কলকাতা প্রতিনিধি

অযোধ্যার রামমন্দিরের পাশে পাগলাভরি গ্রামে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরের নীরবতা ভেঙেছে বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শব্দে। চোখের পলকে একটি বাড়ি ধসে পড়ে। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় অন্তত পাঁচজন নিহত ও আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসনের ধারণা, অনেকে এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিস্ফোরণের উৎস এখনো নিশ্চিত নয়। বাড়িটিতে কোনো গ্যাস সিলিন্ডার ফেটেছিল নাকি অন্য কোনো দাহ্য পদার্থ ছিল, তা যাচাই করছে ফরেনসিক দল।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, বিস্ফোরণের শব্দ এতটাই তীব্র ছিল যে—আশপাশের তিনটি গ্রামের মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে আসে। বহু বাড়ির কাচ ভেঙে গেছে এবং উড়ে আসা ইট-পাথরে কয়েকজন আহত হয়েছেন।
পুলিশ সার্কেল অফিসার শৈলেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ চলছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো মানুষ আটকা রয়েছে।
ঘটনার পরপরই পুলিশ, প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। আহত ব্যক্তিদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়, যাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক, তাঁদের পাঠানো হয়েছে অযোধ্যা জেলা হাসপাতালে।
প্রশাসন আপাতত গ্রামটি ঘিরে রেখেছে এবং সাধারণ মানুষকে ঘটনাস্থলের কাছে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় সমাজকর্মীরা এগিয়ে এসেছেন এবং গ্রামে চলছে ত্রাণ বিতরণ। মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতি জানাতে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিদর্শনে গেছেন।
বিস্ফোরণের কারণ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা—কেউ বলছেন গ্যাস সিলিন্ডার, কেউ সন্দেহ করছেন অবৈধ আতশবাজির মজুত। তবে প্রশাসন এখনই কিছু নিশ্চিত করতে রাজি নয়।
রামমন্দির উদ্বোধনের পর থেকে যে শহর বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, সেই অযোধ্যাতেই এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা মানুষের মনে আতঙ্ক তৈরি করেছে। শহরের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। তবে নিরাপত্তা বাহিনী ইতিমধ্যে ওই এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে।

অযোধ্যার রামমন্দিরের পাশে পাগলাভরি গ্রামে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরের নীরবতা ভেঙেছে বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শব্দে। চোখের পলকে একটি বাড়ি ধসে পড়ে। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় অন্তত পাঁচজন নিহত ও আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসনের ধারণা, অনেকে এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিস্ফোরণের উৎস এখনো নিশ্চিত নয়। বাড়িটিতে কোনো গ্যাস সিলিন্ডার ফেটেছিল নাকি অন্য কোনো দাহ্য পদার্থ ছিল, তা যাচাই করছে ফরেনসিক দল।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, বিস্ফোরণের শব্দ এতটাই তীব্র ছিল যে—আশপাশের তিনটি গ্রামের মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে আসে। বহু বাড়ির কাচ ভেঙে গেছে এবং উড়ে আসা ইট-পাথরে কয়েকজন আহত হয়েছেন।
পুলিশ সার্কেল অফিসার শৈলেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ চলছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো মানুষ আটকা রয়েছে।
ঘটনার পরপরই পুলিশ, প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। আহত ব্যক্তিদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়, যাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক, তাঁদের পাঠানো হয়েছে অযোধ্যা জেলা হাসপাতালে।
প্রশাসন আপাতত গ্রামটি ঘিরে রেখেছে এবং সাধারণ মানুষকে ঘটনাস্থলের কাছে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় সমাজকর্মীরা এগিয়ে এসেছেন এবং গ্রামে চলছে ত্রাণ বিতরণ। মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতি জানাতে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিদর্শনে গেছেন।
বিস্ফোরণের কারণ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা—কেউ বলছেন গ্যাস সিলিন্ডার, কেউ সন্দেহ করছেন অবৈধ আতশবাজির মজুত। তবে প্রশাসন এখনই কিছু নিশ্চিত করতে রাজি নয়।
রামমন্দির উদ্বোধনের পর থেকে যে শহর বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, সেই অযোধ্যাতেই এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা মানুষের মনে আতঙ্ক তৈরি করেছে। শহরের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। তবে নিরাপত্তা বাহিনী ইতিমধ্যে ওই এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা দেয়। স্থগিতের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে পরিবারভিত্তিক অভিবাসী ভিসা। এর আওতায়—মার্কিন নাগরিকের স্বামী/স্ত্রীর ভিসা (আইআর-১, সিআর-১), বাগদত্ত/বাগদত্তা ভিসা (কে-১), মার্কিন নাগরিকের পরিবারের সদস্যদের ভিসা (আইআর-২, আইআর-৫, এফ-১, এফ-৩ ও এফ-৪)...
৪ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ–সংক্রান্ত উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম মাত্র একদিনেই ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা আবারও জোর দিয়ে বলছেন। তবে তাঁর এমন ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইউরোপের কয়েক দেশের একটি সম্মিলিত বাহিনী দ্বীপটিতে পৌঁছেছে।
৫ ঘণ্টা আগে