আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো আবারও ভারতের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা করেছেন। গতকাল রোববার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন—ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হচ্ছেন।
চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে মোদি, পুতিন ও সি একসঙ্গে আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন। পরে মোদি ও পুতিন একই গাড়িতে চড়ে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের ভেন্যুতে যান। এ দৃশ্যকে ঘিরে নাভারো তাঁর প্রশ্নটি উত্থাপন করেন।
নাভারো বলেন, ‘মোদি বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রের নেতা। কিন্তু আমি বুঝি না, কেন তিনি পুতিন ও সির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হচ্ছেন।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভারত এখন রাশিয়ার জন্য একটি অর্থ বৈধকরণ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
নাভারো দাবি করেছেন, মার্কিন শুল্কনীতির চাপই ভারত, রাশিয়া ও চীনকে পশ্চিমা প্রভাব মোকাবিলায় আরও কাছাকাছি এনেছে।
ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের ওপর সাম্প্রতিক সময়ে ৫০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করেছে। এর মধ্যে রাশিয়ার তেল ও অস্ত্র কেনায় বাড়তি ২৫ শতাংশ শাস্তিমূলক কর যুক্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, এই অর্থই ইউক্রেনে যুদ্ধ চালাতে রাশিয়াকে সহায়তা করছে।
নাভারো ভারতকে ‘মহারাজা অব ট্যারিফস’ বা ‘শুল্কের মহারাজা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তাঁর ভাষায়, ‘ভারত আমাদের কাছে বাজার খুলছে না। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন মার্কিন শ্রমিক ও করদাতারা আর ইউক্রেনের মানুষ মারা যাচ্ছেন রুশ ড্রোন হামলায়।’
ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়েও নাভারো মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ভারতের ব্রাহ্মণেরা সাধারণ মানুষের ক্ষতির বিনিময়ে মুনাফা করছে। ভারতের বর্ণব্যবস্থার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, জনগণের এ বাস্তবতা বোঝা উচিত।
ভারত অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। নয়াদিল্লি জানিয়েছে, ৫০ শতাংশ শুল্ক ‘অন্যায্য ও অযৌক্তিক’। দেশটি ১৪০ কোটির বেশি মানুষের জন্য সবচেয়ে ভালো দামে জ্বালানি নিশ্চিত করতে রাশিয়ার তেল কিনছে। বর্তমানে ভারতের তেলের ৩৫–৪০ শতাংশ আসে রাশিয়া থেকে, যা ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির আগে ছিল মাত্র ২ শতাংশেরও কম।
ভারত ও রাশিয়া ঘোষণা করেছে—আগামী পাঁচ বছরে তাদের বার্ষিক বাণিজ্য ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করবে। অন্যদিকে ট্রাম্প নিজেও বারবার ভারতের বাণিজ্যনীতি ও শুল্ককে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বিরক্তিকর ও অন্যায্য’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি এমনকি সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ভারত ও রাশিয়াকে ‘মৃত অর্থনীতি’ বলেও আখ্যায়িত করেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো আবারও ভারতের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা করেছেন। গতকাল রোববার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন—ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হচ্ছেন।
চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে মোদি, পুতিন ও সি একসঙ্গে আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন। পরে মোদি ও পুতিন একই গাড়িতে চড়ে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের ভেন্যুতে যান। এ দৃশ্যকে ঘিরে নাভারো তাঁর প্রশ্নটি উত্থাপন করেন।
নাভারো বলেন, ‘মোদি বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রের নেতা। কিন্তু আমি বুঝি না, কেন তিনি পুতিন ও সির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হচ্ছেন।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভারত এখন রাশিয়ার জন্য একটি অর্থ বৈধকরণ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
নাভারো দাবি করেছেন, মার্কিন শুল্কনীতির চাপই ভারত, রাশিয়া ও চীনকে পশ্চিমা প্রভাব মোকাবিলায় আরও কাছাকাছি এনেছে।
ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের ওপর সাম্প্রতিক সময়ে ৫০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করেছে। এর মধ্যে রাশিয়ার তেল ও অস্ত্র কেনায় বাড়তি ২৫ শতাংশ শাস্তিমূলক কর যুক্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, এই অর্থই ইউক্রেনে যুদ্ধ চালাতে রাশিয়াকে সহায়তা করছে।
নাভারো ভারতকে ‘মহারাজা অব ট্যারিফস’ বা ‘শুল্কের মহারাজা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তাঁর ভাষায়, ‘ভারত আমাদের কাছে বাজার খুলছে না। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন মার্কিন শ্রমিক ও করদাতারা আর ইউক্রেনের মানুষ মারা যাচ্ছেন রুশ ড্রোন হামলায়।’
ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়েও নাভারো মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ভারতের ব্রাহ্মণেরা সাধারণ মানুষের ক্ষতির বিনিময়ে মুনাফা করছে। ভারতের বর্ণব্যবস্থার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, জনগণের এ বাস্তবতা বোঝা উচিত।
ভারত অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। নয়াদিল্লি জানিয়েছে, ৫০ শতাংশ শুল্ক ‘অন্যায্য ও অযৌক্তিক’। দেশটি ১৪০ কোটির বেশি মানুষের জন্য সবচেয়ে ভালো দামে জ্বালানি নিশ্চিত করতে রাশিয়ার তেল কিনছে। বর্তমানে ভারতের তেলের ৩৫–৪০ শতাংশ আসে রাশিয়া থেকে, যা ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির আগে ছিল মাত্র ২ শতাংশেরও কম।
ভারত ও রাশিয়া ঘোষণা করেছে—আগামী পাঁচ বছরে তাদের বার্ষিক বাণিজ্য ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করবে। অন্যদিকে ট্রাম্প নিজেও বারবার ভারতের বাণিজ্যনীতি ও শুল্ককে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বিরক্তিকর ও অন্যায্য’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি এমনকি সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ভারত ও রাশিয়াকে ‘মৃত অর্থনীতি’ বলেও আখ্যায়িত করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
১ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
১ ঘণ্টা আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
৩ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে