আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মুম্বাইকে কথিত অবৈধ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অভিবাসীদের হাত থেকে ‘মুক্ত’ করার অঙ্গীকার করেছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস। আজ রোববার মুম্বাই পৌরসভা (বিএমসি) নির্বাচন উপলক্ষে ক্ষমতাসীন ‘মহায়ুতি’ জোটের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশকালে তিনি এই ঘোষণা দেন। অভিবাসীদের নির্ভুলভাবে শনাক্ত করতে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (আইআইটি) সহায়তায় বিশেষ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।
মুম্বাইয়ের র্যাডিসন ব্লু হোটেলে ইশতেহার উন্মোচন অনুষ্ঠানে বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবিস বলেন, ‘আমরা মুম্বাইকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের হাত থেকে মুক্ত করব। আইআইটির সহায়তায় আমরা একটি এআই টুল তৈরি করব, যা সহজেই অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করতে পারবে।’ এ ছাড়া তিনি প্রতিটি পৌর স্কুলে এআই ল্যাব স্থাপনেরও প্রতিশ্রুতি দেন। বিজেপি নেতৃত্বাধীন এই জোট মূলত ‘প্রযুক্তিনির্ভর শাসন’ এবং মুম্বাইকে ‘বৈশ্বিক পাওয়ার হাউসে’ রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে তাদের নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছে।
তবে মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরপরই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মহারাষ্ট্র কংগ্রেস। দলটির মুখপাত্র শচীন সাওয়ান্ত ফড়নবিসকে ‘স্বপ্নের সওদাগর’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী বর্তমানে রেকর্ড পরিমাণ অবৈধ অভিবাসী শনাক্তের দাবি করলেও এর কোনো দাপ্তরিক তথ্য বা পরিসংখ্যান জনসমক্ষে আনছেন না। তিনি বলেন, সরকার যদি সত্যিই সর্বোচ্চসংখ্যক অবৈধ অভিবাসী শনাক্ত করে থাকে, তবে সেই পরিসংখ্যান সাধারণ মানুষের কাছে প্রকাশ করা উচিত।
শচীন সাওয়ান্ত অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী কেবল ভবিষ্যতের বড় বড় স্বপ্ন দেখান, কিন্তু তিনি অতীতের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি বলেন, ২০১৭ সালের মধ্যে মুম্বাইকে বন্যামুক্ত করার কথা ছিল, কিন্তু তা আজও হয়নি। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষিত ডেডলাইনগুলো কেবল ‘তারিখ পে তারিখ’ (তারিখের পর তারিখ) হিসেবেই থেকে যায়।
উল্লেখ্য, মুম্বাই পৌরসভা নির্বাচনের আগে প্রতিবারই ‘বহিরাগত’ ও অভিবাসী ইস্যু একটি বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায়। এবার এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে অভিবাসী শনাক্তের বিষয়টি ভারতীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

মুম্বাইকে কথিত অবৈধ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অভিবাসীদের হাত থেকে ‘মুক্ত’ করার অঙ্গীকার করেছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস। আজ রোববার মুম্বাই পৌরসভা (বিএমসি) নির্বাচন উপলক্ষে ক্ষমতাসীন ‘মহায়ুতি’ জোটের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশকালে তিনি এই ঘোষণা দেন। অভিবাসীদের নির্ভুলভাবে শনাক্ত করতে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (আইআইটি) সহায়তায় বিশেষ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।
মুম্বাইয়ের র্যাডিসন ব্লু হোটেলে ইশতেহার উন্মোচন অনুষ্ঠানে বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবিস বলেন, ‘আমরা মুম্বাইকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের হাত থেকে মুক্ত করব। আইআইটির সহায়তায় আমরা একটি এআই টুল তৈরি করব, যা সহজেই অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করতে পারবে।’ এ ছাড়া তিনি প্রতিটি পৌর স্কুলে এআই ল্যাব স্থাপনেরও প্রতিশ্রুতি দেন। বিজেপি নেতৃত্বাধীন এই জোট মূলত ‘প্রযুক্তিনির্ভর শাসন’ এবং মুম্বাইকে ‘বৈশ্বিক পাওয়ার হাউসে’ রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে তাদের নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছে।
তবে মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরপরই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মহারাষ্ট্র কংগ্রেস। দলটির মুখপাত্র শচীন সাওয়ান্ত ফড়নবিসকে ‘স্বপ্নের সওদাগর’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী বর্তমানে রেকর্ড পরিমাণ অবৈধ অভিবাসী শনাক্তের দাবি করলেও এর কোনো দাপ্তরিক তথ্য বা পরিসংখ্যান জনসমক্ষে আনছেন না। তিনি বলেন, সরকার যদি সত্যিই সর্বোচ্চসংখ্যক অবৈধ অভিবাসী শনাক্ত করে থাকে, তবে সেই পরিসংখ্যান সাধারণ মানুষের কাছে প্রকাশ করা উচিত।
শচীন সাওয়ান্ত অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী কেবল ভবিষ্যতের বড় বড় স্বপ্ন দেখান, কিন্তু তিনি অতীতের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি বলেন, ২০১৭ সালের মধ্যে মুম্বাইকে বন্যামুক্ত করার কথা ছিল, কিন্তু তা আজও হয়নি। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষিত ডেডলাইনগুলো কেবল ‘তারিখ পে তারিখ’ (তারিখের পর তারিখ) হিসেবেই থেকে যায়।
উল্লেখ্য, মুম্বাই পৌরসভা নির্বাচনের আগে প্রতিবারই ‘বহিরাগত’ ও অভিবাসী ইস্যু একটি বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায়। এবার এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে অভিবাসী শনাক্তের বিষয়টি ভারতীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৩ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৬ ঘণ্টা আগে