
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, মস্কো আফ্রিকা মহাদেশের ৬টি দেশে বিনা মূল্যে ৫০ হাজার টন খাদ্যশস্য পাঠাবে। আজ বৃহস্পতিবার রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে দুদিনব্যাপী রাশিয়া-আফ্রিকা সামিটের উদ্বোধনী ভাষণে এই ঘোষণা দেন পুতিন। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যেই এই খাদ্যশস্য পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে। দেশগুলো হলো—বুরকিনা ফাসো, জিম্বাবুয়ে, মালি, সোমালিয়া সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক এবং ইরিত্রিয়া।
পুতিন তাঁর ভাষণে বলেন, ‘আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই বুরকিনা ফাসো, জিম্বাবুয়ে, মালি, সোমালিয়া সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক এবং ইরিত্রিয়ায় ২৫ থেকে ৫০ হাজার টন খাদ্যশস্য পাঠানোর প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে পারব।’ রাশিয়ার পক্ষ থেকে এমন এক সময়ে এই ঘোষণা দেওয়া হলো—যখন মস্কো নিজেদের ইউক্রেনের শস্য রপ্তানি চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে। যার কারণে আফ্রিকার দেশগুলো খাদ্য সংকটের আশঙ্কায় ভুগছে।
সব মিলিয়ে সম্মেলনে আফ্রিকা মহাদেশের ১৭টি দেশ অংশ গ্রহণ করেছে। এই সম্মেলনে আফ্রিকান দেশগুলো সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা।
এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাশিয়া-আফ্রিকা সামিট। এর আগে, রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর সোচিতে ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছিল রাশিয়া-আফ্রিকা সামিট।
ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন রাশিয়া তবে আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশ এখনো পুতিনকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টির প্রতি আলোকপাত করে পুতিন বলেন, ‘এটি গুরুত্বপূর্ণ যে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আফ্রিকার সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা একটি নতুন স্তরে পৌঁছেছে। আমরা এটিকে আরও বিকাশ করতে চাই।’

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, মস্কো আফ্রিকা মহাদেশের ৬টি দেশে বিনা মূল্যে ৫০ হাজার টন খাদ্যশস্য পাঠাবে। আজ বৃহস্পতিবার রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে দুদিনব্যাপী রাশিয়া-আফ্রিকা সামিটের উদ্বোধনী ভাষণে এই ঘোষণা দেন পুতিন। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যেই এই খাদ্যশস্য পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে। দেশগুলো হলো—বুরকিনা ফাসো, জিম্বাবুয়ে, মালি, সোমালিয়া সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক এবং ইরিত্রিয়া।
পুতিন তাঁর ভাষণে বলেন, ‘আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই বুরকিনা ফাসো, জিম্বাবুয়ে, মালি, সোমালিয়া সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক এবং ইরিত্রিয়ায় ২৫ থেকে ৫০ হাজার টন খাদ্যশস্য পাঠানোর প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে পারব।’ রাশিয়ার পক্ষ থেকে এমন এক সময়ে এই ঘোষণা দেওয়া হলো—যখন মস্কো নিজেদের ইউক্রেনের শস্য রপ্তানি চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে। যার কারণে আফ্রিকার দেশগুলো খাদ্য সংকটের আশঙ্কায় ভুগছে।
সব মিলিয়ে সম্মেলনে আফ্রিকা মহাদেশের ১৭টি দেশ অংশ গ্রহণ করেছে। এই সম্মেলনে আফ্রিকান দেশগুলো সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা।
এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাশিয়া-আফ্রিকা সামিট। এর আগে, রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর সোচিতে ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছিল রাশিয়া-আফ্রিকা সামিট।
ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন রাশিয়া তবে আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশ এখনো পুতিনকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টির প্রতি আলোকপাত করে পুতিন বলেন, ‘এটি গুরুত্বপূর্ণ যে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আফ্রিকার সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা একটি নতুন স্তরে পৌঁছেছে। আমরা এটিকে আরও বিকাশ করতে চাই।’

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে