আজকের পত্রিকা ডেস্ক

২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আজ বৃহস্পতিবার মাদুরাইয়ের পারাপাথিতে নিজ দলের দ্বিতীয় রাজ্য সম্মেলনে বক্তব্য দেন অভিনেতা বিজয়। এ বক্তব্যে তিনি কিছু রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও প্রতীকী বার্তা দিয়েছেন। বিজয় বলেছেন, ‘আমাদের একমাত্র আদর্শগত শত্রু হলো বিজেপি। আর আমাদের রাজনৈতিক শত্রু হলো ডিএমকে (দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম)। টিভিকে (তামিলাগা ভেটরি কাজাগম) এমন কোনো দল নয়, যারা কাউকে ভয় পায় বা কোনো আন্ডারগ্রাউন্ড মাফিয়া ব্যবসা চালায়। পুরো তামিলনাড়ুর শক্তি আমাদের সঙ্গে আছে। চলুন, আমরা ফ্যাসিবাদী বিজেপি ও বিষাক্ত ডিএমকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করি।’
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সরাসরি আক্রমণ করে বিজয় অভিযোগ করেন, বিজেপি তামিলনাড়ুর প্রয়োজনগুলোকে উপেক্ষা করছে। তিনি বলেন, ‘আপনারা আমাদের জন্য যা গুরুত্বপূর্ণ, তা করছেন না। আপনারা জনতুষ্টির জন্য আরএসএসের সঙ্গে জোট করে চলেছেন। আপনারা হয়তো ভাবছেন, ২০২৯ সাল পর্যন্ত আপনাদের যাত্রা মসৃণ হবে। কিন্তু আমি স্পষ্ট করে বলছি, পদ্মপাতায় যেমন জল আটকে থাকে না, তেমনি তামিলরাও বিজেপির সঙ্গে থাকবে না।’
বিজয় তাঁর রাজনৈতিক যাত্রাকে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, সিংহ সব সময়ই সিংহ। একবার গর্জন করলে সেই শব্দ আট কিলোমিটার পর্যন্ত কম্পন সৃষ্টি করে। এমন সিংহ শিকার করতে বের হয়। জঙ্গলে অনেক শিয়াল থাকে, কিন্তু সিংহ থাকে মাত্র একটি। সিংহই জঙ্গলের রাজা।
বিজয় ইঙ্গিত দেন, তাঁর দল আসন্ন নির্বাচনে সব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। তিনি বলেন, ‘২০২৬ সালের নির্বাচনের জন্য আমি প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা করছি। আমি মাদুরাই পূর্ব, মাদুরাই দক্ষিণ, উসিলামপট্টি, মেল্লুর—পুরো মাদুরাই থেকে লড়ব। আমি ২৩৪টি আসনেই লড়ব।’ তিনি বলেন, ‘আমি রাজনীতিতে এসেছি আমার বাজার হারিয়ে নয়। আমি মন থেকে বলতে চাই—আমি মানুষকে ভালোবাসি। আমি মানুষকে সম্মান করি। আমি মানুষকে পূজা করি। মানুষ আমাকে যা দিয়েছে, আমি তার প্রতিদান দিতে পারব না। আমি চিরকাল মানুষের সঙ্গে থাকব। এর বাইরে আমার অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই। এটিই এখন আমার পেশা।’
বিজয় বলেন, ‘আমি যখন মাদুরাইয়ে আসি, তখন আমার আলানগানাল্লুর জাল্লিকাট্টু, মাদুরাই মীনাক্ষী আম্মান ও ভাইগাই নদীর কথা মনে পড়ে। এ ভূমির মানুষ ক্যাপ্টেন বিজয়কান্তের সঙ্গে আমার অনেকবার মেলামেশার সুযোগ হয়েছিল।’ তিনি বলেন, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে। ১৯৬৭ ও ১৯৭৭ সালের নির্বাচনের ফলাফল আবারও ২০২৬ সালে ঘটবে।
রাজনীতিতে প্রবেশ নিয়ে হওয়া সমালোচনা প্রসঙ্গে বিজয় বলেন, ‘অনেকেই আমার বিরুদ্ধে অনেক কথা বলেছে, কিন্তু আপনারা সবাই আমাকে খুব ভালোভাবে চেনেন। আমি এসব গুরুত্ব দিই না। আমি কেবল তামিলনাড়ুর মানুষের কথা শুনি। আমি হাসি দিয়ে এসব কথা উড়িয়ে দিই।’ অভিনেতা হিসেবে তাঁর পরিচয় নিয়ে কটাক্ষকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘একজন রাজনৈতিক নেতা সৎ কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আগে অভিনেতা ছিলেন কি না, তা নয়। শুধু শুধু আমাকে অভিনেতা বলে খোঁচা দেবেন না। সব রাজনীতিবিদ স্মার্ট নন, আবার সব অভিনেতাও বোকা নন।’

২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আজ বৃহস্পতিবার মাদুরাইয়ের পারাপাথিতে নিজ দলের দ্বিতীয় রাজ্য সম্মেলনে বক্তব্য দেন অভিনেতা বিজয়। এ বক্তব্যে তিনি কিছু রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও প্রতীকী বার্তা দিয়েছেন। বিজয় বলেছেন, ‘আমাদের একমাত্র আদর্শগত শত্রু হলো বিজেপি। আর আমাদের রাজনৈতিক শত্রু হলো ডিএমকে (দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম)। টিভিকে (তামিলাগা ভেটরি কাজাগম) এমন কোনো দল নয়, যারা কাউকে ভয় পায় বা কোনো আন্ডারগ্রাউন্ড মাফিয়া ব্যবসা চালায়। পুরো তামিলনাড়ুর শক্তি আমাদের সঙ্গে আছে। চলুন, আমরা ফ্যাসিবাদী বিজেপি ও বিষাক্ত ডিএমকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করি।’
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সরাসরি আক্রমণ করে বিজয় অভিযোগ করেন, বিজেপি তামিলনাড়ুর প্রয়োজনগুলোকে উপেক্ষা করছে। তিনি বলেন, ‘আপনারা আমাদের জন্য যা গুরুত্বপূর্ণ, তা করছেন না। আপনারা জনতুষ্টির জন্য আরএসএসের সঙ্গে জোট করে চলেছেন। আপনারা হয়তো ভাবছেন, ২০২৯ সাল পর্যন্ত আপনাদের যাত্রা মসৃণ হবে। কিন্তু আমি স্পষ্ট করে বলছি, পদ্মপাতায় যেমন জল আটকে থাকে না, তেমনি তামিলরাও বিজেপির সঙ্গে থাকবে না।’
বিজয় তাঁর রাজনৈতিক যাত্রাকে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, সিংহ সব সময়ই সিংহ। একবার গর্জন করলে সেই শব্দ আট কিলোমিটার পর্যন্ত কম্পন সৃষ্টি করে। এমন সিংহ শিকার করতে বের হয়। জঙ্গলে অনেক শিয়াল থাকে, কিন্তু সিংহ থাকে মাত্র একটি। সিংহই জঙ্গলের রাজা।
বিজয় ইঙ্গিত দেন, তাঁর দল আসন্ন নির্বাচনে সব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। তিনি বলেন, ‘২০২৬ সালের নির্বাচনের জন্য আমি প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা করছি। আমি মাদুরাই পূর্ব, মাদুরাই দক্ষিণ, উসিলামপট্টি, মেল্লুর—পুরো মাদুরাই থেকে লড়ব। আমি ২৩৪টি আসনেই লড়ব।’ তিনি বলেন, ‘আমি রাজনীতিতে এসেছি আমার বাজার হারিয়ে নয়। আমি মন থেকে বলতে চাই—আমি মানুষকে ভালোবাসি। আমি মানুষকে সম্মান করি। আমি মানুষকে পূজা করি। মানুষ আমাকে যা দিয়েছে, আমি তার প্রতিদান দিতে পারব না। আমি চিরকাল মানুষের সঙ্গে থাকব। এর বাইরে আমার অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই। এটিই এখন আমার পেশা।’
বিজয় বলেন, ‘আমি যখন মাদুরাইয়ে আসি, তখন আমার আলানগানাল্লুর জাল্লিকাট্টু, মাদুরাই মীনাক্ষী আম্মান ও ভাইগাই নদীর কথা মনে পড়ে। এ ভূমির মানুষ ক্যাপ্টেন বিজয়কান্তের সঙ্গে আমার অনেকবার মেলামেশার সুযোগ হয়েছিল।’ তিনি বলেন, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে। ১৯৬৭ ও ১৯৭৭ সালের নির্বাচনের ফলাফল আবারও ২০২৬ সালে ঘটবে।
রাজনীতিতে প্রবেশ নিয়ে হওয়া সমালোচনা প্রসঙ্গে বিজয় বলেন, ‘অনেকেই আমার বিরুদ্ধে অনেক কথা বলেছে, কিন্তু আপনারা সবাই আমাকে খুব ভালোভাবে চেনেন। আমি এসব গুরুত্ব দিই না। আমি কেবল তামিলনাড়ুর মানুষের কথা শুনি। আমি হাসি দিয়ে এসব কথা উড়িয়ে দিই।’ অভিনেতা হিসেবে তাঁর পরিচয় নিয়ে কটাক্ষকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘একজন রাজনৈতিক নেতা সৎ কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আগে অভিনেতা ছিলেন কি না, তা নয়। শুধু শুধু আমাকে অভিনেতা বলে খোঁচা দেবেন না। সব রাজনীতিবিদ স্মার্ট নন, আবার সব অভিনেতাও বোকা নন।’

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩৮ মিনিট আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৪২ মিনিট আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৪ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৪ ঘণ্টা আগে