
চাকরি থেকে অবসরের বয়সসীমা বাড়ানোর আইন প্রস্তাব করে ফ্রান্সে তোপের মুখে পড়েছে ইমানুয়েল মাখোঁর সরকার। আজ বৃহস্পতিবার দেশটির শ্রমিক ইউনিয়নগুলো প্যারিসের বিভিন্ন সড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেছে।
মাসখানেক আগে ফ্রান্সের আইনসভায় ফরাসি প্রধানমন্ত্রী এলিজাবেথ বোর্নে অবসরকালীন বয়স বৃদ্ধির নতুন বিল প্রস্তাব করেন। এ বিল অনুযায়ী দেশটির নাগরিকদের অবসর নেওয়ার বয়স ৬২ থেকে ৬৪ করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ অবসর ভাতা (পেনশন) পেতে হলে নাগরিকদের ৪২ বছরের স্থলে ৪৩ বছর কাজ করতে হবে। ২০২৭ সাল থেকে আইনটি কার্যকর করার কথা রয়েছে। এর প্রতিবাদেই বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।
বিক্ষোভের কারণে প্যারিসের অভ্যন্তরীণ রুটের সব ট্রেন বন্ধ হয়ে গেছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ। বাতিল হয়েছে অর্লি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এক পঞ্চমাংশ ফ্লাইট। তবে সারা শহরে দুটি চালকবিহীন মেট্রো রেল চলাচল করছে।
প্যারিসের পুলিশের ধারণা, পাঁচ থেকে সাড়ে ৭ লাখ বিক্ষোভকারী প্যারিসসহ দেশের বিভিন্ন শহরে নেমেছেন। তবে কট্টর বামপন্থীদের যেকোনো ধরনের সহিংসতা রোধে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে থাকবে।
এদিকে ফ্রান্সের মতামত ও গবেষণা সংস্থা আইএফওপিয়ের সমীক্ষায় দেখা গেছে, দেশটির ৬৮ ভাগ মানুষ এই প্রস্তাবিত আইনের বিপক্ষে। এ ছাড়া দেশটির সংস্কারবাদী দলগুলোও জাতীয় সংসদে এই বিলের বিরোধিতা করছে।
গতকাল বুধবার ফ্রান্সের কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান ফাঁবিয়ে হুসেল বলেছিলেন, ‘বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর এলিসি প্রাসাদের দেয়াল কাঁপবেই।’
এদিকে আইনসভায় ইমানুয়েল মাখোঁর দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় এই বিল পাস করতে হলে তাঁকে রক্ষণশীল রিপাবলিকান পার্টির ভোটের ওপর নির্ভর করতে হবে। যদিও রিপাবলিকানদের মাখোঁর বিপক্ষে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
দেশটির রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না যে এই বিক্ষোভ মাখোঁকে পিছু হঠতে বাধ্য করবে কি না। যদি তিনি পিছু হটেন তবে তাঁর এই দ্বিতীয় সময়সীমায় বড় ধরনের কোনো সংস্কার আইন পাসের সম্ভাবনা নেই।
ফরাসি সরকারের দাবি, কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের অনুপাত দিনদিন কমছে। পঞ্চাশ বছর আগে একজন অবসর নিলে চারজন কাজে যোগ দিত। সেই অনুপাত বর্তমানে ১ দশমিক ৭–এ দাঁড়িয়েছে। ভবিষ্যতে এই সংখ্যা আরও কমার আশঙ্কা রয়েছে।
তবে ইউরোপীয় অন্যান্য দেশেও এরই মধ্যে অবসর নেওয়ার বয়স বাড়ানো হয়েছে। জার্মানিতে ৬৭, স্পেনে ৬৫ ও যুক্তরাজ্যে ৬৬ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।

চাকরি থেকে অবসরের বয়সসীমা বাড়ানোর আইন প্রস্তাব করে ফ্রান্সে তোপের মুখে পড়েছে ইমানুয়েল মাখোঁর সরকার। আজ বৃহস্পতিবার দেশটির শ্রমিক ইউনিয়নগুলো প্যারিসের বিভিন্ন সড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেছে।
মাসখানেক আগে ফ্রান্সের আইনসভায় ফরাসি প্রধানমন্ত্রী এলিজাবেথ বোর্নে অবসরকালীন বয়স বৃদ্ধির নতুন বিল প্রস্তাব করেন। এ বিল অনুযায়ী দেশটির নাগরিকদের অবসর নেওয়ার বয়স ৬২ থেকে ৬৪ করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ অবসর ভাতা (পেনশন) পেতে হলে নাগরিকদের ৪২ বছরের স্থলে ৪৩ বছর কাজ করতে হবে। ২০২৭ সাল থেকে আইনটি কার্যকর করার কথা রয়েছে। এর প্রতিবাদেই বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।
বিক্ষোভের কারণে প্যারিসের অভ্যন্তরীণ রুটের সব ট্রেন বন্ধ হয়ে গেছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ। বাতিল হয়েছে অর্লি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এক পঞ্চমাংশ ফ্লাইট। তবে সারা শহরে দুটি চালকবিহীন মেট্রো রেল চলাচল করছে।
প্যারিসের পুলিশের ধারণা, পাঁচ থেকে সাড়ে ৭ লাখ বিক্ষোভকারী প্যারিসসহ দেশের বিভিন্ন শহরে নেমেছেন। তবে কট্টর বামপন্থীদের যেকোনো ধরনের সহিংসতা রোধে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে থাকবে।
এদিকে ফ্রান্সের মতামত ও গবেষণা সংস্থা আইএফওপিয়ের সমীক্ষায় দেখা গেছে, দেশটির ৬৮ ভাগ মানুষ এই প্রস্তাবিত আইনের বিপক্ষে। এ ছাড়া দেশটির সংস্কারবাদী দলগুলোও জাতীয় সংসদে এই বিলের বিরোধিতা করছে।
গতকাল বুধবার ফ্রান্সের কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান ফাঁবিয়ে হুসেল বলেছিলেন, ‘বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর এলিসি প্রাসাদের দেয়াল কাঁপবেই।’
এদিকে আইনসভায় ইমানুয়েল মাখোঁর দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় এই বিল পাস করতে হলে তাঁকে রক্ষণশীল রিপাবলিকান পার্টির ভোটের ওপর নির্ভর করতে হবে। যদিও রিপাবলিকানদের মাখোঁর বিপক্ষে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
দেশটির রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না যে এই বিক্ষোভ মাখোঁকে পিছু হঠতে বাধ্য করবে কি না। যদি তিনি পিছু হটেন তবে তাঁর এই দ্বিতীয় সময়সীমায় বড় ধরনের কোনো সংস্কার আইন পাসের সম্ভাবনা নেই।
ফরাসি সরকারের দাবি, কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের অনুপাত দিনদিন কমছে। পঞ্চাশ বছর আগে একজন অবসর নিলে চারজন কাজে যোগ দিত। সেই অনুপাত বর্তমানে ১ দশমিক ৭–এ দাঁড়িয়েছে। ভবিষ্যতে এই সংখ্যা আরও কমার আশঙ্কা রয়েছে।
তবে ইউরোপীয় অন্যান্য দেশেও এরই মধ্যে অবসর নেওয়ার বয়স বাড়ানো হয়েছে। জার্মানিতে ৬৭, স্পেনে ৬৫ ও যুক্তরাজ্যে ৬৬ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
২ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে