কলকাতা প্রতিনিধি

ভারতীয় পণ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পর থেকেই মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ বিরোধীরা। এরই জেরে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
গতকাল রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) আম আদমি পার্টি নেতা মোদির দিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, ‘সাহস থাকলে মার্কিন পণ্যের ওপর ৭৫ শতাংশ কর চাপান।’
গুজরাটের রাজকোটে এক সংবাদ সম্মেলনে এই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি। কেজরিওয়ালের দাবি, মার্কিন তুলার ওপর থেকে শুল্ক তুলে দেওয়ায় গুজরাটের তুলাচাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘আমেরিকা থেকে আগত তুলার ওপর থেকে ১১ শতাংশ শুল্ক তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শুল্কমুক্ত তুলা রপ্তানি করতে পারবে আমেরিকা। ফলে গুজরাটের তুলাচাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত আর মার্কিন চাষিরা লাভবান হবেন। ওয়াশিংটন আমাদের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছে। পারলে আপনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর ৭৫ শতাংশ শুল্ক বসান।’
তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা আনা হলে ভারতের চাষিরা বাজারে ৯০০ টাকারও কম পাবেন। আমাদের দেশের চাষিদের সঙ্গে এটাই হচ্ছে। মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তের কারণে গুজরাটের চাষিরা দরিদ্র হয়ে যাবেন আর আমেরিকার চাষিরা হবেন ধনী।’
কেজরিওয়াল আরও অভিযোগ করেন মার্কিন তুলার ওপর থেকে শুল্ক তুলে দিয়ে ভারতের চাষিদের আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দিচ্ছে মোদি সরকার।
সেই সঙ্গে মার্কিন শুল্কের কারণে ভারতের হিরা ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন কেজরিওয়াল। মোদি সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে হাঁটু গেড়ে বসে পড়েছে মোদি সরকার। আমেরিকা থেকে আমদানি করা তুলার ওপর ভারতের ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা উচিত। তাহলে আমেরিকাও ভারতের সামনে নতজানু হতে বাধ্য হবে।’
এ সময় ট্রাম্পকে কাপুরুষ বলেও আখ্যায়িত করেন তিনি। বলেন, ‘ট্রাম্প একজন ভীরু, কাপুরুষ মানুষ! তার বিশ্বের সব দেশের সামনে নতজানু হওয়া উচিত।’

ভারতীয় পণ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পর থেকেই মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ বিরোধীরা। এরই জেরে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
গতকাল রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) আম আদমি পার্টি নেতা মোদির দিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, ‘সাহস থাকলে মার্কিন পণ্যের ওপর ৭৫ শতাংশ কর চাপান।’
গুজরাটের রাজকোটে এক সংবাদ সম্মেলনে এই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি। কেজরিওয়ালের দাবি, মার্কিন তুলার ওপর থেকে শুল্ক তুলে দেওয়ায় গুজরাটের তুলাচাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘আমেরিকা থেকে আগত তুলার ওপর থেকে ১১ শতাংশ শুল্ক তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শুল্কমুক্ত তুলা রপ্তানি করতে পারবে আমেরিকা। ফলে গুজরাটের তুলাচাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত আর মার্কিন চাষিরা লাভবান হবেন। ওয়াশিংটন আমাদের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছে। পারলে আপনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর ৭৫ শতাংশ শুল্ক বসান।’
তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা আনা হলে ভারতের চাষিরা বাজারে ৯০০ টাকারও কম পাবেন। আমাদের দেশের চাষিদের সঙ্গে এটাই হচ্ছে। মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তের কারণে গুজরাটের চাষিরা দরিদ্র হয়ে যাবেন আর আমেরিকার চাষিরা হবেন ধনী।’
কেজরিওয়াল আরও অভিযোগ করেন মার্কিন তুলার ওপর থেকে শুল্ক তুলে দিয়ে ভারতের চাষিদের আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দিচ্ছে মোদি সরকার।
সেই সঙ্গে মার্কিন শুল্কের কারণে ভারতের হিরা ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন কেজরিওয়াল। মোদি সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে হাঁটু গেড়ে বসে পড়েছে মোদি সরকার। আমেরিকা থেকে আমদানি করা তুলার ওপর ভারতের ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা উচিত। তাহলে আমেরিকাও ভারতের সামনে নতজানু হতে বাধ্য হবে।’
এ সময় ট্রাম্পকে কাপুরুষ বলেও আখ্যায়িত করেন তিনি। বলেন, ‘ট্রাম্প একজন ভীরু, কাপুরুষ মানুষ! তার বিশ্বের সব দেশের সামনে নতজানু হওয়া উচিত।’

ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
১৬ মিনিট আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
২ ঘণ্টা আগে
তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
৩ ঘণ্টা আগে