রাজীব গান্ধী হত্যা মামলার আসামি নলিনী শ্রীহরণসহ ৬ জনকে মুক্তি দিয়েছে ভারতের উচ্চ আদালত। আজ শুক্রবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ৩১ বছর জেল খেটে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন রাজীব গান্ধী হত্যা মামলার আসামিরা। মুক্তিপ্রাপ্তরা হলেন—নলিনী শ্রীহরণ, জয়কুমার, সন্তন, মুরুগান, রবার্ট পায়াস ও রবিচন্দ্রন।
এর আগে এ মামলার আরেক আসামি এ জি পেরারিভালানকে গত মে মাসে বিশেষ ক্ষমতাবলে মুক্তি দেয় উচ্চ আদালত।
আদালত জানায়, ২০১৮ সালে তামিলনাড়ুর তৎকালীন সরকার দোষীদের সময়ের আগে মুক্তির সিদ্ধান্ত নেয়। সরকারি সিদ্ধান্তটি কার্যকর করতে রাজ্যপালের কাছে পাঠানো হয়। রাজ্যপাল রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠান। কিন্তু কেউই সিদ্ধান্ত দেননি। এ অবস্থায় মামলার অন্যতম আসামি পেরারিভালন সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন।
আসামিদের মুক্তি দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেন, ‘‘রাজীব গান্ধীর খুনিদের ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত পুরোপুরি ভুল। কোনো ভাবেই এটা মেনে নেওয়া যায় না।’
জয়রাম রমেশ বলেন, ‘কংগ্রেস স্পষ্টভাবে এই রায়ের সমালোচনা করে এবং এটি সম্পূর্ণ ভুল বলে মনে করে। সব চেয়ে দুর্ভাগ্যজনক হল যে, সুপ্রিম কোর্ট এ বিষয়ে ভারতের ভাবাবেগের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়নি।’
উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালের ২১ মে দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের শ্রীপেরুমবুদুরে জনসভায় যোগ দিতে গিয়ে শ্রীলঙ্কার তামিল টাইগার্সের (এলটিটিই) এক সদস্যের আত্মঘাতী হামলায় নিহত হন রাজীব গান্ধী।

সাক্ষাৎকারে ভান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে তাদের অধিকাংশ সামরিক লক্ষ্য অর্জন করেছে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও কিছু সময় অভিযান চালিয়ে যেতে চান, যাতে ভবিষ্যতে আবারও এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়।
৩ মিনিট আগে
আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে গুদামটি ধ্বংস করা হয়েছে। ওই স্থানে ২১ জন ইউক্রেনীয় উপস্থিত ছিলেন বলেও জানান তিনি। তবে ওই ইউক্রেনীয়দের ভাগ্যে কী ঘটেছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য নেই বলে উল্লেখ করে মুখপাত্র বলেন, ‘তারা নিহত হয়ে থাকতে পারেন।’
২০ মিনিট আগে
ভারতের জন্য হরমুজ প্রণালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশটির মোট জ্বালানি আমদানির প্রায় ৫০ শতাংশ এই পথ দিয়েই আসে। গত দুই সপ্তাহে এই পথে জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে পড়ায় ভারতে রান্নার গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছিল।
৪২ মিনিট আগে
প্যারাট্রুপারদের সুনির্দিষ্ট অবস্থান এখনো নির্ধারিত না হলেও, তারা ইরানের আঘাতের আওতার মধ্যে কোনো স্থানে মোতায়েন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ দখলের মতো অভিযানেও তাদের ব্যবহার করা হতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে