আজকের পত্রিকা ডেস্ক

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আলোচনা ঠিকঠাক এগোলে জানুয়ারির শেষ দিকে ইইউর শীর্ষ নেতারা চুক্তিটি সই করতে ভারত সফরে আসবেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান সুরক্ষাবাদ ও ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক নীতির কারণে সৃষ্ট অস্থিরতার মধ্যে জার্মান চ্যান্সেলরের ভারত সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর চ্যান্সেলর মার্জ বলেন, বিশ্ব এখন সুরক্ষাবাদের পুনর্জাগরণ দেখছে। কিন্তু এটি জার্মানি ও ভারত—উভয় দেশের জন্যই ক্ষতিকর। তিনি কোনো দেশের নাম না নিলেও তাঁর ইঙ্গিত ছিল যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান শুল্ক নীতির দিকে।
বৈঠকে ভারত ও জার্মানি প্রতিরক্ষাক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে ১৯টি সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের জন্য জার্মানিতে ট্রানজিট ভিসায় বিশেষ ছাড়; গ্রিন হাইড্রোজেন রোডম্যাপ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে যৌথভাবে কাজ করার প্রকল্প; এ ছাড়া জার্মানির স্বাস্থ্য খাতের ঘাটতি পূরণে ভারত থেকে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বৈধ অভিবাসনের পথ প্রশস্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন মার্জ।
বর্তমানে সমরাস্ত্রের জন্য ভারত অনেকাংশে রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল। বার্লিন চাইছে, উন্নত প্রযুক্তির সমরাস্ত্র সরবরাহের মাধ্যমে ভারতের এই রুশনির্ভরতা কমাতে। চ্যান্সেলর মার্জ ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের মূল্যায়ন নিয়ে ভারতের সঙ্গে একমত পোষণ করলেও ভারতের জ্বালানি ও সামরিক ক্ষেত্রে রুশনির্ভরতার বাস্তবতাকে সম্মান জানিয়েছেন।
কেন এই চুক্তির তাড়াহুড়ো
ইইউ এখন ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার (২০২৪ সালে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১২০ বিলিয়ন ইউরো)। চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ইউরোপ এখন ভারতকে সবচেয়ে ‘পছন্দের অংশীদার’ হিসেবে দেখছে। ইইউ অটোমোবাইল, ওয়াইন ও চিকিৎসা সরঞ্জামে শুল্ক কমাতে চায়, বিপরীতে ভারত চায় পোশাক ও চামড়াজাত পণ্যে সহজ প্রবেশাধিকার।
২৬ জানুয়ারি ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ইইউর শীর্ষ নেতাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এরপরই ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় ভারত-ইইউ সম্মেলনে এই মেগা বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আলোচনা ঠিকঠাক এগোলে জানুয়ারির শেষ দিকে ইইউর শীর্ষ নেতারা চুক্তিটি সই করতে ভারত সফরে আসবেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান সুরক্ষাবাদ ও ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক নীতির কারণে সৃষ্ট অস্থিরতার মধ্যে জার্মান চ্যান্সেলরের ভারত সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর চ্যান্সেলর মার্জ বলেন, বিশ্ব এখন সুরক্ষাবাদের পুনর্জাগরণ দেখছে। কিন্তু এটি জার্মানি ও ভারত—উভয় দেশের জন্যই ক্ষতিকর। তিনি কোনো দেশের নাম না নিলেও তাঁর ইঙ্গিত ছিল যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান শুল্ক নীতির দিকে।
বৈঠকে ভারত ও জার্মানি প্রতিরক্ষাক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে ১৯টি সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের জন্য জার্মানিতে ট্রানজিট ভিসায় বিশেষ ছাড়; গ্রিন হাইড্রোজেন রোডম্যাপ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে যৌথভাবে কাজ করার প্রকল্প; এ ছাড়া জার্মানির স্বাস্থ্য খাতের ঘাটতি পূরণে ভারত থেকে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বৈধ অভিবাসনের পথ প্রশস্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন মার্জ।
বর্তমানে সমরাস্ত্রের জন্য ভারত অনেকাংশে রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল। বার্লিন চাইছে, উন্নত প্রযুক্তির সমরাস্ত্র সরবরাহের মাধ্যমে ভারতের এই রুশনির্ভরতা কমাতে। চ্যান্সেলর মার্জ ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের মূল্যায়ন নিয়ে ভারতের সঙ্গে একমত পোষণ করলেও ভারতের জ্বালানি ও সামরিক ক্ষেত্রে রুশনির্ভরতার বাস্তবতাকে সম্মান জানিয়েছেন।
কেন এই চুক্তির তাড়াহুড়ো
ইইউ এখন ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার (২০২৪ সালে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১২০ বিলিয়ন ইউরো)। চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ইউরোপ এখন ভারতকে সবচেয়ে ‘পছন্দের অংশীদার’ হিসেবে দেখছে। ইইউ অটোমোবাইল, ওয়াইন ও চিকিৎসা সরঞ্জামে শুল্ক কমাতে চায়, বিপরীতে ভারত চায় পোশাক ও চামড়াজাত পণ্যে সহজ প্রবেশাধিকার।
২৬ জানুয়ারি ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ইইউর শীর্ষ নেতাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এরপরই ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় ভারত-ইইউ সম্মেলনে এই মেগা বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে এক ছাত্রীকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম রুবিনা আমিনিয়ান। বয়স ২৩ বছর। তিনি তেহরানের শারিয়াতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
৮ ঘণ্টা আগে