কলকাতা প্রতিনিধি

ভারতের পাহাড়ি রাজ্য হিমাচল প্রদেশ এবারের বর্ষায় ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। প্রবল বৃষ্টি, ভূমিধস ও হঠাৎ নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জনজীবন বিপর্যস্ত। রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের (এসডিএমএ) হিসাবে, চলতি বর্ষা মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৩১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এর মধ্যে ভূমিধস, পাহাড়ি ঢল, ক্লাউডবার্স্ট, বজ্রপাত ও ডুবে যাওয়ার মতো ঘটনায় ১৫৮ জন মারা গেছেন এবং সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৫২ জন।
সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির খবর এসেছে কাংড়া (৩০) থেকে। এরপর মান্ডি (২৯), চাম্বা (১৪), কিন্নৌর (১৪) ও কুল্লু (১৩) জেলা থেকে। সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে চাম্বা, মান্ডি, কাংড়া, সোলান ও শিমলা জেলায়।
বিপর্যয়ে রাজ্যের অবকাঠামোর ক্ষতিও বিপুল। সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত ক্ষতির পরিমাণ ২ হাজার ৪৫০ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে সড়কপথে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১.৩১ হাজার কোটি টাকা। জল সরবরাহ ও সেচ ব্যবস্থার ক্ষতি দাঁড়িয়েছে ৮৭২ কোটি টাকার বেশি আর বিদ্যুৎ খাতে ক্ষতি হয়েছে ১৩৯ কোটি টাকারও বেশি।
ব্যক্তিগত সম্পত্তির ক্ষতিও কম নয়। এখন পর্যন্ত ৩২৪টি বাড়ি সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে, প্রায় ৪০০ বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হাজারো দোকানপাট, গোয়ালঘর ও ছোট ব্যবসা নষ্ট হয়েছে। মারা গেছে প্রায় ১ হাজার ৮০০ গবাদি পশু ও ২৫ হাজারের বেশি হাঁস-মুরগি।
এ বিপর্যয়ে রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। তিনটি জাতীয় সড়কসহ অন্তত ৬৭০টি রাস্তা বন্ধ রয়েছে। অচল হয়ে পড়েছে ১ হাজার ৪১৩টি ট্রান্সফরমার ও ৪২০টি পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্প। বিশেষ করে মান্ডি, কুল্লু, কাংড়া ও শিমলার বহু এলাকায় রাস্তা ধসে পড়ায় এসব এলাকার মানুষ কার্যত বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে।

ভারতের পাহাড়ি রাজ্য হিমাচল প্রদেশ এবারের বর্ষায় ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। প্রবল বৃষ্টি, ভূমিধস ও হঠাৎ নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জনজীবন বিপর্যস্ত। রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের (এসডিএমএ) হিসাবে, চলতি বর্ষা মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৩১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এর মধ্যে ভূমিধস, পাহাড়ি ঢল, ক্লাউডবার্স্ট, বজ্রপাত ও ডুবে যাওয়ার মতো ঘটনায় ১৫৮ জন মারা গেছেন এবং সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৫২ জন।
সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির খবর এসেছে কাংড়া (৩০) থেকে। এরপর মান্ডি (২৯), চাম্বা (১৪), কিন্নৌর (১৪) ও কুল্লু (১৩) জেলা থেকে। সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে চাম্বা, মান্ডি, কাংড়া, সোলান ও শিমলা জেলায়।
বিপর্যয়ে রাজ্যের অবকাঠামোর ক্ষতিও বিপুল। সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত ক্ষতির পরিমাণ ২ হাজার ৪৫০ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে সড়কপথে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১.৩১ হাজার কোটি টাকা। জল সরবরাহ ও সেচ ব্যবস্থার ক্ষতি দাঁড়িয়েছে ৮৭২ কোটি টাকার বেশি আর বিদ্যুৎ খাতে ক্ষতি হয়েছে ১৩৯ কোটি টাকারও বেশি।
ব্যক্তিগত সম্পত্তির ক্ষতিও কম নয়। এখন পর্যন্ত ৩২৪টি বাড়ি সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে, প্রায় ৪০০ বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হাজারো দোকানপাট, গোয়ালঘর ও ছোট ব্যবসা নষ্ট হয়েছে। মারা গেছে প্রায় ১ হাজার ৮০০ গবাদি পশু ও ২৫ হাজারের বেশি হাঁস-মুরগি।
এ বিপর্যয়ে রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। তিনটি জাতীয় সড়কসহ অন্তত ৬৭০টি রাস্তা বন্ধ রয়েছে। অচল হয়ে পড়েছে ১ হাজার ৪১৩টি ট্রান্সফরমার ও ৪২০টি পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্প। বিশেষ করে মান্ডি, কুল্লু, কাংড়া ও শিমলার বহু এলাকায় রাস্তা ধসে পড়ায় এসব এলাকার মানুষ কার্যত বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে।

আফগানিস্তানে দীর্ঘ খরা শেষে ভারী বৃষ্টি আর তুষারপাত শুরু হয়েছে। এই বৃষ্টি কিছু স্বস্তি দিলেও সেই স্বস্তি দ্রুতই বিষাদে রূপ নিয়েছে। প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছে আরও ১১ জন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের অন্যতম ধনী শহর নিউইয়র্কের বুকে গতকাল বৃহস্পতিবার নতুন বছরের শুরুতে যখন জোহরান মামদানি মেয়র হিসেবে শপথ নেন, তখন দৃশ্যটা ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। চারদিকে জনস্রোত, সাত ব্লকজুড়ে উৎসব, আর আকাশ কাঁপানো স্লোগান—‘ধনীদের ওপর কর আরোপ কর’—এভাবেই স্বাগত জানাল শহর তার নতুন নেতৃত্বকে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের সময় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
সুইজারল্যান্ডের একটি অভিজাত স্কি রিসোর্টে নতুন বছর উদ্যাপনের আনন্দ মুহূর্তেই ভয়াবহ ট্র্যাজেডিতে রূপ নিয়েছে। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ক্রাঁস-মঁতানা স্কি রিসোর্টে নববর্ষের রাতে একটি জনাকীর্ণ বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৪০ জন মানুষ নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ১১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়...
১২ ঘণ্টা আগে