
ভারতের সঙ্গে সরাসরি বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে চুক্তি করেছে সৌদি আরব। গত বুধবার (৩০ অক্টোবর) রিয়াদে সৌদির ন্যাশনাল ইলেকট্রিসিটি ট্রান্সমিশন কোম্পানি এবং ভারতের সেন্ট্রাল ট্রান্সমিশন ইউটিলিটির প্রতিনিধিদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে এ চুক্তি। উভয়ই দুই দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সৌদি আরবের প্রতিনিধি হিসেবে ছিলেন দেশটির বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী আবদুল আজিজ বিন সালমান; আর নয়াদিল্লির প্রতিনিধি হিসেবে ছিলেন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গয়াল।
চুক্তি স্বাক্ষরের আগে দুই দেশের প্রতিনিধিদলের মধ্যে বৈঠক হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদির সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেট। বৈঠকে দুই দেশের শিল্প, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু গবেষণা, টেকসই পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ ও সহযোগিতার বিষয়ে ভারত ও সৌদি সরকার ঐকমত্যে পৌঁছেছে বলেও জানা গেছে।
মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের প্রথম দেশ হিসেবে ভারতের সঙ্গে সরাসরি বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনের চুক্তি করল সৌদি।
ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আলোচনা শেষে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ সহজতর করার জন্য কয়েকটি বাস্তবমুখী চুক্তি সম্পাদিত হয়। চুক্তিগুলোতে বিদ্যুৎ স্থানান্তর, ডিজিটাল রূপান্তর ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে তথ্য আদান-প্রদানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সৌদি আরব সফরের সময় ভারত ও সৌদি আরবের মধ্যে স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ কাউন্সিল (এসপিসি) প্রতিষ্ঠিত হয়। একই বছর যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ভারত সফরে এসে পর্যটন, আবাসন এবং অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামের বিনিময়সহ বিভিন্ন খাতে ভারতে প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছিলেন।
সৌদি আরব সফরে বাণিজ্যমন্ত্রী গয়াল অষ্টম ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভের (এফআইআই) প্লেনারি অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেছেন। সেখানে তিনি বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের ভারতের উচ্চ প্রবৃদ্ধির খাতগুলো যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নবায়নযোগ্য শক্তি, ডিজিটাল অবকাঠামো ও অগ্রসর উৎপাদনশিল্পে উদীয়মান সুযোগগুলো কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ভারত সৌদি আরবের দ্বিতীয় বৃহত্তম ও সৌদি আরব ভারতের পঞ্চম বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। ২০২৩-২৪ সালে দেশ দুটির দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য দাঁড়িয়েছে ৪৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে, যার মধ্যে ভারত ১১ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে এবং সৌদি আরব একই সময়ে ৩১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে।
২০২২ সালের জানুয়ারি নাগাদ এলঅ্যান্ডটি, টাটা, উইপ্রো, টিসিএস এবং শাপুরজি ও পাল্লোনজিসহ প্রায় ২ হাজার ৭৮৩টি ভারতীয় কোম্পানি সৌদি আরবে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। অন্যদিকে, সৌদি আরব ভারতের বিভিন্ন স্টার্টআপে প্রায় ৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে।
রিয়াদ সফরে গয়াল শ্নাইডার ইলেকট্রিকের সিইও পিটার হারউইক এবং জেনারেল আটলান্টিকের সিইও ও চেয়ারম্যান উইলিয়াম ই ফোর্ডের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তিনি তাঁদের সঙ্গে ভারতে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেছেন।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারত ও সৌদি আরব খাদ্য রপ্তানি, ফার্মাসিউটিক্যালস, শক্তি এবং ছোট ও মাঝারি শিল্প খাতসহ বিভিন্ন বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি করেছে। উভয় দেশ ফিনটেক, নতুন প্রযুক্তি, জ্বালানি দক্ষতা, ক্লিন হাইড্রোজেন, বস্ত্রশিল্প এবং খনিজ খাতেও যৌথ সহযোগিতার জন্য আগ্রহ দেখিয়েছে।

ভারতের সঙ্গে সরাসরি বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে চুক্তি করেছে সৌদি আরব। গত বুধবার (৩০ অক্টোবর) রিয়াদে সৌদির ন্যাশনাল ইলেকট্রিসিটি ট্রান্সমিশন কোম্পানি এবং ভারতের সেন্ট্রাল ট্রান্সমিশন ইউটিলিটির প্রতিনিধিদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে এ চুক্তি। উভয়ই দুই দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সৌদি আরবের প্রতিনিধি হিসেবে ছিলেন দেশটির বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী আবদুল আজিজ বিন সালমান; আর নয়াদিল্লির প্রতিনিধি হিসেবে ছিলেন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গয়াল।
চুক্তি স্বাক্ষরের আগে দুই দেশের প্রতিনিধিদলের মধ্যে বৈঠক হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদির সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেট। বৈঠকে দুই দেশের শিল্প, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু গবেষণা, টেকসই পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ ও সহযোগিতার বিষয়ে ভারত ও সৌদি সরকার ঐকমত্যে পৌঁছেছে বলেও জানা গেছে।
মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের প্রথম দেশ হিসেবে ভারতের সঙ্গে সরাসরি বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনের চুক্তি করল সৌদি।
ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আলোচনা শেষে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ সহজতর করার জন্য কয়েকটি বাস্তবমুখী চুক্তি সম্পাদিত হয়। চুক্তিগুলোতে বিদ্যুৎ স্থানান্তর, ডিজিটাল রূপান্তর ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে তথ্য আদান-প্রদানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সৌদি আরব সফরের সময় ভারত ও সৌদি আরবের মধ্যে স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ কাউন্সিল (এসপিসি) প্রতিষ্ঠিত হয়। একই বছর যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ভারত সফরে এসে পর্যটন, আবাসন এবং অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামের বিনিময়সহ বিভিন্ন খাতে ভারতে প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছিলেন।
সৌদি আরব সফরে বাণিজ্যমন্ত্রী গয়াল অষ্টম ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভের (এফআইআই) প্লেনারি অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেছেন। সেখানে তিনি বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের ভারতের উচ্চ প্রবৃদ্ধির খাতগুলো যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নবায়নযোগ্য শক্তি, ডিজিটাল অবকাঠামো ও অগ্রসর উৎপাদনশিল্পে উদীয়মান সুযোগগুলো কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ভারত সৌদি আরবের দ্বিতীয় বৃহত্তম ও সৌদি আরব ভারতের পঞ্চম বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। ২০২৩-২৪ সালে দেশ দুটির দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য দাঁড়িয়েছে ৪৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে, যার মধ্যে ভারত ১১ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে এবং সৌদি আরব একই সময়ে ৩১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে।
২০২২ সালের জানুয়ারি নাগাদ এলঅ্যান্ডটি, টাটা, উইপ্রো, টিসিএস এবং শাপুরজি ও পাল্লোনজিসহ প্রায় ২ হাজার ৭৮৩টি ভারতীয় কোম্পানি সৌদি আরবে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। অন্যদিকে, সৌদি আরব ভারতের বিভিন্ন স্টার্টআপে প্রায় ৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে।
রিয়াদ সফরে গয়াল শ্নাইডার ইলেকট্রিকের সিইও পিটার হারউইক এবং জেনারেল আটলান্টিকের সিইও ও চেয়ারম্যান উইলিয়াম ই ফোর্ডের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তিনি তাঁদের সঙ্গে ভারতে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেছেন।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারত ও সৌদি আরব খাদ্য রপ্তানি, ফার্মাসিউটিক্যালস, শক্তি এবং ছোট ও মাঝারি শিল্প খাতসহ বিভিন্ন বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি করেছে। উভয় দেশ ফিনটেক, নতুন প্রযুক্তি, জ্বালানি দক্ষতা, ক্লিন হাইড্রোজেন, বস্ত্রশিল্প এবং খনিজ খাতেও যৌথ সহযোগিতার জন্য আগ্রহ দেখিয়েছে।

ভারতের কেন্দ্র সরকার পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার কয়েকটি পরিত্যক্ত এয়ারস্ট্রিপ পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
হাসান আলী প্রশ্ন করেন—কেন তাঁর বাবাকে দুই দেশের মধ্যে এভাবে ছোড়াছুড়ি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমার দেশ আমার বাবাকে বাংলাদেশি বলে ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ তাঁকে দুইবার ফেরত পাঠিয়েছে। তাহলে আমাদের দেশ কোনটা? আমাদের দেশ আছে কি?’
২ ঘণ্টা আগে
লোহিত সাগর অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করেছে সোমালিয়া সরকার। গতকাল সোমবার মোগাদিসু সরকার এই ঘোষণা দিয়ে পারস্য উপসাগরীয় দেশটিকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ও প্রধান বন্দর অবকাঠামো থেকে বহিষ্কার করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভের মুখে ইরানি সরকার যখন ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে, তখন প্রশাসন জানিয়েছে যে সম্ভাব্য বিভিন্ন বিকল্পের মধ্যে ‘বিমান হামলা’ অন্যতম।
৪ ঘণ্টা আগে