
ভারতে আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে অন্তত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার মধ্যপ্রদেশের হরদা জেলায় এ বিস্ফোরণে শতাধিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে মৃতের সংখ্যা ৭ জন বলা হলেও ভারতীয় কিছু সংবাদমাধ্যমে তা ১১ জন ছাড়িয়ে গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভারতীয় সম্প্রচার মাধ্যমগুলোর ভিডিওতে দেখা যায়, আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণের কারণে গোটা এলাকা কালো ধোঁয়াতে ঢেকে গেছে। আহতদের উদ্ধারের জন্য সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার ও ডজনখানেক অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হরদা জেলা হাসপাতালের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সাতজনের মৃত্যু নিশ্চিত হতে পেরেছি। আমাদের হাসপাতালে ৬৫ জন ভর্তি রয়েছেন এবং আরও দশজনকে বড় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
জ্যেষ্ঠ জেলা কর্মকর্তা কৈলাস চাঁদ পারতে বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৫টি ফায়ার ইঞ্জিন কাজ করছে।
পারতে এএফপিকে বলেন, ‘আগুনে অন্তত আটজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আমরা ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজকে গুরুত্ব দিচ্ছি এবং তাঁদের হাসপাতালে পাঠাচ্ছি তাই আমরা এখনই মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত করতে পারছি না।’
কারখানাটিতে ২০০ থেকে ৩০০ জন কাজ করতেন বলে জানান পারতে। বিস্ফোরণের সময় কারখানায় কতজন ছিলেন তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে কারখানার এক কর্মী বলেন, বিস্ফোরণের সময় কারখানায় ১৫০ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন।
তিনি বলেন, ‘বিস্ফোরণের তীব্রতার কারণে কারখানার আশপাশের অন্তত ১০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব বলেন, বিস্ফোরণের ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। নিকটবর্তী বড় হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকদের ‘প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি’ নিতে বলা হয়েছে।
যাদব এক্স প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করে বলেন, ‘আশপাশের এলাকা থেকে অ্যাম্বুলেন্স হরদায় পাঠানো হচ্ছে এবং হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা করার জন্য সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।’
ভারতের অবৈধ আতশবাজির কারখানায় প্রায়ই বিস্ফোরণ ঘটে।

ভারতে আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে অন্তত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার মধ্যপ্রদেশের হরদা জেলায় এ বিস্ফোরণে শতাধিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে মৃতের সংখ্যা ৭ জন বলা হলেও ভারতীয় কিছু সংবাদমাধ্যমে তা ১১ জন ছাড়িয়ে গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভারতীয় সম্প্রচার মাধ্যমগুলোর ভিডিওতে দেখা যায়, আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণের কারণে গোটা এলাকা কালো ধোঁয়াতে ঢেকে গেছে। আহতদের উদ্ধারের জন্য সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার ও ডজনখানেক অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হরদা জেলা হাসপাতালের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সাতজনের মৃত্যু নিশ্চিত হতে পেরেছি। আমাদের হাসপাতালে ৬৫ জন ভর্তি রয়েছেন এবং আরও দশজনকে বড় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
জ্যেষ্ঠ জেলা কর্মকর্তা কৈলাস চাঁদ পারতে বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৫টি ফায়ার ইঞ্জিন কাজ করছে।
পারতে এএফপিকে বলেন, ‘আগুনে অন্তত আটজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আমরা ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজকে গুরুত্ব দিচ্ছি এবং তাঁদের হাসপাতালে পাঠাচ্ছি তাই আমরা এখনই মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত করতে পারছি না।’
কারখানাটিতে ২০০ থেকে ৩০০ জন কাজ করতেন বলে জানান পারতে। বিস্ফোরণের সময় কারখানায় কতজন ছিলেন তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে কারখানার এক কর্মী বলেন, বিস্ফোরণের সময় কারখানায় ১৫০ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন।
তিনি বলেন, ‘বিস্ফোরণের তীব্রতার কারণে কারখানার আশপাশের অন্তত ১০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব বলেন, বিস্ফোরণের ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। নিকটবর্তী বড় হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকদের ‘প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি’ নিতে বলা হয়েছে।
যাদব এক্স প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করে বলেন, ‘আশপাশের এলাকা থেকে অ্যাম্বুলেন্স হরদায় পাঠানো হচ্ছে এবং হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা করার জন্য সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।’
ভারতের অবৈধ আতশবাজির কারখানায় প্রায়ই বিস্ফোরণ ঘটে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে