আজকের পত্রিকা ডেস্ক

তুরস্কভিত্তিক গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সংস্থা সেলেবি এভিয়েশনের লাইসেন্স বাতিল করেছে ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা শাখা (বিসিএএস)। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ মে) দেওয়া এক আদেশে ‘জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে’ সংস্থাটির অনুমোদন তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহারের কথা জানায় বিসিএএস।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেলেবি এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস বর্তমানে মুম্বাই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ, কোচিন, কন্নড়, চেন্নাই, গোয়ার মোপা বিমানবন্দরসহ দেশের ৯টি প্রধান বিমানবন্দরে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা দিয়ে আসছে। এ ছাড়া তারা বিশাখাপট্টনম বিমানবন্দরেও কার্যক্রম শুরু করার প্রক্রিয়ায় ছিল।
তবে লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সংস্থাটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, ‘সেলেবির ভারতীয় কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে ভারতীয় নাগরিকদের দ্বারা পরিচালিত। এটি কোনোভাবেই তুর্কি প্রতিষ্ঠান নয়। সংস্থাটি স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও করপোরেট গভর্ন্যান্সের আন্তর্জাতিক মান মেনে চলে এবং কোনো বিদেশি সরকারের সঙ্গে এর কোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই।’
এর আগে একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা সেলেবির কার্যক্রম বাতিলের দাবি তোলে। শিবসেনার বিধায়ক মুরজি প্যাটেল মুম্বাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে লেখা চিঠিতে বলেন, তুরস্ক অতীতে পাকিস্তানকে সমর্থন দিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। ফলে তুর্কি সংস্থা সেলেবির বিমানবন্দরে উপস্থিতি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
জবাবে সেলেবির সিইও এক চিঠিতে জানান, ‘আমরা কোনো বিদেশি সরকারের সঙ্গে জড়িত নই। ভারতের বাজারে আমরা ভারতীয় নাগরিকদের নেতৃত্বে কাজ করি। সংস্থার পরিচালনা পর্ষদে কোনো তুর্কি নাগরিক নেই। মুম্বাইয়ে আমাদের ৩ হাজারের বেশি ভারতীয় কর্মী কাজ করছেন। এফডিআই নীতিমালার আওতায় এবং এফআইপিবি অনুমোদন নিয়ে বিনিয়োগ করা হয়েছে।’
তাঁর বক্তব্যে আরও বলা হয়, সংস্থার প্রত্যেক কর্মী পুলিশ ভেরিফিকেশন ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ছাড়পত্রের পর কাজের জন্য বিমানবন্দরে নিযুক্ত হন।
সরকারি সিদ্ধান্তে কার্যক্রম স্থগিত হওয়ায় এখন সংস্থাটির ভবিষ্যৎ কার্যক্রম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ভারত-পাকিস্তানের গত কয়েক দিনের সংঘাতে তুরস্ক খোলাখুলিভাবে পাকিস্তানকে সমর্থন করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এ কারণেই ভারত সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তুরস্কভিত্তিক গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সংস্থা সেলেবি এভিয়েশনের লাইসেন্স বাতিল করেছে ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা শাখা (বিসিএএস)। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ মে) দেওয়া এক আদেশে ‘জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে’ সংস্থাটির অনুমোদন তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহারের কথা জানায় বিসিএএস।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেলেবি এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস বর্তমানে মুম্বাই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ, কোচিন, কন্নড়, চেন্নাই, গোয়ার মোপা বিমানবন্দরসহ দেশের ৯টি প্রধান বিমানবন্দরে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা দিয়ে আসছে। এ ছাড়া তারা বিশাখাপট্টনম বিমানবন্দরেও কার্যক্রম শুরু করার প্রক্রিয়ায় ছিল।
তবে লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সংস্থাটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, ‘সেলেবির ভারতীয় কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে ভারতীয় নাগরিকদের দ্বারা পরিচালিত। এটি কোনোভাবেই তুর্কি প্রতিষ্ঠান নয়। সংস্থাটি স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও করপোরেট গভর্ন্যান্সের আন্তর্জাতিক মান মেনে চলে এবং কোনো বিদেশি সরকারের সঙ্গে এর কোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই।’
এর আগে একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা সেলেবির কার্যক্রম বাতিলের দাবি তোলে। শিবসেনার বিধায়ক মুরজি প্যাটেল মুম্বাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে লেখা চিঠিতে বলেন, তুরস্ক অতীতে পাকিস্তানকে সমর্থন দিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। ফলে তুর্কি সংস্থা সেলেবির বিমানবন্দরে উপস্থিতি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
জবাবে সেলেবির সিইও এক চিঠিতে জানান, ‘আমরা কোনো বিদেশি সরকারের সঙ্গে জড়িত নই। ভারতের বাজারে আমরা ভারতীয় নাগরিকদের নেতৃত্বে কাজ করি। সংস্থার পরিচালনা পর্ষদে কোনো তুর্কি নাগরিক নেই। মুম্বাইয়ে আমাদের ৩ হাজারের বেশি ভারতীয় কর্মী কাজ করছেন। এফডিআই নীতিমালার আওতায় এবং এফআইপিবি অনুমোদন নিয়ে বিনিয়োগ করা হয়েছে।’
তাঁর বক্তব্যে আরও বলা হয়, সংস্থার প্রত্যেক কর্মী পুলিশ ভেরিফিকেশন ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ছাড়পত্রের পর কাজের জন্য বিমানবন্দরে নিযুক্ত হন।
সরকারি সিদ্ধান্তে কার্যক্রম স্থগিত হওয়ায় এখন সংস্থাটির ভবিষ্যৎ কার্যক্রম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ভারত-পাকিস্তানের গত কয়েক দিনের সংঘাতে তুরস্ক খোলাখুলিভাবে পাকিস্তানকে সমর্থন করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এ কারণেই ভারত সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৯ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৯ ঘণ্টা আগে