দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন
আজকের পত্রিকা ডেস্ক

নেপালের পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গেও ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সংকট দেখা দিয়েছে। নেপাল ও বাংলাদেশের স্থানীয় পরিবেশকদের কাছে শত শত কোটি রুপির লাইসেন্স ফি বকেয়া রয়েছে ভারতের টিভি সম্প্রচার সংস্থাগুলোর। গত এক বছরে এই সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে বলে এ বিষয়ে অবগত দুজন নির্বাহীর বরাত দিয়ে প্রতিবেদন করেছে দ্য হিন্দু।
নির্বাহীরা বলছেন, এই বকেয়া সমস্যা সবচেয়ে গুরুতর হয়েছে বাংলাদেশে। শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশি টিভি পরিবেশকেরা ভারতীয় সম্প্রচার সংস্থাগুলোকে তাদের চ্যানেলের ফি দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।
নেপাল ও বাংলাদেশে ভারতীয় চ্যানেলগুলোর বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। এই জনপ্রিয়তার কারণে ভারতীয় সম্প্রচারকেরা স্থানীয় পরিবেশকদের ‘ক্লিন ফিড’ সরবরাহ করে, যা বিজ্ঞাপনমুক্ত সরাসরি সম্প্রচার। এর পরেও নেপালে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বকেয়ার পরিমাণ ১০০ কোটি রুপি ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে, এক নির্বাহীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশি সম্প্রচারকদের কাছে বকেয়ার পরিমাণ ২৫০ কোটি রুপির বেশি।
দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহৎ ব্যবসায়িক গ্রুপ বেক্সিমকোসহ অনেক প্রতিষ্ঠান ভারতীয় সম্প্রচারকদের পাওনা পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রেমিট্যান্স ছাড়পত্র পায়নি। এ ছাড়া, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কূটনীতিক ও রাজনীতিবিদদের মধ্যে সম্প্রচারকদের বাণিজ্যিক উদ্বেগ নিয়ে খুব বেশি আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না বলে এক নির্বাহী জানিয়েছেন।
এদিকে, নেপালে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ভারতীয় চ্যানেলগুলো সরকারের সঙ্গে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। দেশটির যোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ‘আ লা কার্তে’ নামক একটি মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি কার্যকর করতে মাত্র দুই দিনের সময় দিয়েছিল। এই পদ্ধতি কার্যকর না হওয়ায় নেপাল সরকার ভারতীয় সম্প্রচার সংস্থাগুলোর পাওনা পরিশোধের জন্য বিদেশি মুদ্রা ছাড় করা বন্ধ করে দিয়েছে।
এদিকে বিপুল বকেয়া থাকা সত্ত্বেও ভারতীয় সম্প্রচারকেরা ফিড বন্ধ করতে দ্বিধাবোধ করছেন। এ বিষয়ে একজন নির্বাহী জানিয়েছেন, যদি তাঁরা ফিড বন্ধ করে দেন, তাহলে বাংলাদেশের পরিবেশকেরা সহজেই পাইরেটেড ফিড ব্যবহার করতে পারে। এতে করে বকেয়া লাইসেন্স ফি আদায়ের সব আশা শেষ হয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে এই বাজারে পুনরায় প্রবেশ করা কঠিন হয়ে পড়বে। ২০২৩ সালে এয়ারটেল নেপালে তাদের সংযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিল, যা পরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পুনরায় চালু করা হয়।
এই ক্রমবর্ধমান সমস্যার মধ্যে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে. পি. শর্মা ওলির আগামী সেপ্টেম্বরে ভারত সফরের কথা রয়েছে। এর আগে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি সম্প্রতি কাঠমান্ডু সফর করেছেন। তবে, দ্য হিন্দু এ বিষয়ে জানতে চাইলে নেপালের দূতাবাস, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশন এবং ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে দেশে আইন করা হয়, বিদেশি চ্যানেল বিদেশি বিজ্ঞাপনমুক্তভাবে প্রচার করতে হবে। কিন্তু স্থানীয় কেবল টিভি প্রোভাইডাররা তা বারবার সময় নিলেও বাস্তবায়ন করেনি। পরে ২০২১ সালের ১ অক্টোবর থেকে তা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেয় তৎকালীন সরকার। এরপর অধিকাংশ বিদেশি টিভি চ্যানেল প্রদর্শন বন্ধ হয়ে যায়। তবে পরে ক্লিন ফিডেই সম্প্রচার শুরু করে অনেক চ্যানেল।

নেপালের পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গেও ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সংকট দেখা দিয়েছে। নেপাল ও বাংলাদেশের স্থানীয় পরিবেশকদের কাছে শত শত কোটি রুপির লাইসেন্স ফি বকেয়া রয়েছে ভারতের টিভি সম্প্রচার সংস্থাগুলোর। গত এক বছরে এই সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে বলে এ বিষয়ে অবগত দুজন নির্বাহীর বরাত দিয়ে প্রতিবেদন করেছে দ্য হিন্দু।
নির্বাহীরা বলছেন, এই বকেয়া সমস্যা সবচেয়ে গুরুতর হয়েছে বাংলাদেশে। শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশি টিভি পরিবেশকেরা ভারতীয় সম্প্রচার সংস্থাগুলোকে তাদের চ্যানেলের ফি দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।
নেপাল ও বাংলাদেশে ভারতীয় চ্যানেলগুলোর বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। এই জনপ্রিয়তার কারণে ভারতীয় সম্প্রচারকেরা স্থানীয় পরিবেশকদের ‘ক্লিন ফিড’ সরবরাহ করে, যা বিজ্ঞাপনমুক্ত সরাসরি সম্প্রচার। এর পরেও নেপালে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বকেয়ার পরিমাণ ১০০ কোটি রুপি ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে, এক নির্বাহীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশি সম্প্রচারকদের কাছে বকেয়ার পরিমাণ ২৫০ কোটি রুপির বেশি।
দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহৎ ব্যবসায়িক গ্রুপ বেক্সিমকোসহ অনেক প্রতিষ্ঠান ভারতীয় সম্প্রচারকদের পাওনা পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রেমিট্যান্স ছাড়পত্র পায়নি। এ ছাড়া, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কূটনীতিক ও রাজনীতিবিদদের মধ্যে সম্প্রচারকদের বাণিজ্যিক উদ্বেগ নিয়ে খুব বেশি আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না বলে এক নির্বাহী জানিয়েছেন।
এদিকে, নেপালে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ভারতীয় চ্যানেলগুলো সরকারের সঙ্গে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। দেশটির যোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ‘আ লা কার্তে’ নামক একটি মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি কার্যকর করতে মাত্র দুই দিনের সময় দিয়েছিল। এই পদ্ধতি কার্যকর না হওয়ায় নেপাল সরকার ভারতীয় সম্প্রচার সংস্থাগুলোর পাওনা পরিশোধের জন্য বিদেশি মুদ্রা ছাড় করা বন্ধ করে দিয়েছে।
এদিকে বিপুল বকেয়া থাকা সত্ত্বেও ভারতীয় সম্প্রচারকেরা ফিড বন্ধ করতে দ্বিধাবোধ করছেন। এ বিষয়ে একজন নির্বাহী জানিয়েছেন, যদি তাঁরা ফিড বন্ধ করে দেন, তাহলে বাংলাদেশের পরিবেশকেরা সহজেই পাইরেটেড ফিড ব্যবহার করতে পারে। এতে করে বকেয়া লাইসেন্স ফি আদায়ের সব আশা শেষ হয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে এই বাজারে পুনরায় প্রবেশ করা কঠিন হয়ে পড়বে। ২০২৩ সালে এয়ারটেল নেপালে তাদের সংযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিল, যা পরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পুনরায় চালু করা হয়।
এই ক্রমবর্ধমান সমস্যার মধ্যে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে. পি. শর্মা ওলির আগামী সেপ্টেম্বরে ভারত সফরের কথা রয়েছে। এর আগে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি সম্প্রতি কাঠমান্ডু সফর করেছেন। তবে, দ্য হিন্দু এ বিষয়ে জানতে চাইলে নেপালের দূতাবাস, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশন এবং ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে দেশে আইন করা হয়, বিদেশি চ্যানেল বিদেশি বিজ্ঞাপনমুক্তভাবে প্রচার করতে হবে। কিন্তু স্থানীয় কেবল টিভি প্রোভাইডাররা তা বারবার সময় নিলেও বাস্তবায়ন করেনি। পরে ২০২১ সালের ১ অক্টোবর থেকে তা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেয় তৎকালীন সরকার। এরপর অধিকাংশ বিদেশি টিভি চ্যানেল প্রদর্শন বন্ধ হয়ে যায়। তবে পরে ক্লিন ফিডেই সম্প্রচার শুরু করে অনেক চ্যানেল।

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের এক মেডিকেল কলেজ বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। মুসলিম শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় ডানপন্থী হিন্দু সংগঠনগুলোর টানা প্রতিবাদের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতের চিকিৎসা শিক্ষা ও চিকিৎসা কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশন (এনএমসি)...
১ ঘণ্টা আগে
চীনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা উন্মুক্ত সাইবারস্পেস থেকে উচ্চমূল্যের সামরিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে কোয়ান্টাম প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) জানিয়েছে, কোয়ান্টামভিত্তিক ১০ টিরও বেশি পরীক্ষামূলক সাইবার যুদ্ধ সরঞ্জাম বর্তমানে ‘উন্নয়নাধীন।’
১ ঘণ্টা আগে
প্রায় পাঁচ ঘণ্টা আকাশপথ বন্ধ রাখার পর ইরান আবারও তাদের আকাশসীমা খুলে দিয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে বহু এয়ারলাইনসকে ফ্লাইট বাতিল, রুট পরিবর্তন কিংবা বিলম্ব করতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের আশঙ্কায় ইরান আকাশপথ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা দলকে জানিয়েছেন, ইরানে যদি যুক্তরাষ্ট্র কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে সেটি যেন খুব দ্রুত এবং চূড়ান্ত আঘাত হয়। তিনি সপ্তাহ বা মাসের পর মাস ধরে চলতে থাকা কোনো যুদ্ধ চান না। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ এক মার্কিন কর্মকর্তা, আলোচনার...
৩ ঘণ্টা আগে