আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভারতের রাজধানী দিল্লিসহ বেশ কিছু শহরে বেসরকারি স্কুলের অস্বাভাবিক বেতন বৃদ্ধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করেছেন অভিভাবকেরা। তাঁদের অভিযোগ, এই বেতন বৃদ্ধি পরিবারের বাজেটের ওপর মারাত্মক চাপ ফেলছে। যার প্রভাব পড়ছে সন্তানদের ওপরও।
দিল্লির বাসিন্দা ১৪ বছরের আদিত্য মাত্তের ঘটনা এই সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে। গত ৯ মে ইংরেজি পরীক্ষার দিন আদিত্য আত্মবিশ্বাস নিয়েই স্কুলে যায়। তার বাবা তাকে স্কুলে নামিয়ে দিয়ে চলে যান। কিন্তু আদিত্য আর পরীক্ষা দিতে পারেনি।
আদিত্য বলেছে, ‘দু-তিন মিনিটের মধ্যেই নিরাপত্তাকর্মী আর বাউন্সার এসে আমাকে ক্লাস থেকে বেরিয়ে যেতে বলে।’ তার বাবা তখনো স্কুলের বাইরে ছিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই আদিত্যসহ আরও কয়েকজন ছাত্রকে স্কুলবাসে তুলে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
আদিত্যর নাম ‘দিল্লি পাবলিক স্কুল, দ্বারকার’ তালিকা থেকে কেটে দেওয়া হয়। কারণ, তার বাবা স্কুলের নতুন বেতন কাঠামোকে অবৈধ ও অন্যায্য বলে বেতন পরিশোধ করেননি। এ ঘটনায় দিল্লি পাবলিক স্কুল বা তাদের পরিচালনাকারী দিল্লি পাবলিক স্কুল সোসাইটি কোনো মন্তব্য করেনি বলে জানিয়েছে বিবিসি।
আদিত্যর ঘটনা অবশ্য বিচ্ছিন্ন নয়। দিল্লি, পুনে, হায়দরাবাদসহ ভারতের বিভিন্ন শহরে গত দুই মাস ধরে বেসরকারি স্কুলের অতিরিক্ত বেতন বৃদ্ধির বিরুদ্ধে অভিভাবকেরা বিক্ষোভ করছেন। বিশেষ করে দিল্লিতে আন্দোলন তীব্র হয়েছে। অভিযোগ, দিল্লি পাবলিক স্কুল, দ্বারকা বকেয়া বেতনের কারণে ছাত্রদের শ্রেণিকক্ষে ঢুকতে দেয়নি, লাইব্রেরিতে আটকে রেখেছে এবং শেষ পর্যন্ত বহিষ্কারও করেছে। অভিভাবকেরা বলছেন, পরিবারের আর্থিক সিদ্ধান্তের জন্য শিশুদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।
সরকারি স্কুল থাকলেও সেগুলোর মান ভালো না হওয়ায় নিম্নআয়ের পরিবারও বেসরকারি স্কুলে সন্তানদের ভর্তি করান। দিল্লিতে নিয়ম রয়েছে, যারা সরকারি জমিতে স্কুল চালায়, তাদের বেতন বাড়াতে হলে শিক্ষা দপ্তরের অনুমোদন নিতে হয়। পাশাপাশি, ২৫ শতাংশ আসন আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারের জন্য সংরক্ষিত রাখতে হয়।
স্কুলগুলো বেতন বাড়ানোর পক্ষে যুক্তি দিচ্ছে। তারা বলছে, মুদ্রাস্ফীতি, শিক্ষক-শিক্ষিকার বেতন বৃদ্ধি, সরকার প্রদত্ত ভর্তুকি বিলম্বে পাওয়া এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য বেতন বাড়ানো ছাড়া উপায় নেই।
আদিত্যর বাবা দিব্য মাত্তে বলেন, ২০২০ সালে আদিত্যর বার্ষিক বেতন ছিল ৯৩ হাজার ৪০০ রুপি, যা ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬ রুপি। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ভাবিনি, এমন মর্যাদাসম্পন্ন স্কুল এভাবে ছাত্রদের সঙ্গে আচরণ করবে—শ্রেণিকক্ষে ঢুকতে দেবে না, বাউন্সার লেলিয়ে দেবে, দিনের পর দিন লাইব্রেরিতে বসিয়ে রাখবে।’
বিবিসির প্রশ্নের উত্তর না দিলেও আদালতে স্কুল কর্তৃপক্ষ বলেছে, বেতন না দিলে ছাত্রদের ধরে রাখার কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা তাদের নেই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, স্কুলটি দাবি করেছে, তারা গত বছর ৪৯ কোটি টাকার লোকসান দিয়েছে। স্কুলের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক নোটিশে ‘একটি ছোট অভিভাবক গোষ্ঠীকে’ অভিযুক্ত করে বলা হয়েছে, তারা ‘মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য’ ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছে।
এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ভারতের ৮০ শতাংশের বেশি অভিভাবক জানিয়েছেন, এ বছর বেসরকারি স্কুলের বেতন ১০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। দিল্লি, মুম্বাই, বেঙ্গালুরুতে কোথাও কোথাও বৃদ্ধির হার ৩০ শতাংশ পর্যন্ত। দেশে বেসরকারি স্কুলের ওপর কেন্দ্রীয় কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। প্রতিটি রাজ্যের নিজস্ব নিয়ম রয়েছে। মহারাষ্ট্রে প্রতি দুই বছরে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বাড়ানো যায়, তবে ২৫ শতাংশ অভিভাবক আপত্তি তুললে তা পর্যালোচনা হয়। কর্ণাটকে বছরে ১০ শতাংশ বাড়ানোর অনুমতি রয়েছে, তবে তার জন্য নিরীক্ষার কাগজ দেখাতে হয়। বাস্তবে এসব নিয়মের প্রয়োগ দুর্বল। ফলে আইনি লড়াই বছরের পর বছর চলে, কিন্তু সমস্যার সমাধান হয় না।
পশ্চিম দিল্লির মীরা মডেল স্কুলের এক ছাত্রের বাবা গগনদীপ সিং জানান, গত বছর তাঁর সন্তানের স্কুলের বেতন ৪৫ শতাংশ বেড়েছে, এ বছরও ১০ শতাংশ বেড়েছে। তিনি আগের অনুমোদিত বেতন দিতে রাজি ছিলেন। কিন্তু স্কুল নতুন সেশনের জন্য তাঁর চেক গ্রহণ করেনি। তিনি বলেন, ‘স্কুল নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের কাজ নয়। সেটা সরকারের দায়িত্ব।’
অনেক অভিভাবক দিল্লি পাবলিক স্কুলের ঘটনার পুনরাবৃত্তি নিয়ে শঙ্কিত। দিল্লির মহারাজা আগরসেন পাবলিক স্কুলের অভিভাবক পঙ্কজ গুপ্ত জানান, তাঁদের স্কুল এ বছর কোনো নোটিশ ছাড়াই ২৫ শতাংশ বেতন বাড়িয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা বাধ্য হয়ে বেতন দিয়েছি।’
পঙ্কজ গুপ্তর ছোট দোকান রয়েছে। মহামারির পর ব্যবসা খারাপ। অনলাইন শপিংয়ের কারণে আরও বিপদে পড়েছেন। এখন স্কুলের বেতন তাঁদের পরিবারকে বিপদে ফেলছে। আরেক অভিভাবক বলেন, ‘আমার ছেলে ছোটবেলা থেকে যে স্কুলে পড়ে, সেখান থেকে হয়তো বের করতে হবে। কারণ এ বছর ৩০ শতাংশ বেতন বেড়েছে, যা টানা সম্ভব নয়। তবে স্কুল বদল করাও নিরাপদ নয়। সব জায়গায় একই অবস্থা।’
এই পরিস্থিতিতে দিল্লি সরকার ১০ জুন ‘দিল্লি স্কুল এডুকেশন (ফি নির্ধারণে স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ২০২৫’ অনুমোদন করেছে। এটি কার্যকর হতে রাজ্যপালের অনুমোদন প্রয়োজন। রাজ্য শিক্ষামন্ত্রী আশিস সূদ জানিয়েছেন, নতুন আইনে বেসরকারি স্কুলের বেতন নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর হবে। তবে অভিভাবকেরা বলছেন, তাঁদের মতামত নিয়েই আইন তৈরি করতে হবে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিখা শর্মা বাগ্গা বলেন, ‘প্রতি বছর শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগে স্কুলের আর্থিক হিসাব নিরীক্ষা করা উচিত। তাহলে অভিভাবকেরা বুঝবেন, তাঁরা কী কারণে টাকা দিচ্ছেন।’
এদিকে, দ্বারকায় আদিত্য এখনো স্কুলে ফেরার অপেক্ষায়। যদিও খবরে বলা হয়েছে, দিল্লি পাবলিক স্কুল বহিষ্কৃত ছাত্রদের ফিরিয়ে নেবে। তবে আদিত্যর বাবা দিব্য মাত্তে বলেন, ‘স্কুল কিছুটা ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। কিন্তু এখনো আমার ছেলের নাম তালিকায় ওঠেনি। কোনো অ্যাসাইনমেন্টও দেয়নি।’
তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে মাত্র ১৪ বছরের। তার এখন শুধু পড়াশোনার চিন্তা করার কথা। কিন্তু ওকে ভাবতে হচ্ছে, কাল ক্লাসে বসতে পারবে কি না।’

ভারতের রাজধানী দিল্লিসহ বেশ কিছু শহরে বেসরকারি স্কুলের অস্বাভাবিক বেতন বৃদ্ধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করেছেন অভিভাবকেরা। তাঁদের অভিযোগ, এই বেতন বৃদ্ধি পরিবারের বাজেটের ওপর মারাত্মক চাপ ফেলছে। যার প্রভাব পড়ছে সন্তানদের ওপরও।
দিল্লির বাসিন্দা ১৪ বছরের আদিত্য মাত্তের ঘটনা এই সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে। গত ৯ মে ইংরেজি পরীক্ষার দিন আদিত্য আত্মবিশ্বাস নিয়েই স্কুলে যায়। তার বাবা তাকে স্কুলে নামিয়ে দিয়ে চলে যান। কিন্তু আদিত্য আর পরীক্ষা দিতে পারেনি।
আদিত্য বলেছে, ‘দু-তিন মিনিটের মধ্যেই নিরাপত্তাকর্মী আর বাউন্সার এসে আমাকে ক্লাস থেকে বেরিয়ে যেতে বলে।’ তার বাবা তখনো স্কুলের বাইরে ছিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই আদিত্যসহ আরও কয়েকজন ছাত্রকে স্কুলবাসে তুলে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
আদিত্যর নাম ‘দিল্লি পাবলিক স্কুল, দ্বারকার’ তালিকা থেকে কেটে দেওয়া হয়। কারণ, তার বাবা স্কুলের নতুন বেতন কাঠামোকে অবৈধ ও অন্যায্য বলে বেতন পরিশোধ করেননি। এ ঘটনায় দিল্লি পাবলিক স্কুল বা তাদের পরিচালনাকারী দিল্লি পাবলিক স্কুল সোসাইটি কোনো মন্তব্য করেনি বলে জানিয়েছে বিবিসি।
আদিত্যর ঘটনা অবশ্য বিচ্ছিন্ন নয়। দিল্লি, পুনে, হায়দরাবাদসহ ভারতের বিভিন্ন শহরে গত দুই মাস ধরে বেসরকারি স্কুলের অতিরিক্ত বেতন বৃদ্ধির বিরুদ্ধে অভিভাবকেরা বিক্ষোভ করছেন। বিশেষ করে দিল্লিতে আন্দোলন তীব্র হয়েছে। অভিযোগ, দিল্লি পাবলিক স্কুল, দ্বারকা বকেয়া বেতনের কারণে ছাত্রদের শ্রেণিকক্ষে ঢুকতে দেয়নি, লাইব্রেরিতে আটকে রেখেছে এবং শেষ পর্যন্ত বহিষ্কারও করেছে। অভিভাবকেরা বলছেন, পরিবারের আর্থিক সিদ্ধান্তের জন্য শিশুদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।
সরকারি স্কুল থাকলেও সেগুলোর মান ভালো না হওয়ায় নিম্নআয়ের পরিবারও বেসরকারি স্কুলে সন্তানদের ভর্তি করান। দিল্লিতে নিয়ম রয়েছে, যারা সরকারি জমিতে স্কুল চালায়, তাদের বেতন বাড়াতে হলে শিক্ষা দপ্তরের অনুমোদন নিতে হয়। পাশাপাশি, ২৫ শতাংশ আসন আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারের জন্য সংরক্ষিত রাখতে হয়।
স্কুলগুলো বেতন বাড়ানোর পক্ষে যুক্তি দিচ্ছে। তারা বলছে, মুদ্রাস্ফীতি, শিক্ষক-শিক্ষিকার বেতন বৃদ্ধি, সরকার প্রদত্ত ভর্তুকি বিলম্বে পাওয়া এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য বেতন বাড়ানো ছাড়া উপায় নেই।
আদিত্যর বাবা দিব্য মাত্তে বলেন, ২০২০ সালে আদিত্যর বার্ষিক বেতন ছিল ৯৩ হাজার ৪০০ রুপি, যা ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬ রুপি। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ভাবিনি, এমন মর্যাদাসম্পন্ন স্কুল এভাবে ছাত্রদের সঙ্গে আচরণ করবে—শ্রেণিকক্ষে ঢুকতে দেবে না, বাউন্সার লেলিয়ে দেবে, দিনের পর দিন লাইব্রেরিতে বসিয়ে রাখবে।’
বিবিসির প্রশ্নের উত্তর না দিলেও আদালতে স্কুল কর্তৃপক্ষ বলেছে, বেতন না দিলে ছাত্রদের ধরে রাখার কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা তাদের নেই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, স্কুলটি দাবি করেছে, তারা গত বছর ৪৯ কোটি টাকার লোকসান দিয়েছে। স্কুলের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক নোটিশে ‘একটি ছোট অভিভাবক গোষ্ঠীকে’ অভিযুক্ত করে বলা হয়েছে, তারা ‘মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য’ ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছে।
এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ভারতের ৮০ শতাংশের বেশি অভিভাবক জানিয়েছেন, এ বছর বেসরকারি স্কুলের বেতন ১০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। দিল্লি, মুম্বাই, বেঙ্গালুরুতে কোথাও কোথাও বৃদ্ধির হার ৩০ শতাংশ পর্যন্ত। দেশে বেসরকারি স্কুলের ওপর কেন্দ্রীয় কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। প্রতিটি রাজ্যের নিজস্ব নিয়ম রয়েছে। মহারাষ্ট্রে প্রতি দুই বছরে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বাড়ানো যায়, তবে ২৫ শতাংশ অভিভাবক আপত্তি তুললে তা পর্যালোচনা হয়। কর্ণাটকে বছরে ১০ শতাংশ বাড়ানোর অনুমতি রয়েছে, তবে তার জন্য নিরীক্ষার কাগজ দেখাতে হয়। বাস্তবে এসব নিয়মের প্রয়োগ দুর্বল। ফলে আইনি লড়াই বছরের পর বছর চলে, কিন্তু সমস্যার সমাধান হয় না।
পশ্চিম দিল্লির মীরা মডেল স্কুলের এক ছাত্রের বাবা গগনদীপ সিং জানান, গত বছর তাঁর সন্তানের স্কুলের বেতন ৪৫ শতাংশ বেড়েছে, এ বছরও ১০ শতাংশ বেড়েছে। তিনি আগের অনুমোদিত বেতন দিতে রাজি ছিলেন। কিন্তু স্কুল নতুন সেশনের জন্য তাঁর চেক গ্রহণ করেনি। তিনি বলেন, ‘স্কুল নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের কাজ নয়। সেটা সরকারের দায়িত্ব।’
অনেক অভিভাবক দিল্লি পাবলিক স্কুলের ঘটনার পুনরাবৃত্তি নিয়ে শঙ্কিত। দিল্লির মহারাজা আগরসেন পাবলিক স্কুলের অভিভাবক পঙ্কজ গুপ্ত জানান, তাঁদের স্কুল এ বছর কোনো নোটিশ ছাড়াই ২৫ শতাংশ বেতন বাড়িয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা বাধ্য হয়ে বেতন দিয়েছি।’
পঙ্কজ গুপ্তর ছোট দোকান রয়েছে। মহামারির পর ব্যবসা খারাপ। অনলাইন শপিংয়ের কারণে আরও বিপদে পড়েছেন। এখন স্কুলের বেতন তাঁদের পরিবারকে বিপদে ফেলছে। আরেক অভিভাবক বলেন, ‘আমার ছেলে ছোটবেলা থেকে যে স্কুলে পড়ে, সেখান থেকে হয়তো বের করতে হবে। কারণ এ বছর ৩০ শতাংশ বেতন বেড়েছে, যা টানা সম্ভব নয়। তবে স্কুল বদল করাও নিরাপদ নয়। সব জায়গায় একই অবস্থা।’
এই পরিস্থিতিতে দিল্লি সরকার ১০ জুন ‘দিল্লি স্কুল এডুকেশন (ফি নির্ধারণে স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ২০২৫’ অনুমোদন করেছে। এটি কার্যকর হতে রাজ্যপালের অনুমোদন প্রয়োজন। রাজ্য শিক্ষামন্ত্রী আশিস সূদ জানিয়েছেন, নতুন আইনে বেসরকারি স্কুলের বেতন নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর হবে। তবে অভিভাবকেরা বলছেন, তাঁদের মতামত নিয়েই আইন তৈরি করতে হবে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিখা শর্মা বাগ্গা বলেন, ‘প্রতি বছর শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগে স্কুলের আর্থিক হিসাব নিরীক্ষা করা উচিত। তাহলে অভিভাবকেরা বুঝবেন, তাঁরা কী কারণে টাকা দিচ্ছেন।’
এদিকে, দ্বারকায় আদিত্য এখনো স্কুলে ফেরার অপেক্ষায়। যদিও খবরে বলা হয়েছে, দিল্লি পাবলিক স্কুল বহিষ্কৃত ছাত্রদের ফিরিয়ে নেবে। তবে আদিত্যর বাবা দিব্য মাত্তে বলেন, ‘স্কুল কিছুটা ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। কিন্তু এখনো আমার ছেলের নাম তালিকায় ওঠেনি। কোনো অ্যাসাইনমেন্টও দেয়নি।’
তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে মাত্র ১৪ বছরের। তার এখন শুধু পড়াশোনার চিন্তা করার কথা। কিন্তু ওকে ভাবতে হচ্ছে, কাল ক্লাসে বসতে পারবে কি না।’

সশস্ত্র কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো ইরাক থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ইরানে প্রবেশের চেষ্টা করেছে। রয়টার্সকে এমনটা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট তিনটি সূত্র। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের ওপর কয়েক দিনের কঠোর দমন-পীড়নের পর সৃষ্ট অস্থিরতার সুযোগ নেওয়ার জন্য দেশটিতে বিদেশি শক্তিগুলোর সম্ভাব্য অস্থিরতা...
৩৭ মিনিট আগে
আর্কটিক মহাদেশের উত্তরের বৃহৎ দ্বীপগুলোর মধ্যে গ্রিনল্যান্ড শুধু ভৌগোলিক দিক থেকে নয়, কৌশলগত এবং জিওপলিটিক মাত্রায়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর অবস্থান, আঞ্চলিক নিরাপত্তাকাঠামোতে বাফার ভূমিকা, উত্তরের সমুদ্রপথে প্রভাব এবং সম্ভাব্য প্রাকৃতিক সম্পদ—সব মিলিয়ে এটি এখন আন্তর্জাতিক শক্তি...
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির পথে রাশিয়া নয়, বরং ইউক্রেন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাঁর এই বক্তব্য ইউরোপীয় মিত্রদের অবস্থানের সম্পূর্ণ বিপরীত, যারা ক্রমাগত যুক্তি দিয়ে আসছে, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মস্কোর আগ্রহ খুবই সামান্য।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তাঁকে এই মর্মে ‘আশ্বস্ত’ করা হয়েছে যে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা বন্ধ হয়েছে। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তেহরানের পক্ষ থেকে ফাঁসি কার্যকর করার ‘কোনো পরিকল্পনা নেই।’
১ ঘণ্টা আগে