
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার মধ্যে কয়েক বছরের মধ্যে এই প্রথম ইরান থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) কিনেছে ভারত। দেশটির তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রণালয় শনিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ের এই বিবৃতিটি একটি বিরল দাপ্তরিক স্বীকৃতি। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘ সাত বছর বিরত থাকার পর ভারত আবারও ইরান থেকে তেল আমদানি শুরু করল।
ভারতের তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ইরান থেকে ৪৪ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি কেনা হয়েছে, যা বর্তমানে ম্যাঙ্গালোর বন্দরে খালাস করা হচ্ছে।
ভারত তার প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেলের একটি বড় অংশ এবং এলপিজির প্রায় ৮৫ শতাংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরান কার্যকরভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় ভারত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরানি জ্বালানি কেনার বিষয়ে ভারতের এই স্বীকৃতি এমন এক সময়ে এল, যখন গত মাসে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে সমুদ্রে ভাসমান ১৪ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বিক্রির জন্য একটি অস্থায়ী অনুমোদন দিয়েছে। মূলত বিশ্ববাজারে জ্বালানির চাপ কমাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অস্ত্র ক্রেতা হিসেবে পরিচিত উপসাগরীয় ধনী রাজতান্ত্রিক দেশগুলো। তেল-সমৃদ্ধ এই রাষ্ট্রগুলো বিশ্বের মোট অস্ত্র আমদানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশের জন্য দায়ী। যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধজাহাজ থেকে শুরু করে অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম—সবই তারা মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে...
৩১ মিনিট আগে
রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির এক সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে বিরল জনবিক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। মাত্র ছয় মাস আগে নিয়োগ পাওয়া জনপ্রিয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভকে হঠাৎ পদচ্যুত করায় রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন শহরে হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে আসে।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি এবং সংবাদমাধ্যমের কাজের উদ্দেশে যাওয়া বিদেশিদের ভিসার মেয়াদ সীমিত করার উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) আজ বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নতুন ভিসা নীতিমালার ঘোষণা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
ভারত-শাসিত জম্মু ও কাশ্মীরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে থাকা বই, গবেষণাপত্র ও একাডেমিক প্রকাশনা পর্যালোচনার সরকারি নির্দেশকে ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, এটি একাডেমিক স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ এবং কাশ্মীরের ইতিহাসকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা।
২ ঘণ্টা আগে