
জেলার নাম পরিবর্তন নিয়ে ছড়িয়ে পড়া সংঘর্ষের জেরে বিক্ষুব্ধ জনতা ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের পরিবহনমন্ত্রী পিনিপে বিশ্বরূপুর বাড়িতে আগুন দিয়েছে। তবে মন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের পুলিশ নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরের পর অন্ধ্র প্রদেশের অমলাপুরম শহরে এই ঘটনা ঘটে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্ধ্র প্রদেশের কোনাসিমা জেলার নাম পরিবর্তন করে বি আর আম্বেদকর কোনাসিমা জেলা হিসেবে নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু এর প্রতিবাদ জানায় কোনাসিমা সাধনা সমিতি। এ নিয়ে প্রতিবাদ জানাতে আজ মঙ্গলবার বিক্ষোভের আয়োজন করে সাধনা সমিতি।
এ সময় তারা নাম পরিবর্তনের বিরোধিতা করে ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর হিমাংশু শুকলার কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু পুলিশ এতে বাধা দিয়ে লাঠিপেটা করে। এতে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষোভকারীরা ওই মন্ত্রীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়।
এ ঘটনায় মন্ত্রীর বাড়ি ছাড়াও বিক্ষোভকারীরা একটি পুলিশের গাড়ি ও একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ ছাড়া বিক্ষোভকারীদের ছোড়া পাথরে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
প্রদেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তনেতি বনিতা বলেছেন, বি আর আম্বেদকরের নাম অন্তর্ভুক্ত করায় গর্বিত হওয়ার পরিবর্তে, সমাজ বিরোধী উপাদান সহিংসতা উসকে দিচ্ছে—এমনকি বেসরকারি স্কুল বাসেও আগুন দিয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, ‘কিছু রাজনৈতিক দল অগ্নিসংযোগে প্ররোচনা দিয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২০ জন আহত হয়েছেন। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা এ ঘটনার তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনব।’
গত ৪ এপ্রিল অন্ধ্র প্রদেশের পূর্বে অবস্থিত পূর্ব গোদাবরী জেলা থেকে আলাদা করে কোনাসিমা জেলাটি গঠন করা হয়। এরপর গত সপ্তাহে প্রদেশটির সরকার কোনাসিমা জেলার নাম পরিবর্তন করে বি আর আম্বেদকর কোনাসিমা করার জন্য প্রাথমিক একটি বিজ্ঞপ্তি দেয়। বিজ্ঞপ্তিতে ওই জেলার জনসাধারণের কোনো আপত্তি আছে কি না, সেটিও জানতে চাওয়া হয়।

জেলার নাম পরিবর্তন নিয়ে ছড়িয়ে পড়া সংঘর্ষের জেরে বিক্ষুব্ধ জনতা ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের পরিবহনমন্ত্রী পিনিপে বিশ্বরূপুর বাড়িতে আগুন দিয়েছে। তবে মন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের পুলিশ নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরের পর অন্ধ্র প্রদেশের অমলাপুরম শহরে এই ঘটনা ঘটে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্ধ্র প্রদেশের কোনাসিমা জেলার নাম পরিবর্তন করে বি আর আম্বেদকর কোনাসিমা জেলা হিসেবে নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু এর প্রতিবাদ জানায় কোনাসিমা সাধনা সমিতি। এ নিয়ে প্রতিবাদ জানাতে আজ মঙ্গলবার বিক্ষোভের আয়োজন করে সাধনা সমিতি।
এ সময় তারা নাম পরিবর্তনের বিরোধিতা করে ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর হিমাংশু শুকলার কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু পুলিশ এতে বাধা দিয়ে লাঠিপেটা করে। এতে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষোভকারীরা ওই মন্ত্রীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়।
এ ঘটনায় মন্ত্রীর বাড়ি ছাড়াও বিক্ষোভকারীরা একটি পুলিশের গাড়ি ও একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ ছাড়া বিক্ষোভকারীদের ছোড়া পাথরে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
প্রদেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তনেতি বনিতা বলেছেন, বি আর আম্বেদকরের নাম অন্তর্ভুক্ত করায় গর্বিত হওয়ার পরিবর্তে, সমাজ বিরোধী উপাদান সহিংসতা উসকে দিচ্ছে—এমনকি বেসরকারি স্কুল বাসেও আগুন দিয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, ‘কিছু রাজনৈতিক দল অগ্নিসংযোগে প্ররোচনা দিয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২০ জন আহত হয়েছেন। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা এ ঘটনার তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনব।’
গত ৪ এপ্রিল অন্ধ্র প্রদেশের পূর্বে অবস্থিত পূর্ব গোদাবরী জেলা থেকে আলাদা করে কোনাসিমা জেলাটি গঠন করা হয়। এরপর গত সপ্তাহে প্রদেশটির সরকার কোনাসিমা জেলার নাম পরিবর্তন করে বি আর আম্বেদকর কোনাসিমা করার জন্য প্রাথমিক একটি বিজ্ঞপ্তি দেয়। বিজ্ঞপ্তিতে ওই জেলার জনসাধারণের কোনো আপত্তি আছে কি না, সেটিও জানতে চাওয়া হয়।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৭ ঘণ্টা আগে