
ভারতের হিমাচল রাজ্যে দেশটির পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার একটি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল মঙ্গলবার। আর এই নির্বাচনে জয়লাভ করেছে বিজেপি। অথচ রাজ্যের ক্ষমতায় আছে কংগ্রেস সরকার। আর রাজ্যসভা আসনে জয়ের পর এবার বিজেপি নজর দিয়েছে কংগ্রেস সরকারের পতনের দিকে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এরই মধ্যে রাজ্যের বিরোধী দলগুলোর বিধায়কেরা বিজেপির বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে রাজ্যের গভর্নরের সঙ্গে দেখা করেছেন। তাঁরা হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখুর নেতৃত্বে কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন। মূলত রাজ্যসভা নির্বাচনের সময় কতিপয় কংগ্রেস বিধায়ক বিজেপি প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে।
রাজ্যসভা নির্বাচনে জয়ী বিজেপি নেতা হর্ষ মহাজন বলেছেন, ‘আমাদের সম্ভাবনা খুব কম থাকলেও আমরা জয় তুলে নিয়েছি।’ এদিকে রাজ্যসভা নির্বাচনে হারের পর কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে বিজেপি। সরকারপতনের দৃঢ় প্রতিজ্ঞা নিয়ে হিমাচলের গভর্নর শিব প্রতাপ শুক্লার সঙ্গে দেখা করেছেন বিজেপি ও বিরোধীদলীয় বিধায়কেরা।
হিমাচল বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা জয়রাম ঠাকুর বলেছেন, ‘কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছে।’ তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, বিরোধী বিধায়কেরা বিধানসভার স্পিকার কুলদীপ সিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। আমরা গভর্নরের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ দিয়েছি।’
উল্লেখ্য, ৬৮ আসনের হিমাচল বিধানসভায় কংগ্রেসের আছে ৪০টি আসন। ধারণা করা হচ্ছিল, রাজ্যসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী অভিষেক মানু সিংভি সহজেই উতরে যাবেন। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। কারণ, কংগ্রেসের ছয় বিধায়ক ও স্বতন্ত্র তিন বিধায়ক বিজেপির হর্ষ মহাজনকে সমর্থন দেন। বিধানসভায় বিজেপির এককভাবে ২৫টি আসন আছে। বিরোধী দলগুলোর সদস্যরাও বিজেপির প্রার্থীকেই ভোট দেন।

ভারতের হিমাচল রাজ্যে দেশটির পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার একটি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল মঙ্গলবার। আর এই নির্বাচনে জয়লাভ করেছে বিজেপি। অথচ রাজ্যের ক্ষমতায় আছে কংগ্রেস সরকার। আর রাজ্যসভা আসনে জয়ের পর এবার বিজেপি নজর দিয়েছে কংগ্রেস সরকারের পতনের দিকে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এরই মধ্যে রাজ্যের বিরোধী দলগুলোর বিধায়কেরা বিজেপির বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে রাজ্যের গভর্নরের সঙ্গে দেখা করেছেন। তাঁরা হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখুর নেতৃত্বে কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন। মূলত রাজ্যসভা নির্বাচনের সময় কতিপয় কংগ্রেস বিধায়ক বিজেপি প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে।
রাজ্যসভা নির্বাচনে জয়ী বিজেপি নেতা হর্ষ মহাজন বলেছেন, ‘আমাদের সম্ভাবনা খুব কম থাকলেও আমরা জয় তুলে নিয়েছি।’ এদিকে রাজ্যসভা নির্বাচনে হারের পর কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে বিজেপি। সরকারপতনের দৃঢ় প্রতিজ্ঞা নিয়ে হিমাচলের গভর্নর শিব প্রতাপ শুক্লার সঙ্গে দেখা করেছেন বিজেপি ও বিরোধীদলীয় বিধায়কেরা।
হিমাচল বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা জয়রাম ঠাকুর বলেছেন, ‘কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছে।’ তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, বিরোধী বিধায়কেরা বিধানসভার স্পিকার কুলদীপ সিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। আমরা গভর্নরের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ দিয়েছি।’
উল্লেখ্য, ৬৮ আসনের হিমাচল বিধানসভায় কংগ্রেসের আছে ৪০টি আসন। ধারণা করা হচ্ছিল, রাজ্যসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী অভিষেক মানু সিংভি সহজেই উতরে যাবেন। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। কারণ, কংগ্রেসের ছয় বিধায়ক ও স্বতন্ত্র তিন বিধায়ক বিজেপির হর্ষ মহাজনকে সমর্থন দেন। বিধানসভায় বিজেপির এককভাবে ২৫টি আসন আছে। বিরোধী দলগুলোর সদস্যরাও বিজেপির প্রার্থীকেই ভোট দেন।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৭ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৭ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
১০ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
১০ ঘণ্টা আগে