
রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ৫০ লাখের বেশি মানুষ ইউক্রেন থেকে পালিয়ে গেছে। গতকাল শুক্রবার জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) পক্ষ থেকে এমনটি জানানো হয়।
ইউএনএইচসিআরের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এবারই সবচেয়ে বড় শরণার্থী সংকটে পড়েছে ইউরোপ।
ইউএনএইচসিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪৭ লাখ ৯৬ হাজার ২৪৫ জন ইউক্রেনীয় দেশ ছেড়ে গেছে।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানায়, তৃতীয় বিশ্বের প্রায় ২ লাখ ১৫ হাজার মানুষ ইউক্রেন ছেড়ে পালিয়েছে।
ইউএনএইচসিআর জানায়, শরণার্থীদের ১০ জনের ছয়জন অর্থাৎ প্রায় ২৭ লাখের বেশি ইউক্রেনীয় যুদ্ধের শুরুতে দেশ ছেড়ে পালিয়ে পোল্যান্ড পালিয়ে গেছে। রোমানিয়াতে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় সাত লাখ ২৫ হাজার ইউক্রেনীয় শরণার্থী।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন ছেড়ে পালিয়েছে ৬ লাখ ৪৫ হাজার ইউক্রেনীয়। মার্চে দেশটি ছেড়েছে ৩৪ লাখ ইউক্রেনীয়। আর চলতি মাসে ইউক্রেন ছেড়েছে ৭ লাখ ৬০ হাজার ইউক্রেনীয়।
যারা পালিয়ে গেছে তাদের ৯০ শতাংশ নারী ও শিশু। ১৮ থেকে ৬০ বছরের পুরুষেরা সামরিক বাহিনীতে সাময়িক সময়ের জন্য যোগ দেওয়ায় দেশটি ছাড়তে পারেনি। ইউক্রেনের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ শিশুদের তাদের বাড়ি থেকে জোরপূর্বক বাধ্য করা হয়েছে।
আইওএম জানায়, ইউক্রেনে ৭১ লাখ মানুষ তাদের বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। তবে তারা এখনো ইউক্রেনে আছে।
রুশ আক্রমণের আগে রাশিয়া-অধিভুক্ত ক্রিমিয়া এবং পূর্বে রাশিয়াপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলো বাদ দিয়ে ইউক্রেনের জনসংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৭০ লাখ।

রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ৫০ লাখের বেশি মানুষ ইউক্রেন থেকে পালিয়ে গেছে। গতকাল শুক্রবার জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) পক্ষ থেকে এমনটি জানানো হয়।
ইউএনএইচসিআরের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এবারই সবচেয়ে বড় শরণার্থী সংকটে পড়েছে ইউরোপ।
ইউএনএইচসিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪৭ লাখ ৯৬ হাজার ২৪৫ জন ইউক্রেনীয় দেশ ছেড়ে গেছে।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানায়, তৃতীয় বিশ্বের প্রায় ২ লাখ ১৫ হাজার মানুষ ইউক্রেন ছেড়ে পালিয়েছে।
ইউএনএইচসিআর জানায়, শরণার্থীদের ১০ জনের ছয়জন অর্থাৎ প্রায় ২৭ লাখের বেশি ইউক্রেনীয় যুদ্ধের শুরুতে দেশ ছেড়ে পালিয়ে পোল্যান্ড পালিয়ে গেছে। রোমানিয়াতে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় সাত লাখ ২৫ হাজার ইউক্রেনীয় শরণার্থী।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন ছেড়ে পালিয়েছে ৬ লাখ ৪৫ হাজার ইউক্রেনীয়। মার্চে দেশটি ছেড়েছে ৩৪ লাখ ইউক্রেনীয়। আর চলতি মাসে ইউক্রেন ছেড়েছে ৭ লাখ ৬০ হাজার ইউক্রেনীয়।
যারা পালিয়ে গেছে তাদের ৯০ শতাংশ নারী ও শিশু। ১৮ থেকে ৬০ বছরের পুরুষেরা সামরিক বাহিনীতে সাময়িক সময়ের জন্য যোগ দেওয়ায় দেশটি ছাড়তে পারেনি। ইউক্রেনের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ শিশুদের তাদের বাড়ি থেকে জোরপূর্বক বাধ্য করা হয়েছে।
আইওএম জানায়, ইউক্রেনে ৭১ লাখ মানুষ তাদের বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। তবে তারা এখনো ইউক্রেনে আছে।
রুশ আক্রমণের আগে রাশিয়া-অধিভুক্ত ক্রিমিয়া এবং পূর্বে রাশিয়াপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলো বাদ দিয়ে ইউক্রেনের জনসংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৭০ লাখ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন যুদ্ধ পরবর্তী গাজার শাসনব্যবস্থা এবং পুনর্গঠন তদারকি করার জন্য ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোতে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
৩১ মিনিট আগে
বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া জাপানের সাগর উপকূলে নিইগাতা প্রিফেকচারের ৪ দশমিক ২ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে অবস্থিত। সাতটি রিঅ্যাক্টর পুরোপুরি চালু থাকলে কেন্দ্রটি সর্বোচ্চ ৮ দশমিক ২ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে, যা লাখ লাখ পরিবারের বিদ্যুৎ চাহিদা মেট
১ ঘণ্টা আগে
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ইউরোপীয় ইউনিয়নকে তাদের তথাকথিত ‘অ্যান্টি-কোয়ারশন ইনস্ট্রুমেন্ট’ সক্রিয় করার আহ্বান জানান। অনানুষ্ঠানিকভাবে একে বলা হয় ‘ট্রেড বাজুকা’। এই ব্যবস্থার আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশ সীমিত করতে পারে বা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে...
৩ ঘণ্টা আগে
সিরীয় সরকার এবং কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির অধীনে এসডিএফ তাদের বাহিনীকে ইউফ্রেটিস বা ফোরাত নদীর পশ্চিম তীরবর্তী এলাকাগুলো থেকে প্রত্যাহার করে নেবে। গতকাল রোববার এই চুক্তি হয়।
৪ ঘণ্টা আগে