
অবিরাম বর্ষণে পাহাড়ি রাজ্য হিমাচল প্রদেশ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে। গতকাল সোমবার রাত থেকে শুরু হওয়া প্রবল বৃষ্টিতে হিমাচলের মানালি, কুল্লু, মান্ডি, কিন্নৌর ও শিমলা জেলায় তীব্র ভূমিধস ও হঠাৎ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। শক্তিশালী স্রোতে মানালি শহরের বহুতল হোটেল, দোকানপাট ও ঘরবাড়ি নদীতে ভেসে গেছে। একই সঙ্গে মানালি-লেহ জাতীয় সড়ক সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
রাজ্যের জরুরি দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৭৯৫টি সড়ক বন্ধ রয়েছে, প্রায় এক হাজার ট্রান্সফরমার ও পাঁচ শতাধিক সুপেয় পানির প্রকল্প অকেজো হয়েছে। এক রাতেই মান্ডির বালিচৌকি এলাকায় ৪০টি দোকান একসঙ্গে ধসে পড়েছে। তবে সৌভাগ্যবশত আগেই ভবন খালি করায় প্রাণহানি এড়ানো গেছে।
মৌসুম অধিদপ্তর কাংড়া, চাম্বা, লাহৌল-স্পিতি জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে। অন্যদিকে উনা, বিলাসপুর, সোলান, কুল্লু ও শিমলায় অরেঞ্জ অ্যালার্ট ঘোষণা করা হয়েছে। স্কুল-কলেজ সবকিছু বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত বন্যা ও ভূমিধসে হিমাচলে ১৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, নিখোঁজ রয়েছে ৩৮ জন।
অন্যদিকে জম্মু ও কাশ্মীরের রামবন জেলায় চেনাব নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। প্রবল স্রোতে গ্রামীণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় প্রশাসন শত শত মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে। টানা বৃষ্টির কারণে ভূমিধস ও ভাঙন দেখা দিয়েছে, যার ফলে বহু পরিবার আশ্রয় হারিয়েছে। উদ্ধারকাজ অব্যাহত থাকলেও নতুন বিপদের আশঙ্কায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা জারি রাখা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পাহাড়ি অঞ্চলে এ ধরনের হঠাৎ বন্যা ও ভূমিধসের প্রবণতা বেড়ে গেছে। পরিসংখ্যান বলছে, এ মৌসুমেই হিমাচলে ৭৭ বার হঠাৎ বন্যা, ৪১ বার মেঘভাঙা বৃষ্টি (ক্লাউডবার্স্ট) ও ৮১টি বড় ভূমিধস হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।
পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রশাসন জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে পাহাড়ি গ্রামগুলোতে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন থাকায় মানুষের কাছে সাহায্য পৌঁছানো কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

একটি দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি জিনা রাইনহার্টকে খনির রয়্যালটির অংশ ভাগ করে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। প্রায় এক দশক ধরে চলা বিরোধের নিষ্পত্তিতে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দেন।
৭ ঘণ্টা আগে
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ ও আরও কয়েকটি জাহাজে করে প্রায় ৬ হাজার সেনা পাঠানো হচ্ছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ম্যাগাজিনটির সর্বশেষ সংখ্যার কভারে দেখা গেছে—একজন সশস্ত্র ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী একজন ফিলিস্তিনি মেয়েকে মোবাইল ফোনে ধারণ করছে। ছবিটির শিরোনাম ছিল ‘দ্য অ্যাবিউজ’ বা ‘অত্যাচার’। প্রচ্ছদটিকে মূলত পশ্চিমতীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর কথিত নির্যাতনের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করেছে ম্যাগাজিন কর্তৃপক্ষ।
৯ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ শুরু হওয়ার গত ৪৮ ঘণ্টায় কোনো জাহাজ ইরানের বন্দরে প্রবেশ করতে পারেনি এবং কোনো জাহাজ সেখান থেকে বেরও হতে পারেনি বলে দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) দেওয়া এক বিবৃতিতে মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে