
ভারতে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে বেড়েই চলেছে জ্বালানির দাম। গত ১০ দিনে দেশটিতে ৯ বার বেড়েছে পেট্রল ও ডিজেলের দাম। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, আজ বৃহস্পতিবার মধ্যরাতেও পেট্রল ও ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে বাড়ে ৮০ পয়সা। গত ১০ দিনে প্রতি লিটারে মোট বেড়েছে ৬ রুপি ৪০ পয়সা।
কলকাতায় এক লিটার পেট্রলের দাম প্রায় পৌঁছেছে ১১২ রুপির কাছাকাছি। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে প্রতি লিটারে ৮০ পয়সা বাড়ার পর এক লিটার পেট্রলের দাম হয় ১১১.৩৫ রুপি। প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ৯৬.২২ রুপি।
তবে দিল্লিতে এক লিটার পেট্রলের দাম এখন ১০১.৮১ রুপি, ডিজেল ৯৩.০৭ রুপি। মুম্বাইতে ডিজেলও সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে। এক লিটার ডিজেলের দাম সেখানে ১০০.৯৪ রুপি, পেট্রল ১১৬.৭২ রুপি। চেন্নাইতে এক লিটার পেট্রল ১০৭.৪৫ রুপি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজ্যের চাপানো করের কারণে এক এক রাজ্যে জ্বালানির দাম ভিন্ন।
এদিকে ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন, ভারতে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির জন্য ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধ দায়ী।
জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা রাহুল গান্ধী একটি টুইট বার্তায় বলেছেন, আমাদের দাবি সরকারের উচিত দাম নিয়ন্ত্রণ করা এবং পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো বন্ধ করা উচিত।
আরেকটি টুইট বার্তায় রাহুল গান্ধী দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের দামের সঙ্গে ভারতের জ্বালানি তেলের দাম তুলনা করেছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতে জ্বালানি তেলের দাম সবচেয়ে বেশি।
গত বছরের ৪ নভেম্বর শেষবার ভারতে তেলের দাম বাড়ে। এরপর গত ২২ মার্চ ফের পুনর্বিবেচনা করে বাড়ানো হয় জ্বালানির দাম। তারপর থেকে রোজই বাড়ছে। বিরোধী দলসহ অনেকের মতে, ভোটের জন্য মাঝে চার মাস তেলের দাম একই ছিল। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ক্রমেই বাড়তে থাকবে জ্বালানির দাম।

ভারতে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে বেড়েই চলেছে জ্বালানির দাম। গত ১০ দিনে দেশটিতে ৯ বার বেড়েছে পেট্রল ও ডিজেলের দাম। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, আজ বৃহস্পতিবার মধ্যরাতেও পেট্রল ও ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে বাড়ে ৮০ পয়সা। গত ১০ দিনে প্রতি লিটারে মোট বেড়েছে ৬ রুপি ৪০ পয়সা।
কলকাতায় এক লিটার পেট্রলের দাম প্রায় পৌঁছেছে ১১২ রুপির কাছাকাছি। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে প্রতি লিটারে ৮০ পয়সা বাড়ার পর এক লিটার পেট্রলের দাম হয় ১১১.৩৫ রুপি। প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ৯৬.২২ রুপি।
তবে দিল্লিতে এক লিটার পেট্রলের দাম এখন ১০১.৮১ রুপি, ডিজেল ৯৩.০৭ রুপি। মুম্বাইতে ডিজেলও সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে। এক লিটার ডিজেলের দাম সেখানে ১০০.৯৪ রুপি, পেট্রল ১১৬.৭২ রুপি। চেন্নাইতে এক লিটার পেট্রল ১০৭.৪৫ রুপি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজ্যের চাপানো করের কারণে এক এক রাজ্যে জ্বালানির দাম ভিন্ন।
এদিকে ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন, ভারতে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির জন্য ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধ দায়ী।
জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা রাহুল গান্ধী একটি টুইট বার্তায় বলেছেন, আমাদের দাবি সরকারের উচিত দাম নিয়ন্ত্রণ করা এবং পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো বন্ধ করা উচিত।
আরেকটি টুইট বার্তায় রাহুল গান্ধী দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের দামের সঙ্গে ভারতের জ্বালানি তেলের দাম তুলনা করেছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতে জ্বালানি তেলের দাম সবচেয়ে বেশি।
গত বছরের ৪ নভেম্বর শেষবার ভারতে তেলের দাম বাড়ে। এরপর গত ২২ মার্চ ফের পুনর্বিবেচনা করে বাড়ানো হয় জ্বালানির দাম। তারপর থেকে রোজই বাড়ছে। বিরোধী দলসহ অনেকের মতে, ভোটের জন্য মাঝে চার মাস তেলের দাম একই ছিল। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ক্রমেই বাড়তে থাকবে জ্বালানির দাম।

মিনেসোটায় মার্কিন সরকারের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আলাস্কাভিত্তিক সেনাবাহিনীর ১১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের দুটি পদাতিক ব্যাটালিয়নকে ‘প্রিপেয়ার-টু-ডিপ্লয়’ বা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রয়টার্স নয়াদিল্লির একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ভারতকে এই বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগের অংশ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
৬ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ড দখলে বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
৯ ঘণ্টা আগে
চীনের প্রস্তাবিত এই দূতাবাস হবে ইউরোপে তাদের বৃহত্তম কূটনৈতিক মিশন। তবে এই প্রকল্পের নকশা নিয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। ২০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই কমপ্লেক্স লন্ডনের প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ ডেটা কেব্লের খুব কাছে অবস্থিত। বিরোধীদের দাবি, এটি কেবল
১১ ঘণ্টা আগে