কলকাতা প্রতিনিধি

তুমুল হৈ-হট্টগোলের মধ্যে ভারতের জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই লোকসভায় বিতর্কিত কৃষি আইন প্রত্যাহারে বিল পাশ করা হয়েছে। বিরোধীদের দাবি মেনে কোন আলোচনার সুযোগ না দিয়েই সরকার পক্ষ এ পদক্ষেপ নিয়েছে।
তবে আজ শীতকালীন অধিবেশন শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিরোধীদের সমস্ত বিষয়ে সংসদে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তাঁর সরকারই কৃষি আইন প্রত্যাহার সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার নিয়ে সংসদে কোনো আলোচনার সুযোগ না দেওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছেন বিরোধীরা।
আজ স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় শীতকালীন অধিবেশন শুরু করে ১২টার মধ্যেই মুলতবি ঘোষণা করতে বাধ্য হন স্পিকার ওম বিড়লা। বেলা ১২টায় ফের অধিবেশন শুরু হতেই হইচই শুরু হয়। বিরোধিতার মধ্যেই ১২টা ৬ মিনিটে লোকসভায় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং টোমার কৃষি আইন প্রত্যাহার সংক্রান্ত বিল পেশ করেন। আর ১২টা ১০ মিনিটের মধ্যেই ধ্বণি ভোটে বিলটি গৃহীত হয়। এরপরই দিনের মতো মুলতবি ঘোষিত হয় লোকসভা। বিরোধীদের অভিযোগ, সরকার নিজেই সংসদের পরিবেশ নষ্ট করছে।
আজ সোমবার ২৫ দিনের শীতকালীন অধিবেশন শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী মোদী সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিরোধীদের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকার সংসদে বিরোধীদের সমস্ত বক্তব্য শুনতে বা তাঁদের প্রশ্নের জবাব দিতে প্রস্তুত। কিন্তু বিরোধীদের উচিত, অধ্যক্ষ বা সংসদের সম্মানের কথা মাথায় রাখা।
কিন্তু অধিবেশনের প্রথম দিনই তুমুল হৈ-হট্টগোলের সাক্ষী রইল ভারতীয় সংসদ। কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের দাবির পাশাপাশি কৃষি আইন প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনার দাবিতে সোচ্চার হন বিরোধীরা। তাঁদের আলোচনার সুযোগ না দেওয়ায় অধিবেশনের প্রথম দিনই মোদীর বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি খেলাপের অভিযোগ উঠেছে।
অধিবেশন শুরুর আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেন, অন্নদাতাদের (কৃষক) জন্য সূর্যোদয় অপেক্ষা করছে। কিন্তু আলোচনার সুযোগ না মেলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। জানান, সংসদের পবিত্রতা রক্ষায় কংগ্রেস সব সময়ই যত্নশীল। কিন্তু সংসদীয় গণতন্ত্রকে অপমান করছে বিজেপি।
এদিকে, অধিবেশন শুরুর আগেই ভারতে বিরোধীদের অনৈক্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কংগ্রেসের ডাকা বিরোধীদের বৈঠকে যোগ দেয়নি তৃণমূল। লোকসভায় কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীর অভিযোগ, বিজেপির সুবিধার্থে তৃণমূল বিরোধী ঐক্য চায় না। পাল্টা জবাব দিয়েছেন তৃণমূলের ডেরেক ওব্রায়াণ। তিনি বলেন, তৃণমূল বিরোধী ঐক্যের পক্ষে। তবে কংগ্রেসের কাছে দাসখত লিখে নয়।

তুমুল হৈ-হট্টগোলের মধ্যে ভারতের জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই লোকসভায় বিতর্কিত কৃষি আইন প্রত্যাহারে বিল পাশ করা হয়েছে। বিরোধীদের দাবি মেনে কোন আলোচনার সুযোগ না দিয়েই সরকার পক্ষ এ পদক্ষেপ নিয়েছে।
তবে আজ শীতকালীন অধিবেশন শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিরোধীদের সমস্ত বিষয়ে সংসদে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তাঁর সরকারই কৃষি আইন প্রত্যাহার সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার নিয়ে সংসদে কোনো আলোচনার সুযোগ না দেওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছেন বিরোধীরা।
আজ স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় শীতকালীন অধিবেশন শুরু করে ১২টার মধ্যেই মুলতবি ঘোষণা করতে বাধ্য হন স্পিকার ওম বিড়লা। বেলা ১২টায় ফের অধিবেশন শুরু হতেই হইচই শুরু হয়। বিরোধিতার মধ্যেই ১২টা ৬ মিনিটে লোকসভায় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং টোমার কৃষি আইন প্রত্যাহার সংক্রান্ত বিল পেশ করেন। আর ১২টা ১০ মিনিটের মধ্যেই ধ্বণি ভোটে বিলটি গৃহীত হয়। এরপরই দিনের মতো মুলতবি ঘোষিত হয় লোকসভা। বিরোধীদের অভিযোগ, সরকার নিজেই সংসদের পরিবেশ নষ্ট করছে।
আজ সোমবার ২৫ দিনের শীতকালীন অধিবেশন শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী মোদী সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিরোধীদের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকার সংসদে বিরোধীদের সমস্ত বক্তব্য শুনতে বা তাঁদের প্রশ্নের জবাব দিতে প্রস্তুত। কিন্তু বিরোধীদের উচিত, অধ্যক্ষ বা সংসদের সম্মানের কথা মাথায় রাখা।
কিন্তু অধিবেশনের প্রথম দিনই তুমুল হৈ-হট্টগোলের সাক্ষী রইল ভারতীয় সংসদ। কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের দাবির পাশাপাশি কৃষি আইন প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনার দাবিতে সোচ্চার হন বিরোধীরা। তাঁদের আলোচনার সুযোগ না দেওয়ায় অধিবেশনের প্রথম দিনই মোদীর বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি খেলাপের অভিযোগ উঠেছে।
অধিবেশন শুরুর আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেন, অন্নদাতাদের (কৃষক) জন্য সূর্যোদয় অপেক্ষা করছে। কিন্তু আলোচনার সুযোগ না মেলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। জানান, সংসদের পবিত্রতা রক্ষায় কংগ্রেস সব সময়ই যত্নশীল। কিন্তু সংসদীয় গণতন্ত্রকে অপমান করছে বিজেপি।
এদিকে, অধিবেশন শুরুর আগেই ভারতে বিরোধীদের অনৈক্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কংগ্রেসের ডাকা বিরোধীদের বৈঠকে যোগ দেয়নি তৃণমূল। লোকসভায় কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীর অভিযোগ, বিজেপির সুবিধার্থে তৃণমূল বিরোধী ঐক্য চায় না। পাল্টা জবাব দিয়েছেন তৃণমূলের ডেরেক ওব্রায়াণ। তিনি বলেন, তৃণমূল বিরোধী ঐক্যের পক্ষে। তবে কংগ্রেসের কাছে দাসখত লিখে নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক বাতিল করেছেন। একইসঙ্গে, তেহরানের দমন-পীড়নের মুখে বিক্ষোভকারীদের ‘আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিন’ বলে আহ্বান জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের ‘আশ্বাস দিয়ে’ বলেছেন, ‘সাহায্য আসছে।’
১৮ মিনিট আগে
মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
১০ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
১১ ঘণ্টা আগে