানে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে বিভিন্ন রাজ্য বাহিনীরও সহযোগিতা ছিল।
এনডিটিভি জানিয়েছে, পুলিশের অভিযানে রাজস্থানের ভিওয়াদি থেকে ৬ সন্দেহভাজনকে ধরা হয়। তাঁরা সেখানে অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল। পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঝাড়খণ্ড এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে আরও ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য মজুত করা বিভিন্ন অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং জিহাদি বই-পত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্ত এখনো চলছে এবং অভিযান অব্যাহত থাকায় আরও গ্রেপ্তারের আশা করা হচ্ছে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, সীতামাড়ির ঝাঝিহাট গ্রামে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রিতেশ কুমার (ডাকনাম গোলু) সকালে যখন কোচিং ক্লাসে যাচ্ছিল, সে সময় এক দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যান তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় ওই ছাত্র। খবর পেয়ে রিতেশের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।
৪১ মিনিট আগে
কানাডা ও চীন বৈদ্যুতিক যান (ইভি) এবং ক্যানোলা (সরিষার মতো তেলবীজ) পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে একটি প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছে। আজ শুক্রবার চীন সফররত কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এ কথা জানিয়েছেন। দুই দেশই বাণিজ্য বাধা দূর করা এবং নতুন কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোর কড়া সমালোচক মাচাদো গত বছর ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের’ আন্দোলনের জন্য এই পুরস্কার জিতেছিলেন। এখন তিনি সেই পদক হোয়াইট হাউসে রেখে গেলেন এই আশায়, এই সৌজন্যের বিনিময়ে হয়তো আরও মূল্যবান কিছু মিলবে।
২ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার আদালত দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সামরিক আইন (মার্শাল ল) ঘোষণা করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে