
পেহেলগামে হামলার জেরে পাকিস্তানে চালানো ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ একটি চলমান অভিযান। এটি এখনো শেষ হয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তান হামলা করলে ভারত কঠিন জবাব দেবে বলে জানিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি আরও বলেন, অপারেশন সিঁদুর অভিযানে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বিভিন্ন স্থানে ভারতের হামলায় অন্তত ১০০ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত সর্বদলীয় বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বৈঠকের পর সংসদবিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি নিয়ে একটি রাজনৈতিক ঐকমত্যের জন্য এই বৈঠক আহ্বান করা হয়েছিল। নেতারা সবাই এই বিষয়ে একমত হয়েছেন, কেউ বাগ্বিতণ্ডায় জড়াননি। তিনি বলেন, নেতারা জাতীয় নিরাপত্তা এবং সকল ভারতীয়ের, বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং এই অভিযানে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।
কিরেণ রিজিজু আরও বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে ‘সমগ্র জাতি সরকার ও সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ’। রিজিজু বলেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী বৈঠকে বলেছেন, ‘আমরা শুধু সরকার গঠনের জন্য রাজনীতি করি না, জাতি গঠনের জন্যও করি। অপারেশন সিঁদুর একটি চলমান অভিযান, এ কারণে প্রতিরক্ষামন্ত্রী এর কারিগরি বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারেননি। বৈঠকে কোনো সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন না, কারণ তাঁরা অভিযানে ব্যস্ত ছিলেন।’
রাজ্যসভার বিরোধী দলের নেতা ও কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘সংকটের মুহূর্তে আমরা সরকারের সঙ্গে আছি।’ তিনি জানান, বৈঠকে সরকার কী বলেছে, তাঁরা তা শুনেছেন। নিরাপত্তার দিক থেকে কিছু জিনিস গোপনীয়, তাই সব বিষয়ে আলোচনা করা যাবে না বলে জানিয়েছে সরকার।
মল্লিকার্জুন খাড়গে আরও বলেন, ‘আমরা সবাই বলেছি, এই কঠিন সময়ে আমরা তাদের সঙ্গে আছি...।’
তবে এই বৈঠকেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অনুপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটি একটি কঠিন সময় এবং আমরা কারোর সমালোচনা করতে চাই না।’
বৈঠকে সর্বভারতীয় মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের (এআইএমআইএম) প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়াইসি অপারেশন সিঁদুর অভিযান পরিচালনার জন্য সশস্ত্র বাহিনী ও ভারত সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘পেহেলগাম হামলার জন্য দায়ী সশস্ত্র গোষ্ঠী টিআরএফের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রচারণা চালানো উচিত এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ও যুক্তরাষ্ট্রের উচিত এটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করা।’
লোকসভা ও রাজ্যসভার বিরোধী দলের নেতাসহ বিভিন্ন দলের নেতা এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং বিজেপি সভাপতি ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, দুই সপ্তাহ আগে কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ পর্যটক নিহত হন। ভারত এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ৬-৭ মে (মঙ্গল-বুধবার) পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি স্থানে সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ভারত।
এই সামরিক হামলা ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে পরিচালিত হয়েছিল। ভারতের হামলার লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে বাহাওয়ালপুরের জইশ-ই-মুহাম্মদের শক্ত ঘাঁটি এবং মুরিদকের লস্কর-ই-তাইয়েবার ঘাঁটি অন্তর্ভুক্ত ছিল।

অ্যাডলফ হিটলারের ভাগনি অ্যাঞ্জেলা ‘গেলি’ রাউবালের মৃত্যু নিয়ে প্রায় ৯৫ বছর পর নতুন করে রহস্য তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি জার্মানির আর্কাইভ থেকে উদ্ধার হওয়া কিছু নথি ইঙ্গিত দিচ্ছে, ১৯৩১ সালে মিউনিখে হিটলারের অ্যাপার্টমেন্টে রাউবালের মৃত্যুর প্রচলিত সময়সীমা ভুল হতে পারে।
৮ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানি এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ওই সাংবাদিক ভারত সরকার ‘পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদে পৃষ্ঠপোষকতা’ বন্ধ করবে কবে—এমন প্রশ্ন করলে জয়শঙ্কর পাল্টা প্রশ্ন করেন—‘একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র আমাকে এই প্রশ্ন করছে?’
৯ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। তবে তাঁর ভাষণের বিষয়বস্তুর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল আরেকটি বিষয়—মঞ্চে দাঁড়িয়ে তাঁর চোখে থাকা কালো সানগ্লাস...
১০ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বাংলাদেশসহ কয়েক ডজন দেশের প্রতিনিধিদল প্রতিবাদস্বরূপ ওয়াকআউট করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে নেতানিয়াহু বক্তব্য শুরু করার পরপরই বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও নেতারা সভাকক্ষ ত্যাগ করে
১০ ঘণ্টা আগে