
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তাঁর মন্ত্রিসভায় ব্যাপক পরিবর্তন আনতে শুরু করেছেন। এর ধারাবাহিকতায় দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবাসহ অন্তত আরও ছয়জন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। প্রায় ৩০ মাস ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে ইউক্রেনীয় প্রশাসনে এটিই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান ও কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির পর দিমিত্রো কুলেবাই দেশটির সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি ইউক্রেনের হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সামরিক ও অন্যান্য সহযোগিতা নিয়ে বৈঠক করেছেন। গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুলেবা হাতে লেখা একটি চিঠির মাধ্যমে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
দিমিত্রো কুলেবা ছাড়াও জেলেনস্কির মন্ত্রিসভার অন্য যেসব সদস্য পদত্যাগ করেছেন, তাঁদের মধ্যে কৌশলগত শিল্পমন্ত্রী ওলেকজান্দর কামিশিন, ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি তহবিলের প্রধান ভিতালি কোভাল এবং উপপ্রধানমন্ত্রী ওলগা স্তেফানিশিনার উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া দেশটির বিচার, পরিবেশ ও পুনরেকত্রীকরণ মন্ত্রণালয়গুলোর মন্ত্রীরাও পদত্যাগ করেছেন। ফলে কিয়েভের মন্ত্রিসভার এক-তৃতীয়াংশ পদই ফাঁকা হয়ে গেল।
এই পদত্যাগ ও মন্ত্রিসভা সংস্কারের বিষয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, মূলত নতুন শক্তিমত্তা অর্জনের লক্ষ্যেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন শরৎ সামনে রেখেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্রনীতিতে পরিবর্তন আনারও ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘শরৎকাল ইউক্রেনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে। আমাদের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবশ্যই কার্যকর করতে হবে, যাতে ইউক্রেন প্রয়োজনীয় সব লক্ষ্য অর্জন করতে পারে...আমাদের অবশ্যই সরকারের কিছু ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করতে হবে।’
বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই রদবদল মূলত জেলেনস্কি ও তাঁর ঘনিষ্ঠ বলয়ের লোকজনই করেছে। এই পরিবর্তনকে অনেকে রাজনৈতিক ‘পুনঃস্থাপনও’ বলছেন।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তাঁর মন্ত্রিসভায় ব্যাপক পরিবর্তন আনতে শুরু করেছেন। এর ধারাবাহিকতায় দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবাসহ অন্তত আরও ছয়জন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। প্রায় ৩০ মাস ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে ইউক্রেনীয় প্রশাসনে এটিই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান ও কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির পর দিমিত্রো কুলেবাই দেশটির সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি ইউক্রেনের হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সামরিক ও অন্যান্য সহযোগিতা নিয়ে বৈঠক করেছেন। গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুলেবা হাতে লেখা একটি চিঠির মাধ্যমে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
দিমিত্রো কুলেবা ছাড়াও জেলেনস্কির মন্ত্রিসভার অন্য যেসব সদস্য পদত্যাগ করেছেন, তাঁদের মধ্যে কৌশলগত শিল্পমন্ত্রী ওলেকজান্দর কামিশিন, ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি তহবিলের প্রধান ভিতালি কোভাল এবং উপপ্রধানমন্ত্রী ওলগা স্তেফানিশিনার উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া দেশটির বিচার, পরিবেশ ও পুনরেকত্রীকরণ মন্ত্রণালয়গুলোর মন্ত্রীরাও পদত্যাগ করেছেন। ফলে কিয়েভের মন্ত্রিসভার এক-তৃতীয়াংশ পদই ফাঁকা হয়ে গেল।
এই পদত্যাগ ও মন্ত্রিসভা সংস্কারের বিষয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, মূলত নতুন শক্তিমত্তা অর্জনের লক্ষ্যেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন শরৎ সামনে রেখেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্রনীতিতে পরিবর্তন আনারও ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘শরৎকাল ইউক্রেনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে। আমাদের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবশ্যই কার্যকর করতে হবে, যাতে ইউক্রেন প্রয়োজনীয় সব লক্ষ্য অর্জন করতে পারে...আমাদের অবশ্যই সরকারের কিছু ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করতে হবে।’
বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই রদবদল মূলত জেলেনস্কি ও তাঁর ঘনিষ্ঠ বলয়ের লোকজনই করেছে। এই পরিবর্তনকে অনেকে রাজনৈতিক ‘পুনঃস্থাপনও’ বলছেন।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৬ ঘণ্টা আগে